Thursday, August 11, 2016

শীতে গৃহস্থালির টুকিটাকি

অনেকেরই প্রিয় ঋতু শীত। কনকনে ঠাণ্ডায় লেপ মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকতে সবারই ভালো লাগে। ঘরের কাজকর্মও কমে যায় অনেক, তাই ঘর গোছানোর কাজে অন্য সময়ের মতো এতোটা তৎপর থাকেন না গৃহকর্ত্রীরা। কিন্তু ঘরের টুকটাক সমস্যাগুলো এই শীতেই বেশি হয়। শীতের প্রধান সমস্যা চুলার গ্যাসে। বাংলাদেশে এ সময় গ্যাস প্রচুর ঝামেলা করে। প্রায় দিনই পুরো এলাকা জুড়ে গ্যাস থাকে না। তাই হয়তো উপোস কাটাতে হয় ঘরের সবাইকে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গ্যাসের বিকল্প ব্যবস্থা করা যেতে পারে। চাইলে ঘরে সিলিন্ডার গ্যাস নিয়ে আসতে পারেন। কিংবা গ্যাস থাকার সময়ে সারাদিনের রান্না একবারেই করে রাখুন। শীতে ঠাণ্ডা বাতাস ঘরে ঢুকে বলে সবাই দরজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে রাখে। রান্নাঘরেও তাই। কিন্তু এ থেকে বিরাট দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বদ্ধ ঘরে গ্যাসের পাইপ থেকে গ্যাস লিক হয়ে পুরো রান্নাঘর ক্ষেত্রবিশেষ পুরো বাড়ি গ্যাসের ডিপো হয়ে থাকতে পারে। আগুন জ্বালালেই সর্বনাশ। তাই পুরো জানালা বন্ধ না করে একটু ফাঁকা রাখুন। কুয়াশার কারণে রোদ না উঠলে কাপড় শুকানোর ঝামেলা অনেক। এক্ষেত্রে ঘরের ভেতর রশি টানিয়ে কাপড় অল্প ভাঁজ করে করে নেড়ে দিন। একটু দেরিতে হলেও শুকাবে। তবে সাবধান, গ্যাসের চুলার আগুনে কখনোই কাপড় শুকানো নয়। শীতকালে ঘরে পোকামাকড়ের উৎপাত বেশি হয়। তাই ঘরের আলমারি, শো-কেসে ন্যাপথলিন কিংবা নিম পাতা দিয়ে রাখতে পারেন। পোকা দূর হবে। শীতে ঘরের মেঝেতে কার্পেট বিছিয়ে দিন। বরফসম ঠাণ্ডা মেঝেতে হাঁটলে ছেলে-বুড়ো সবার নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই আগে থেকেই সাবধান থাকুন। তাছাড়া কার্পেট আপনার ঘরের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করবে। এই ঋতুতে বাতাসে আদ্রতা কম থাকে বলে প্রচুর ধুলাবালি উড়ে। ফলে ঘর-বাড়ি দ্রুত ময়লা হয়। সম্ভব হলে প্রতিদিন ঘর মুছুন। অন্তত ঝাড়ু দেয়া তো অবশ্যই। সবকিছু মেনে চললে ধরে নিতে পারেন শীতকাল আপনার আরামেই কাটবে।

No comments:

Post a Comment