অতিরিক্ত মসলাদার ও ঝাল খাবার খাওয়ার ফলে বদহজমের সমস্যা দেখা না দেওয়াটাই অস্বাভাবিক। আর বদহজম হলেই ভারী ভারী ওষুধ! কিন্তু আপনি কি জানেন বদহজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রয়েছে ঘরোয়া সমাধান। যা আপনার অজানা। তেমনই বেশ কয়েকটি সমাধান তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে। যেমন…………।
অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার:হজম প্রক্রিয়া সচল রাখতে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার বেশ কার্যকর। অ্যাসিডিক উপাদান থাকলেও বদহজমে এই ভিনিগার বেশ উপকারী।
এক কাপ জলে এক টেবিল-চামচ ভিনিগার ও এক টেবিল-চামচ মধু মিশিয়ে মিশ্রণটি খেলে চটজলদি উপকার পাওয়া যাবে।
মৌরি দানা:অতিরিক্ত ঝাল বা মসলাদার খাবার খাওয়ার কারণে যদি বদহজম হয় তাহলে তার উপশমে মৌরি দানা বেশ উপকারী। মৌরি দানায় থাকা প্রাকৃতিক তেল পেটের সমস্যা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।মৌরি দানা শুকিয়ে ভেজে, গুঁড়া করে নিতে হবে। এক চা-চামচ মৌরি দানার গুঁড়ো জলের সঙ্গে গুলিয়ে দিনে দু’বার খেতে হবে। এছাড়া এক কাপ গরম জলে দুই চা-চামচ মৌরি দানা ফুটিয়ে চায়ের মতো করেও পান করা যেতে পারে। যদি বদহজমের লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে মৌরি দানা চাবিয়ে খেলেও কিছুটা উপকার পাওয়া যাবে।
আদা:হজমে সহায়ক পাচক রস ও এনজাইমের নিঃসরণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আর তাই হজমের সমস্যায় আদা বেশ ভালো প্রতিষেধক। বিশেষত অতিরিক্ত খাওয়ার পরে হজমের জন্য আদা বেশ উপকারী। অতিরিক্ত খাওয়ার পর কয়েক টুকরা তাজা আদা সামন্য লবণ ছিটিয়ে চুষে খেতে পারেন।* দুই চামচ আদার রস, এক চামচ লেবুর রস, এক চিমটি লবণ মিশিয়ে খেতে হবে। জলের সঙ্গে মিশিয়েও ওই মিশ্রণ সেবন করা যেতে পারে।
* এছাড়া এক কাপ গরম জলে দুই চামচ আদার রস ও এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন।
* আদা চাও বদহজমের কারণে হওয়া পেট ব্যথা উপশমের জন্য উপকারী।
* রান্নার সময় তরকারিতে আদা ব্যবহার করলে তা হজমে সহায়তা করবে।
বেকিং সোডা:পেটে অ্যাসিডিটির কারণে বদহজমের সমস্যা হয়ে থাকে। বেকিং সোডা অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। আধা গ্লাস জলে দেড় চামচ বেকিং সোডা গুলে পান করলে পেটে ব্যথায় আরাম পাওয়া যাবে। বদহজম এবং পেটে গ্যাসের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে বেকিং সোডা অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান।ভেষজ চা:বিভিন্ন ভেষজ উপাদান দিয়ে বানানো চা শরীরের জন্য বেশ উপকারী। ভারী খাবার খাওয়ার পর এক কাপ ভেষজ চা বেশ উপাদেয়। বাজারে বিভিন্ন ভেষজ উপাদান সমৃদ্ধ চা-য়ের টি-ব্যাগ কিনতে পাওয়া যায়। পছন্দসই ফ্লেইভারের টি ব্যাগ নিয়ে গরম জলে ডুবিয়ে তৈরি করে ফেলতে পারেন পছন্দসই ভেষজ চা।
বিশেষত পেপারমিন্ট এবং ক্যামলাই টি পেটের সমস্যায় বেশি উপকারী। পেটে জ্বালাপোড়া এবং অস্বস্থিকর অনুভূতি উপশমে এই উপাদান মিশ্রিত চা বেশি কার্যকর।
Real Life In BENGALI
News,Tecnology,Science,Sports,Food and more
Thursday, August 25, 2016
ক্যানসার এড়াতে সিগারেট খান
ধূমপান স্বাস্হ্যের পক্ষে হানিকারক, এতে ক্যানসার হতে পারে৷ এমই একটা লাইন ব্যবহার হয় সব সিনেমার আগে৷ মুখস্থ হয়ে গেছে সবার৷ এছাড়াও সিগারেটের প্যাকেটেই দিকে তাকালেই ভয়ঙ্কর একটা ছবি দিয়ে লেখা থাকে স্মোকিং কিলস্৷ কিন্তু এক গবেষক ক্যানসার এড়াতে এই সিগারেট খাওয়ারই পরামর্শ দিচ্ছেন৷ শুনে আঁতকে উঠলেন কি? এই গবেষক বলছেন তামাক গাছ নাকি ক্যানসারের সবচেয়ে বড় শত্রু৷ লাট্রোব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডা. মার্ক হুলেটের দাবি এনওডি১ ক্যানসার কোষের ছড়িয়ে পরা রুখতে পারে৷ এগুলি প্যাথোজেন মেরে ফেলতে সক্ষম৷ এনএডি১ নিজেই ক্যানসার কোষ খুঁজে পাশের সুস্থ কোষকে অক্ষুন্ন রেখেই ক্যানসার কোষ নষ্ট করে দেয়৷ তবে এখনও ক্যানসার কোষের উপর বেশকিছু প্রয়োগ মূলক পরীক্ষা বাকি রয়েছে৷
চুল ওঠা এখন ভালো!
চুল পড়া থামছে না। ক্রমশ বড় আকার নিচ্ছে টাক? চিন্তা নেই!
নির্দিষ্ট ছাঁচে এবং ঘনত্বে ২০০টি চুল তুলে ফেললে তার বদলে গজাবে নতুন ১২০০ চুল! সম্প্রতি এক এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই এক চাঞ্চল্য তথ্য। যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া’ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী ইঁদুরের উপর এ পরীক্ষা চালান।
প্রধান গবেষক চেং-মিং চুয়ং বলেন, “এর মাধ্যমে অ্যালোপেসিয়া (এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির চুল দ্রুত পড়ে যায়) রোগের সম্ভাব্য চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কারের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।”
চুল তোলার কারণে চুলের গোঁড়ার ক্ষত যেভাবে পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে, ঠিক একইভাবে এ অবস্থাটিই আবার নতুন চুল গজানোর প্রক্রিয়াকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। এ ধারণার ওপর ভিত্তি করেই কয়েক বছর আগে গবেষণাটি শুরু হয়।
এই প্রক্রিয়ায় আরও বেশি চুল গজাতে সক্ষম হওয়ার ব্যাপারেও আশাবাদী ছিলেন গবেষকরা। এটি পরীক্ষা করতে তারা একটি ইঁদুরের পিঠ থেকে ভিন্ন ভিন্ন ছাঁচে একের পর এক ২০০টি লোম তুলে নেন। যখন কম ঘনত্বে একটি জায়গা থেকে লোম তুলে নেওয়া হয়, তখন দেখা যায় কোন নতুন লোম গজায়নি। অথচ বেশি ঘনত্বে লোম তুলে নেওয়ার ফলে ৪৫০ থেকে ১৩০০’র মত নতুন লোম গজাতে দেখতে পান গবেষকরা। এমনকি যেখান থেকে লোম তোলা হয়নি, সেখানেও নতুন লোম গজাতে দেখা যায়।
গবেষকরা দেখিয়েছেন, ‘কোরাম সেন্সিং বা অনুভবনশীল’ প্রক্রিয়ায় নতুন লোম গজিয়েছে। যদিও সব ক্ষেত্রে একই ফল পাওয়া যায়নি। http://kolkata24x7.com/hair-problem-solution.html
রোগা হতে জমিয়ে খান ফুচকা
পণ করেছি, খাব না ফুচকা, যদি হতে হয় রোগা। স্লিম হতে গিয়ে এরকম পণ আমরা অনেকেই করে থাকি। কিন্তু ওই যে কথায় বলে লোভে পাপ। আর এখানে লোভে মোটা। তবে মেয়েদের জন্য রয়েছে সুখবর। ফুচকা খেয়েও এবার রোগা থাকতে পারবেন। শুধু মেনে চলতে হবে কয়েকটা নিয়ম।
*.অন্ধকার নামলে পাড়ার মোড়ে টিম টিম করে জ্বলতে থাকে আলো। সেখানেই রয়েছে রসনার তৃপ্তি। সন্ধ্যে মানেই টক-ঝালে ফুচকা। কিন্তু রোগা হতে চাইলে আলো যাওয়া পর নো-ফুচকা। দুপুরেই খেয়ে নিন ফুচকা।
*.কন্ট্রোল। যত খুশি তত খাব! একদম নয়। গুনে গুনে ৬ টা থেকে ৮ টা-এর বেশি নয়। আসলে কোনও খাবারই বেশি খাওয়া ভালও নয়। তা সে ফুচকা হোক আর ওটস। তাই নিজের মনকে বোঝান।
*.আলু-কাঁচা লঙ্কা-টক জল তিনে মিলে ফুচকা। সঙ্গে রয়েছে ছোলা,মটর, লেবু, ধনেপাতা। এরমধ্যে কোনটিই শরীরের পক্ষে খারাপ নয়। কিন্তু আলুতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট। তাই পারলে আলুটা এড়িয়ে চলুন। ছোলা-মটর দিয়েই ফুচকা খান। আর সেই সঙ্গে একটা জিনিস মাথায় রাখবেন নো চাটনি ফুচকা, অনলি টক জল। তবে আপনি চাইলে দই ফুচকা খেতে পারেন। এটা খুব ভালো।
*.ফুচকার পাপড়ি দু’রকমের হয়। এক সুজি, দুই ময়দার। যতই মুচমুচ করুক না কেন, ডায়েট মেনে চলতে চাইলে আপন করুণ ময়দার ফুচকা, এড়িয়ে চলুন সুজির ফুচকা।
*.বেশি টক, বেশি ঝাল আর নুন ফুচকার মশলার এটাই ডিমান্ড। কিন্তু টক-ঝাল ঠিক থাকলেও নুন কিন্তু মোটেও ঠিক নয়। ফুচকায় একটু কম নুন খান।
*.
মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া প্রসাধন সামগ্রী কতদিন ব্যবহার করা যায়?
আমরা সবাই জানি যে কোনও জিনিসের গায়ে তা কতদিন ব্যবহারযোগ্য তা লেখা থাকে৷ সেই তারিখ ও দেখেই আমরা সেসব জিনিস কিনি বা ব্যবহার করি৷ আমাদের প্রসাধন সামগ্রীও তার ব্যতিক্রম নয়৷ কিন্তু সমস্যা হল এই প্রসাধন সামগ্রীর গায়ে যে তারিখ পর্যন্ত ব্যবহারের নির্দেশ থাকে তার আগেই কিছু প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করা ঝুঁকি হয়ে পড়ে৷ একটি প্রসাধন সামগ্রীর মুখ খোলার পরে তা কতদিন পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য তা জানা দরকার প্রত্যেকের৷ ধরা যাক একটি কাজল পেনসিল কিনেছেন৷ তার গায়ে যা তারিখ রয়েছে তা অনুযায়ী দুই বছর পর্যন্ত কাজলটির মেয়াদ রয়েছে৷ কিন্তু তার মানে কখনওই এই নয় যে আপনি কাজলটি ব্যবহার শুরু করার পর থেকে আপনার চোখে দীর্ঘ দুই বছর পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন৷ তাতে আপনার চোখে নানা রকম সমস্যা হতে পারে৷ চোখে জ্বালা ব্যাথা ইনফেক্সন হতে পারে৷ তার থেকে সাবধান থাকতেই জেনে রাখুন কোন প্রসাধন সামগ্রীর মুখ খোলার পর থেকে কতদিন পর্যন্ত তা ব্যবহার করা নিরাপদ৷ # চোখের জন্য যেসব মেক-আপ ব্যবহার করা হয় তা সবচেয়ে তাড়াতাড়ি নষ্ট
হয়ে যায়। যেমন- মাসকারা বা আই লাইনার সিল খোলার তিন মাসের মধ্যে নষ্ট হতে থাকে। মাসকারা জমে গলে কখনও জল মিশিয়ে সেটা ব্যবহার করবেন না। এতে ব্যাক্টেরিয়ার জন্ম হতে পারে।# তরল ফাউনডেশন, কনসিলার ইত্যাদির আয়ু ছয় মাসের বেশী থাকে না। তাই চেষ্টা করুন ছোট ছোট পরিমাণে কিনতে। ব্যবহার শুরু করার ছয় মাসেই ফুরিয়ে যায় এই প্রসাধনীর নিরাপদ ব্যবহৈরের মেয়াদ।
# আই এবং লিপ পেন্সিল এক বছর পর্যন্ত ভাল থাকে।
# ক্রিম ফাউন্ডেশন ও ক্রিম আই শ্যাডো তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত থাকে। ভাল ব্র্যান্ডের কসমেটিকস হলে অবশ্য এক বছর পর্যন্ত ব্যবহারের উপযোগী থাকে।# পাউডার বেসড প্রডাক্ট দুই বছর ভাল থাকে। পাউডার আইশ্যাডো ব্যবহার শুরুর প্রায় তিন বছর পর্যন্ত ভাল থাকে। তবে ব্লাশঅন ভালো থাকে ছয় মাস পর্যন্ত।
# ক্রিম ও জেল কিনজার মোটামুটি নেলপলিশ এক বছর ভাল থাকে আর ঠিকমত সংরক্ষণ করতে পারলে আরও কিছুদিন ভাল রাখা যাবে।
# ফেসিয়াল ক্লিঞ্জার প্রায় ছয় মাস ভাল থাকে। আর ফেসিয়াল টোনার নিশ্চিন্তে এক
বছর পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন।
চোখের কালি দূর করার অব্যর্থ ছ’টি ঘরোয়া উপায়
রাতে ঘুম না হলেই বিপদ৷ চোখের তলায় পুরু কালি৷ অনেকের আবার ঘুম হলেও এই কালি দূর হয় না চোখ থেকে৷ পরিপাটি সাজের বারোটা বাজিয়ে দেয় এই চোখের কালি৷ সবাই জিজ্ঞাসা করে ‘সারারাত ঘুম হয় নি?’ লজ্জায় পড়েন আপনিও৷ তবে এই লজ্জার দিন শেষ৷ আপনার জন্য কিছু টিপস রইল যা আপনার চোখের কালি দূর করতে অব্যর্থ৷ ১. কদম ফুলের পাপড়ি বেটে পাঁচ থেকে ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এতে চোখের নিচের কালো দাগ অনেকটাই দূর হবে। এটি না পেলে পুদিনাপাতা বা নিমপাতাও
ব্যবহার করতে পারেন।
২. দুই চা চা চামচ ফ্রিজে রাখুন এবং চামচ দু’টি ঠাণ্ডা হবার জন্য অপেক্ষা করুন। চামচ ঠাণ্ডা হলে, বালিশে শুয়ে চোখের উপর চামচ দু’টি রাখুন। এটির দুটি সুফল আছে। এটি চোখের ক্লান্তি দূর করে এবং চোখের কালি দূর করতে সাহায্য করে।৩. দু’টি কটন বল শসার রসে ডুবিয়ে চোখের উপর পনেরো মিনিট রাখুন।
৪. ঠাণ্ডা টি ব্যাগ চোখের উপর রাখলে ভাল ফল পাবেন। গ্রিন টি-এর ব্যাগ রাখলে কাজ দ্রুত হবে।৫. খোসাসহ আলু বেঁটে চোখের নিচে লাগাতে হবে। তিন চার দিন এই পেস্টটি ব্যবহার করুন। কালো দাগ দূর হবে।
৬. কাজু বাদাম বেটে দুধের সঙ্গে গুলিয়ে, পেস্ট করে চোখের চারপাশে লাগাতে পারেন।
৭. চোখের চারপাশে বাদাম তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলেও দ্রুত উপকার পাবেন।
চিংড়ি তন্দুরি
বন্ধু-মহলে আপনার সুনাম বাড়াবে এবার জলের পোকা। বুঝলেন না! আরে বাবা চিংড়ি মাছ। যদিও মাছ আমারা বলি। কিন্তু মাছের সাত কুলের সঙ্গে কোনও যোগ নেই তার। কিন্তু তাতে কি বাঙালির পাতে শিরোমণি চিংড়ি। আজ রইল এই পোকা নিয়ে এক রেসিপি
উপকরণ :
*.গলদা চিংড়ি মাছ ১৬টি
*. টক দই ১০০ গ্রাম
*.আদা- রসুন বাটা ১ চা চামচ
*.শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো এক টেবিল চামচ
*.কস্তুরি মেথি ১০ গ্রাম
*.গরম মসলা পরিমাণ মতো
*. তেল সামান্য
*.লবণ স্বাদ অনুযায়ী
প্রণালী :
*.প্রথমে চিংড়ি মাছ ভালো করে ধুয়ে নিন।
*.একটি বাটিতে টক দই নিয়ে ভালো করে ফাটিয়ে তাতে সব মশলা মিশিয়ে দিন।
*.তারপর এই মশলা মাখানো দইতে চিংড়ি দিন। ঘণ্টা দুয়েক এভাবে রেখে দিন।
*.কাঠ কয়লার আগুনে শিখে গেঁথে বারবিকিউ করুন। মাঝে মাঝেই চিংড়ির গায়ে দই ও তেল মাখিয়ে দেবেন। এভাবে তৈরি করুন চিংড়ি তন্দুরি।
Subscribe to:
Posts (Atom)