Sunday, June 28, 2015

ইসলাম সম্পর্কে

ইসলাম সম্পর্কে আনোয়ার শেখ বলেছেন- ইসলাম এমন একটা ধর্মবিশ্বাস যা সমগ্র মানবজাতিকে দুটি ভাগে ভাগ করে দিয়েছে,একদল যারা 'আল্লাহ হু আকবর' মানে মহম্মদকে বিশ্বাস করে আর অপর দল অমুসলমান মানে শয়তানের দল । মহম্মদের দেখানো পথ অনুসারে এই পৃথিবী থেকে সমগ্র অমুসলমানদের নিশ্চিত করবে মুসলিমরা । অমুসলিমদের ধর্ষন,হত্যা,লুষ্ঠন ও অমুসলিম নারীদের ধর্মান্তকরন জেহাদ নামে পরিচিত যা করলে স্বর্গে যাওয়া নিশ্চিত । * মুসলিমদের কথায় দেশকে দুইভাগে ভাগ করা হয় ১.দার-উল-ইসলাম-ইসলাম শাসিত দেশ । ২.দার-উল-আরব, মানে অমুসলিমদের দেশ । দার উল আরব যতদিন না পর্যন্ত দার উল ইসলামে পরিনত হবে ততদিন পর্যন্ত জেহাদ চলতে থাকবে । *শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ইসলাম সম্পর্কে বলে গেছেন- "যখন ধর্মের প্রতি মোহ্ তাহাদের কমিবে,যখন বুঝিবে যে কোন ধর্ম হোক তাহার গোঁড়ামী লইয়া গর্ব করিবার মতো লজ্জাকর ব্যাপার,এতোবড়ো বর্বরতা মানুষের আর দ্বিতীয় নাই,এখনও সময় আছে যদি জগৎ সুদ্ধ লোক মিলিয়া মুসলমানদের শিক্ষার ব্যাবস্থা না করিলে ইহাদের কোন দিন চোখ খুলিবে কিনা সন্দেহ" । হে ধর্মনিরপেক্ষগন আপনাদের জন্যই আজ মুসলিম সাম্রাজ্য আবার গড়তে চলেছে । কবে আপনাদের ঘুম ভাঙবে?

জাতীয় গ্রন্থ ভাগবত গীতা

'ভাগবত গীতা'কে জাতীয় গ্রন্থ করার বিরোধীতা যারা করেছিলেন,আবার কেউ কেউ কোরানকে জাতীয় গ্রন্থ করতে হবে এমনই দাবী তুলেছিলেন । একবার লক্ষ্য করে দেখুন যে সকল ইসলামিক দেশে কোরানকে জাতীয়গ্রন্থ করা হয়েছে সেই দেশগুলোতে কত শান্তি আছে? যদি ইসলাম শান্তির ধর্ম হয় তাহলে সব সন্ত্রাসবাদী ইসলাম কেন হয়? ধর্মনিরপেক্ষ ভারতবাসীরা বাবরী মসজিদ ধংস হওয়ার কারনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দিবস পালন করে অন্যদিকে শিয়া সুন্নীর কোন্দলে মসজিদ উড়ে গেলেও ধর্মনিরপেক্ষরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলে না কেন? কোন হিন্দু ছেলে যদি মুসলিম মেয়েকে ধর্ষন করে তখন ধর্মকে গালাগাল দিতে থাকে মুসলিমরা আবার প্রতিদিন যেভাবে হিন্দুদের ধর্ষন করছে মুসলিমরা সেক্ষেত্র ধর্মনিরপেক্ষরা বলে সন্ত্রাসের কোন ধর্ম নেই । হিন্দুত্ববাদের বিরুদ্ধে যারা এবং যারা ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদী সেজে হিন্দুদের ধংস করছেন তাদের অবশ্যই মাকে জিজ্ঞাসা করা উচিত তার পিতৃপরিচয় অথবা রক্ত পরীক্ষা করা উচিত । হিন্দুর মুখোশ পরে যারা হিন্দুদের সর্বনাশ করছেন তাদের শরীরে কি আদৌ হিন্দুর রক্ত আছে?

Wednesday, June 24, 2015

৩০শে জুন কি ভেঙে পড়বে গোটা ইন্টারনেট দুনিয়াই?

নিউ ইয়র্ক:আগামী ৩০শে জুন কি ভেঙে পড়তে চলেছে গোটা ইন্টারনেট ব্যব্স্থা? মার্কিন গবেষকদের আশঙ্কা এমনটাই। কিন্তু এর কারণটা কি? কারণ, ৩০ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট ৫৯ সেকেন্ডে ওয়ার্ল্ড ক্লকে যুক্ত হবে বাড়তি এক সেকেন্ড। আর্থ টাইম ও অ্যাটমিক টাইমের মধ্যে সময়ের সামান্য গরমিল মেটাতেই হবে এমনটা। কিন্তু গবেষকদের আশঙ্কা, এর ফলে ইন্টারনেট পাওয়ার সিস্টেমে ব্যাপক গোলযোগ ও ত্রুটি দেখা দিতে পারে। যার ফলে কিছু সিস্টেম ভেঙে পড়তে পারে, কিছু সিস্টেম আবার কয়েক সেকেন্ডের জন্য থমকে যেতে পারে। বৈজ্ঞানিকেরা একে বলছেন “লিপ সেকেন্ড”। কেন এই বাড়তি সেকেন্ড যোগ হচ্ছে ঘড়িতে? কারণ, পৃথিবীর ঘুরপাক খাওয়ার গতি কমছে। প্রতিদিন এক সেকেন্ডের প্রায় দু’হাজার ভাগের দুইভাগ করে পৃথিবীর গতি কমছে। সেই সময়ের ক্ষতিপূরণের জন্যই ওয়ার্ল্ড ক্লকে ৩০ জুন যোগ হবে বাড়তি লিপ সেকেন্ড। সূক্ষা গাণিতিক হিসেব মেলানোর জন্য আর্থ টাইমকে হতে হবে অ্যাটমিক টাইমের সমান। বৈজ্ঞানিকেরা বলছেন, পৃথিবীর আহ্নিক গতি নিয়ম করে কমেই চলেছে। ডাইনোসরদের আমলে নাকি পৃথিবী নিজের কক্ষপথে একপাক ঘুরতে সময় নিত ২৩ ঘণ্টা। ১৮২০ সালে কাঁটায় কাঁটায় ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবী নিজের কক্ষপথে একপাক ঘুরে নেয়। ফের কমতে শুরু করেছে পৃথিবী আহ্নিক গতি। সেই ১৮২০ সাল থেকে এক একটি ‘সোলার ডে’-র লম্বা হয়ে চলেছে। দৈনিক ২.৫ মিলিসেকেন্ড করে বাড়ছে এক একটি দিন। ১৯৭২ সালে শেষবার ওয়ার্ল্ড ক্লকে যুক্ত হয়েছিল এক সেকেন্ড। ফের চলতি বছরের জুন মাসে যোগ হবে বাড়তি সেকেন্ড। এই নিয়ে ২৬ তম বার। এর ফলে কম্পিউটারের উপর কী প্রভাব পড়বে? কম্পিউটার বিশেষজ্ঞদের দাবি, কয়েকটি সিস্টেমে ৫৯ সেকেন্ড দেখানোর পরে, পরের মিনিটে যাওয়ার বদলে কম্পিউটারে ৬০ সেকেন্ড দেখাতে পারে। বা, ৫৯ তম সেকেন্ডটি দু’বার দেখাতে পারে। এখন দেখার বিষয়, সূক্ষ গাণিতিক হিসেব সামলায় যে সমস্ত কম্পিউটার, তারা কী করবে ৩০ জুন? সিস্টেম ক্র্যাশ করবে? নাকি সামলে নেবে? দুনিয়া জুড়ে বৈজ্ঞানিকদের চোখ থাকবে আগামী ৩০ জুন।

Monday, June 22, 2015

নিজের টাইম লাইনে রাখুন। কাজে দেবে :-

৬৪টি সংক্ষিপ্ত শব্দের পুর্ন রুপ জানুন ১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity. ২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer Protocol. ৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer Protocol Secure. ৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator. ৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol ৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information Resource Under Seized. ৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module. ৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation. ৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile Communication. ১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple Access. ১১। UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile Telecommunication System. ১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming ১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave ১৪। SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File ১৫। AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec ১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor ১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive ১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll ১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Partnership Project ২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project ২১। MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file ২২। AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding ২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable Format ২৪। BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap ২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert Group ২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash ২৭। WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video ২৮। WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio ২৯। WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio ৩০। PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network Graphics ৩১। DOC এর পূর্ণরূপ — Doc**ent (Microsoft Corporation) ৩২। PDF এর পূর্ণরূপ — Portable Doc**ent Format ৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ — Mobile 3D Graphics ৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 Audio File ৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia Theme(series 40) ৩৬। THM এর পূর্ণরূপ — Themes (Sony Ericsson) ৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ — Synthetic Music Mobile Application File ৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia Ringtone ৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ — Extensible Music File ৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ — Wireless Bitmap Image ৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX Video ৪২। HTML এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Markup Language ৪৩। WML এর পূর্ণরূপ — Wireless Markup Language ৪৪। CD এর পূর্ণরূপ — Compact Disk. ৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital Versatile Disk. ৪৬। CRT — Cathode Ray Tube. ৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital Audio Tape. ৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk Operating System. ৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ — Graphical User Interface. ৫০। ISP এর পূর্ণরূপ — Internet Service Provider. ৫১। TCP এর পূর্ণরূপ — Transmission Control Protocol. ৫২। UPS এর পূর্ণরূপ — UninterruptiblePower Supply. ৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ — High Speed Downlink Packet Access. ৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ — Enhanced Data Rate for GSM [Global System for Mobile Communication] ৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very High Frequency. ৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra High Frequency. ৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ — General Packet Radio Service. ৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ — Wireless Application Protocol. ৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ — Advanced Research Project Agency Network. ৬০। IBM এর পূর্ণরূপ — International Business Machines. ৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett Packard. ৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ — Amplitude/ Frequency Modulation. ৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ — Wireless Local Area Network ৬৪। USB এর পূর্ণরূপ — Universal Serial Bus. MZ

Thursday, June 18, 2015

নেপালের ভূমিকম্প প্রাকৃতিক নয় কৃত্রিম : বেঞ্জামিন ফালফোর্ড

নিউজ ডেস্ক :-কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক জোর দাবি করেছেন নেপালের ভয়াবহ ভূমিকম্প প্রাকৃতিক ছিল না, বরং বিশেষ প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র এই ভূমিকম্প ঘটিয়েছে। এই ভূমিকম্পের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আবিষ্কৃত হার্প প্রযুক্তিকে দায়ী করছেন তিনি। কানাডীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলো বেঞ্জামিন ফালফোর্ড তাঁর নিজস্ব ব্লগে জোরালোভাবে দাবি করেছেন, নেপালে সংঘটিত ভয়াবহ ভূমিকম্প যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র এই ঘটনার মাধ্যমে ভারত এবং চীনকে বার্তা প্রেরণ করেছে। চীনকে এবং ভারতকে বোঝাতে চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা সম্পর্কে। চীনের হাত থেকে একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রই ভারতকে বাঁচাতে পারে-এটা বোঝানোও অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল। আর ঠিক এজন্যই এ ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। আর তাদের এই ম্যাসেজ দেয়ার জন্য বলির পাঁঠা হতে হয়েছে নেপালের হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে। তিনি তার ব্লগে আরো বলেন, নেপালে সৃষ্ট ভূমিকম্প মূলত উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বৈদ্যুতিক তরঙ্গ (হার্প প্রযুক্তি)-এর মাধ্যমে ঘটানো হয়েছে। হার্পের পুরো নাম হলো হাই ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাকটিভ অরোরাল রিসার্চ প্রোগ্রাম। যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর আর্থিক সহায়তায় আলাস্কা বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিরক্ষা উন্নয়ন গবেষণা কর্মসূচী সংস্থা (ডিআরপিএ) হার্প গবেষণা চালাচ্ছে ১৯৯৩ সাল থেকে। এ কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য হলো আবহাওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুতের ওপর প্রভাব তৈরি করা। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সরাসরি সমুদ্রের নিচে অথবা মাটির অভ্যন্তরে শক্তিশালী বৈদ্যুতিক তরঙ্গ সৃষ্টির মাধ্যমে সুনামি অথবা ভূমিকম্প তৈরি করা যায়। গবেষকদের দাবি, এর আগে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশে কৃত্রিমভাবে এই ভূমিকম্প সৃষ্টি করা হয়েছিল। যদিও এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে বিপক্ষে নানা মত রয়েছে। শুরুতে হার্প নিয়ে অভিযোগকে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে দেখানো হলেও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হার্প দিয়ে মানববিধ্বংসী অস্ত্রের পরীক্ষার অভিযোগ দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। জানা যায়, এই প্রকল্প শুরু হয় স্নায়ুযুদ্ধের শুরু থেকে। রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র আলাদাভাবে এ নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প চালিয়ে যাচ্ছে। হার্পের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া উভয়েই কৃত্রিমভাবে প্রাকৃতিক দুর্বিপাক সৃষ্টির অস্ত্র তৈরি করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। হার্প নিয়ে রাশিয়ার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধেই অভিযোগ বেশি আসছে বিভিন্ন মহল থেকে। এর আগে হাইতিতে ভূমিকম্পের পর পরই ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজ অভিযোগ করেন, আমেরিকার হাইতিতে টেকটোনিক ওয়েপন বা ভূ-কম্পন অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। ওই পরীক্ষার ফলে হাইতির পরিবেশ মারাত্মক বিপর্যয়ের কবলে পড়ে, সৃষ্টি হয় রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প। তিনি আরো বলেন, এই অস্ত্র দূরবর্তী কোনো স্থানের পরিবেশের পরিবর্তন ঘটাতে পারে। পরিবেশকে ধ্বংস করে দিতে পারে। শক্তিশালী বিদ্যুৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ সৃষ্টির মাধ্যমে ভূমিকম্প সৃষ্টি করতে পারে বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটাতে পারে। শ্যাভেজ আমেরিকাকে এই ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্প অস্ত্র প্রয়োগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। হাইতির ঘটনায় প্রায় এক লাখ ১০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ৩০ লাখেরও বেশি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া আরো বেশ কয়েকটি সূত্র থেকে দাবি করা হয়, এ ধরনের অপর এক অস্ত্র পরীক্ষায় চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ২০০৮ সালের ১২ মে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। এছাড়া রাশিয়া ২০০২ সালের মার্চে আফগানিস্তানে অনুরূপ এক পরীক্ষা চালিয়ে ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করে। সাম্প্রতিক কালে নেপালে স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে পর্যটন সমৃদ্ধ দেশটির ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নেপালসহ ভারত, চীন ও বাংলাদেশে সর্বমোট ৮৫০০ জনেরও অধিক মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানা যায়। এছাড়া নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডু শহরে অবস্থিত প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহ ভূমিকম্পের ফলে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। http://www.haarp.net/