Friday, August 5, 2016

ভারত সম্পর্কে কিছু চমকপ্রদ তথ্য যা অনেকের অজানা।

ভারত সম্পর্কে কিছু চমকপ্রদ তথ্য যা অনেকের অজানা। ১. ভারতের সড়কজাল : ভারতের মোট রাস্তার দৈর্ঘ্য ৪৭ লাখ কিলোমিটার। এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম। আর এ রাস্তা সোজাপথে করা হলে তা দিয়ে সম্পূর্ণ পৃথিবীকে ১১৭ বার আবর্তন করা সম্ভব। ২.বিশ্বের সবচেয়ে আর্দ্র এলাকা ভারতে : ভারতের চেরাপুঞ্জিকে বিশ্বের সবচেয়ে আর্দ্র এলাকা হিসেবে পরিচিত করানো হয়েছে। তবে তার পাশের আরেকটি শহর মোহসিনরামকেও সবচেয়ে আর্দ্র এলাকা হিসেবে দাবি করা হয়। মোহসিনরামে বছরে বৃষ্টিপাত হয় প্রায় ৪৬৭.৩৫ ইঞ্চি বা প্রায় ৩৯ ফুট। অন্যদিকে চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত হয় ৪৬৩.৬৬ ইঞ্চি। ৩.বিপুল সংখ্যক তরুণ :২০২০ সালে ভারতে মানুষের গড় বয়স হবে ২৯ বছর। দেশটিতে ১৫-৩৪ বছরের জনসংখ্যা ২০১১ সালে ছিল ৪৩ কোটি এবং ২০২১ সালে তা ৪৬ কোটিরও বেশি হবে। ৪. শীর্ষ ধনীর সমারোহ: ভারতের ২৫ জন শীর্ষ ধনীর সম্পদ একত্র করলে ১৭৪.৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়, যা ইউক্রেনের মোট জিডিপির সমান। ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানি। তার সম্পদের পরিমাণ ২৪.২ বিলিয়ন ডলার। ৫. বিপুল চিকিৎসা সফর : ভারতে চিকিৎসার খরচ বেশ কম ও গুণমানও খুব ভাল । এ কারণে বিশ্বের বহু দেশ থেকেই ভারতে চিকিৎসার জন্য লোকজন আসে। এ খাত থেকে আগামী বছর ২০০ কোটিরও বেশি অর্থ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর এ অর্থ গ্রিনল্যান্ডের মোট জিডিপির প্রায় সমান। ৬.বিপুল কয়লা মজুদ : ভারতে মজুদ রয়েছে ২৭৫ বিলিয়ন টন কয়লা। আগামী ২০ বছরে এ দেশটি যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা ব্যবহারকারীতে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর এ বিপুল কয়লার অধিকাংশই বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় হবে। ৭.বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান বাড়ি ভারতে : ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানির ব্যক্তিগত বাড়ি ‘অন্তলিয়া l এই বাড়ির পেছনে খরচ হয়েছে প্রায় একশ কোটি ডলার l শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির এই বাড়িটি ২০১০ সালে তৈরি হয়। ২৭ তলা বাড়িটির মোট আয়তন চার লক্ষ বর্গ ফুট, দৈর্ঘ্য ৫৬০ ফুট। দামের নিরিখে ‘বাকিংহাম প্যালেসে’র পরেই ‘অন্তলিয়া’র স্থান। যদিও, ‘বাকিংহাম প্যালেস’ ব্রিটেনের সরকারি সম্পত্তি। এটি সোমালিয়ার মোট জিডিপির প্রায় সমান। ৮. যমজ সন্তান : কেরলের মালাপ্পুরম জেলাতে রয়েছে যমজদের শহর। যার নাম কোদিনহি। এ শহরে প্রতি ১০০০ জন্মের মধ্যে ৪৫ যমজ। ৯.শ্রীকান্ত জিচকার : এখন পর্যন্ত ভারতের সবচেয়ে বড় বিদ্বান। জিচকার একাধারে ছিলেন আইএএস, আইপিএস, আইনজীবী, চিকিৎসক, সংস্কৃতে ডি লিট। এমনকী বিশ্ববিদ্যালয়েরসর্বোচ্চ ডিগ্রির অধিকারী। পাশাপাশি ছিলেন অভিনেতা, ফোটোগ্রাফার, রেডিও অপারেটর। মাত্র ২৫ বছর বয়সে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৪টি পোর্টফোলিও ছিলো তার। ছিলো ২০টি ডিগ্রি। ২৮ঠি গোল্ড মেডেল ও ৫২ হাজার বইয়ের লাইব্রেরির অধিকারীও ছিলেন তিনি। ১০. কম্পিউটার উপযোগী শব্দ সংস্কৃত: প্রাচীন ভারতীয় ভাষার থেকেই জন্ম নিয়েছিল ইউরোপের বিভিন্ন ভাষা। ইংরাজি বর্ণমালার অনেক শব্দও এই সংস্কৃত থেকেই নেওয়া। আধুনিক প্রযুক্তির কম্পিউটার সফটওয়্যারেও খুব স্বচ্ছন্দ সংস্কৃত শব্দ।

No comments:

Post a Comment