ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সিন্ডি মেস্টন এবং ইভোল্যুশনারি সাইকোলজিস্ট ডেভিড বাস পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ১০০৬ জন মহিলার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তাদের যৌন অনুপ্রেরণার বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে। আর মাত্র ১০০৬ জন নারীর কাছ থেকেই বেরিয়ে এসেছে যৌনতার ২৩৭ টি আলাদা আলাদা কারণ। যদিও অনেকগুলো কারণের ব্যাপারে প্রায় সবাই একমত, আবার অনেকগুলো কারণ কয়েকজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তো দেখা যাক, কারণগুলি কী কী?
গবেষকরা নারীদের যৌন-প্রেরণাগুলিকে তিন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করেছেন- শারীরিক, আবেগ সংক্রান্ত এবং বস্তুবাদী কারণ। এই ক্যাটাগরির সাব ক্যাটাগরিতেই রয়েছে, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো, সেল্ফন স্টিমুলেশন, প্রেমিককে ধরে রাখা। তেমনই রয়েছে- জোর-জবরদস্তির শিকার হওয়া পর্যন্ত। এর মধ্যে যেমন রয়েছে সম্পূর্ণ পরোপকারী উদ্দেশ্য, তেমনই রয়েছে সম্পূর্ণ বদ মতলব। যেমন, কাউকে ভয়ানক রোগে আক্রান্ত করা।
আসুন এবার দেখে নেওয়া যাক, কেন মেয়েরা শয্যায় কামুক ও পাগল হয়ে ওঠে-
১. সুখতাড়িত হয়ে:অবভিয়াসলি! আদি অনন্তকাল ধরেই সবাই জানে “মেয়েদের যৌনতা ভালবাসা তাড়িত, আর ছেলেদের যৌনতা ইন্দ্রিয়সুখ তাড়িত”, পশ্চিমি দেশগুলি এই মিথকে উড়িয়ে দেয়। অর্ধেকেরও বেশি সংখ্যক মহিলা কোনও ধরণের রোম্যান্টিক রিলেশনশিপে না থাকা অবস্থায় শুধুই ইন্দ্রিয় সুখের জন্য সেক্স করতে আপত্তি দেখাননি। তবে কারও সঙ্গে রোম্যান্টিক রিলেশনে থাকা অবস্থায় ইন্দ্রিয় সুখের জন্য অন্য কারও সঙ্গে সেক্স করার ব্যাপারে প্রায় ৮০ শতাংস মহিলার ঘোরতর আপত্তি রয়েছে। অর্থাৎ সিঙ্গল অবস্থায় রোম্যান্সবিহীন সেক্সে অনেকেই আগ্রহী হলেও পার্টনারের সঙ্গে ‘চিটিং’কে তাঁরা সমর্থন করেন না।
২. রোম্যান্স:এটাও অবভিয়াস। প্রেমে পড়লে আবেগতাড়িত হয়ে প্রেমলীলায় মত্ত হয়নি এরকম জুটি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
৩. পার্টনারকে ধরে রাখার জন্য:অনেক সময়ই নিজের আবেগের চেয়ে বড় হয়ে দাড়ায় পার্টনারকে ধরে রাখার প্রচেষ্টা। পার্টনারের আবেদনে সাড়া না দিলে সে ছেড়ে চলে যেতে পারে, এই ধারণা থেকে অনেক সময়ই অনিচ্ছা সত্ত্বেও সাড়া দেন ।
৪. অন্যের প্রেমিককে ছিনিয়ে আনার জন্য:অনেক মহিলাই রোম্যান্টিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও পুরুষদের আবেদনে সাড়া দেন এই উদ্দেশ্যে যে, পুরুষটির সম্পর্কে চিড় ধরিয়ে সেই পুরুষটিকে তাঁর দিকে আকর্ষিত করতে।
৫. দায়িত্ববোধের পরিচয় দিতে: অনেক মহিলাই তাদের সঙ্গীদের সকল ধরণের যৌন চাহিদা মেটানো দায়িত্ব বলে মনে করেন। সেক্ষেত্রে আবেগতাড়িত না হয়েও বা পার্টনার চলে যাওয়ার সম্ভাবনা না থাকা সত্ত্বেও সেই দায়িত্ববোধ থেকে শয্যায় সাড়া দেন।
৬. গৃহস্থলি কাজের বিনিময়ে:অনেক বদ মেজাজি পুরুষরাই নাকি সেক্স না করলে গৃহস্থালির কাজকর্ম করবেন না বলে পার্টনারদের ব্ল্যাকমেল করেন। দাবি দ্য গার্ডিয়ানের।
৭. করুণা করে:মানসিকভাবে ভেঙে পড়া কোনও পরিচিত আপনজনকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্যও নাকি মহীয়সী মহিলারা মিলনে সাড়া দেন।
৮. বদ মতলবে:পদোন্নতির জন্য, টাকার জন্য, উপহার পাওয়ার লোভে, পার্টনারের ওপর কোন কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে গোপন প্রতিশোধ হিসেবে, কোন শত্রুতার কারণেও অনেক মহিলা শয্যায় কামার্ত হয়ে ওঠেন।
৯. ব্রেক-আপের জন্য:শুনতে অবাক লাগলেও আজকের সমাজে এ কথা খুব দুর্লভ নয়। অনেকে পার্টনার ক্লান্ত হলেও জোর করে সেক্স করার জন্য বাধ্য করেন। উদ্দেশ্য- যেন পার্টনার বিরক্ত হয়ে ব্রেক-আপ করে নেয়।
১০. মেডিক্যাল সেক্স:মাথা-ব্যাথা সহ আরও অনেক শারীরিক সমস্যার চিকিৎসা হিসেবেও নাকি অনেকে সেক্স করে থাকেন।
Sunday, January 31, 2016
Saturday, January 30, 2016
প্রায় ৩০ ভাগ মহিলা যৌন সম্পর্কে বাধ্য হন স্বামীর ভয়ে
বাংলাদেশের বিবাহিত মহিলাদের প্রায় ৩০ ভাগ মহিলা জীবনের কোনও না কোনও সময় স্বামীর মাধ্যমে যৌন নির্যাতনের শিকার হয় বলে জানাচ্ছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস)। তাদের প্রকাশিত একটি প্রকাশনা থেকে এই তথ্য জানা গিয়েছে। ২০ থেকে ৩৪ বছর বয়সী বিবাহিত মহিলারাই এ নির্যাতনের ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকির মধ্যে আছেন।
প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মহিলা জানিয়েছেন, স্বামীর ইচ্ছা অনুযায়ী যৌন সম্পর্ক না করলে স্বামী কিছু করে কি না, সে ভয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য হন তারা। তবে শহরের তুলনায় গ্রামে এ ধরনের নির্যাতনের ঘটনা বেশি ঘটে।
নারী নির্যাতন নিয়ে প্রথমবারের মতো ‘ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন (ভিএডব্লিউ) সার্ভে ২০১১’ শীর্ষক এই সমীক্ষা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস)। এই সমীক্ষা বলতে গেলে প্রায় অপ্রকাশ্য এই ধরনের যৌন নির্যাতনের চিত্রটি প্রকাশ পেয়েছে। গত ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সমীক্ষাটি প্রকাশ করা হয়।
রাষ্ট্রসঙ্ঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় ২০১১ সালের ১৯ থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমীক্ষা তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সমীক্ষায় স্বামীর মাধ্যমে যৌন নির্যাতন বলতে স্ত্রীর অনিচ্ছা সত্ত্বেও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করা, স্বামীর নির্যাতনের ভয়ে শারীরিক সম্পর্কে সম্মত হওয়া, শারীরিক সম্পর্ক ছাড়াও স্ত্রীকে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা স্ত্রী করতে চান না অথবা এতে অপমানিত বোধ করেন অথবা অন্যান্য যৌন নির্যাতনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে ১২ হাজারের বেশি মহিলা তথ্য দিয়েছেন।
স্বামীর মাধ্যমে যে যৌন নির্যাতন হয়, সেটিকে ‘নির্যাতন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। তবে বাংলাদেশের মহিলা ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে (২০০০, সংশোধিত ২০০৩) বিবাহিত নারীদের যে যৌন অধিকার আছে বা স্ত্রীর অমতে স্বামী যে কোনও ধরনের যৌন আচরণ করতে পারেন না, সে বিষয়টির স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। এ আইনে বলা হয়েছে, যদি কোনও পুরুষ বিবাহবন্ধনের বাইরে ১৬ বছরের অধিক বয়সী কোনও মহিলার সম্মতি ছাড়া বা ভয় দেখিয়ে বা প্রতারণা করে সম্মতি আদায় করে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে, তা ধর্ষণ হবে। অর্থাত্, এ ক্ষেত্রে স্ত্রীর ইচ্ছা-অনিচ্ছার বিষয়টিকে আমলে নেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে একই আইন বলছে, ১৬ বছরের কম বয়সী কোনও নারীর সঙ্গে সম্মতি বা সম্মতি ছাড়া শারীরিক সম্পর্ক করলে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে। তবে এ ক্ষেত্রেও সমস্যা আছে। দেশের বিদ্যমান বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়ের বিয়ে হলে তা বাল্যবিবাহ বলে বিবেচিত হবে। এ আইনে শাস্তির বিধান থাকলেও বিয়েটা বৈধ হবে। বিয়ে বৈধ হলে স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করার অধিকারপ্রাপ্ত হন। তাই তখন স্ত্রীর সম্মতি বা ইচ্ছার বিষয়টি গৌণ হয়ে যায়।
তবে ২০১০ সালের পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইনে যৌন নির্যাতনের বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে এ আইনেও বিষয়টিকে সেভাবে স্পষ্ট করা হয়নি। আইনে যৌন প্রকৃতির এমন আচরণ যা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সম্ভ্রম, সম্মান বা সুনামের ক্ষতি করে, তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া এ আইনে শারীরিক নির্যাতনের ক্ষেত্রেও জীবন, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা শরীরের কোনো অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে এবং বলপ্রয়োগের বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই বিবাহিত নারীদের এ আইন ব্যবহারের একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে নতুন আইন এবং আইনটির প্রচার কম থাকায় যৌন অধিকারের বিষয়ে আইনি সুরক্ষা নেওয়ার নজির নেই। kolkat24x7
প্রায় ৩০ ভাগ মহিলা যৌন সম্পর্কে বাধ্য হন স্বামীর ভয়ে
বাংলাদেশের বিবাহিত মহিলাদের প্রায় ৩০ ভাগ মহিলা জীবনের কোনও না কোনও সময় স্বামীর মাধ্যমে যৌন নির্যাতনের শিকার হয় বলে জানাচ্ছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস)। তাদের প্রকাশিত একটি প্রকাশনা থেকে এই তথ্য জানা গিয়েছে। ২০ থেকে ৩৪ বছর বয়সী বিবাহিত মহিলারাই এ নির্যাতনের ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকির মধ্যে আছেন।
প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মহিলা জানিয়েছেন, স্বামীর ইচ্ছা অনুযায়ী যৌন সম্পর্ক না করলে স্বামী কিছু করে কি না, সে ভয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য হন তারা। তবে শহরের তুলনায় গ্রামে এ ধরনের নির্যাতনের ঘটনা বেশি ঘটে।
নারী নির্যাতন নিয়ে প্রথমবারের মতো ‘ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন (ভিএডব্লিউ) সার্ভে ২০১১’ শীর্ষক এই সমীক্ষা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস)। এই সমীক্ষা বলতে গেলে প্রায় অপ্রকাশ্য এই ধরনের যৌন নির্যাতনের চিত্রটি প্রকাশ পেয়েছে। গত ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সমীক্ষাটি প্রকাশ করা হয়।
রাষ্ট্রসঙ্ঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় ২০১১ সালের ১৯ থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমীক্ষা তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সমীক্ষায় স্বামীর মাধ্যমে যৌন নির্যাতন বলতে স্ত্রীর অনিচ্ছা সত্ত্বেও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করা, স্বামীর নির্যাতনের ভয়ে শারীরিক সম্পর্কে সম্মত হওয়া, শারীরিক সম্পর্ক ছাড়াও স্ত্রীকে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা স্ত্রী করতে চান না অথবা এতে অপমানিত বোধ করেন অথবা অন্যান্য যৌন নির্যাতনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে ১২ হাজারের বেশি মহিলা তথ্য দিয়েছেন।
স্বামীর মাধ্যমে যে যৌন নির্যাতন হয়, সেটিকে ‘নির্যাতন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। তবে বাংলাদেশের মহিলা ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে (২০০০, সংশোধিত ২০০৩) বিবাহিত নারীদের যে যৌন অধিকার আছে বা স্ত্রীর অমতে স্বামী যে কোনও ধরনের যৌন আচরণ করতে পারেন না, সে বিষয়টির স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। এ আইনে বলা হয়েছে, যদি কোনও পুরুষ বিবাহবন্ধনের বাইরে ১৬ বছরের অধিক বয়সী কোনও মহিলার সম্মতি ছাড়া বা ভয় দেখিয়ে বা প্রতারণা করে সম্মতি আদায় করে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে, তা ধর্ষণ হবে। অর্থাত্, এ ক্ষেত্রে স্ত্রীর ইচ্ছা-অনিচ্ছার বিষয়টিকে আমলে নেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে একই আইন বলছে, ১৬ বছরের কম বয়সী কোনও নারীর সঙ্গে সম্মতি বা সম্মতি ছাড়া শারীরিক সম্পর্ক করলে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে। তবে এ ক্ষেত্রেও সমস্যা আছে। দেশের বিদ্যমান বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়ের বিয়ে হলে তা বাল্যবিবাহ বলে বিবেচিত হবে। এ আইনে শাস্তির বিধান থাকলেও বিয়েটা বৈধ হবে। বিয়ে বৈধ হলে স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করার অধিকারপ্রাপ্ত হন। তাই তখন স্ত্রীর সম্মতি বা ইচ্ছার বিষয়টি গৌণ হয়ে যায়।
তবে ২০১০ সালের পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইনে যৌন নির্যাতনের বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে এ আইনেও বিষয়টিকে সেভাবে স্পষ্ট করা হয়নি। আইনে যৌন প্রকৃতির এমন আচরণ যা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সম্ভ্রম, সম্মান বা সুনামের ক্ষতি করে, তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া এ আইনে শারীরিক নির্যাতনের ক্ষেত্রেও জীবন, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা শরীরের কোনো অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে এবং বলপ্রয়োগের বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই বিবাহিত নারীদের এ আইন ব্যবহারের একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে নতুন আইন এবং আইনটির প্রচার কম থাকায় যৌন অধিকারের বিষয়ে আইনি সুরক্ষা নেওয়ার নজির নেই।
Friday, January 22, 2016
কাপুস্তিন ইয়ারঃ রাশিয়ার এরিয়া-৫১ কাপুস্তিন ইয়ার
কাপুস্তিন ইয়ারঃ রাশিয়ার এরিয়া-৫১ কাপুস্তিন ইয়ার। নামটা উচ্চারণ করলেই কেমন রাশিয়ান রাশিয়ান মনে হয়। হ্যা, এটা রাশিয়ারই এক দুর্ভেদ্য ফ্যাসিলিটি। এমনই আল্ট্রা ক্লাসিফায়েড যে এটাকে বহুশ্রুত আমেরিকার এরিয়া-৫১ এর সাথে তুলনা করা হয়। ধারণা করা হয়, এই দুই ঘাটির কর্মপদ্ধতি আর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা একই। আর এই দুই ঘাটিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অজস্র কন্সপিরেসি থিয়োরি, গবেষণা আর অনুসন্ধান। কি হয় আসলে সেখানে? মানুষ শুধু উর্বর মস্তিষ্ক দিয়ে ধারণাই করতে পেরেছে। দশকের পর দশক পার হয়ে গেলেও ভিতরের রহস্য রয়ে গেছে অধরা। কাপুস্তিন ইয়ার সম্পর্কে জানার আগে দেখে নিই এরিয়া-৫১ কি চিজ!! এরিয়া-৫১। এই গোপন মিলিটারি বেসকে ঘিরে যত কন্সপিরেসি থিয়োরি, ডকুমেন্টারি, মুভি এবং একাডেমিক ডিবেট হয়েছে অর্ধ শতাব্দী ধরে, তা বিশ্বের অন্য কোন ফ্যাসিলিটি নিয়ে হয়েছে কিনা কে জানে! গ্রুম লেক নেভাডার দক্ষিন অংশে অবস্থিত, লাস ভেগাস থেকে ৮৩ কিলোমিটার দূরে। ওখানে কি চলেছে বা চলছে তা এখন পর্যন্ত অজানা। বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্টালএয়ারক্রাফট এবং এডভান্স ওয়েপন্স সিস্টেম পরীক্ষা করা হয় বলে জানা যায় ওখানে। কিন্তু অনেক কন্সপিরেসি থিয়োরিষ্ট বলেন যে, এই ফ্যাসিলিটিতে ধ্বংসপ্রাপ্ত এলিয়েন স্পেসশিপ আছে এবং সরকার এখানে কাটিং এজ ইউএফও রিসার্চ চালাচ্ছে(ভাবতে তো আমারই ভাল লাগছে!! থ্রিল বোধ করছি। আমি এলিয়েন অস্তিত্বে বিশ্বাসী)। আমরা হয়ত কোনদিনই কিছু জানতে পারব না এই জায়গা সম্পর্কে। ভাবুন তো, ওখানে বড় মাথা-বাকা চোখের কোন এলিয়েন আমেরিকান আর্মির কোন চার তারকা জেনারেলের সাথে বসে হুইস্কি খাচ্ছে। আর সাথে চলছে নতুন ধরনের অস্ত্র বা ফাইটার বিমান বা উচ্চগতির মহাকাশযান নিয়ে আলোচনা। ইন্টারপ্ল্যানেটরি রিলেশনশিপ আর কি!! ফায়দা লুটছে আমেরিকা, আর কাউকে লুটতে দেবে না তাই এই গোপনীয়তা! মজা না? ভাই, আমরা আদার ব্যাপারী জাহাজের খবর নিয়ে আমাদের লাভ কি?) এক বিশ্ব মোড়ল এরকম একটা বেজ বানিয়ে বসে আছে আর মাদার রাশিয়ার ছেলেমেয়েরা(!!!)বসে বসে কি বগল বাজাচ্ছে নাকি!!! তা কি হয়!! না, হয় না। তাদেরও আছে। কাপুস্তিন ইয়ার সে জায়গার নাম। কাপুস্তিন ইয়ার ((Kapustin Yar (Russian: Капустин Яр)) রাশিয়ার একটি রকেট উৎক্ষেপণ এবং ডেভেলপমেন্ট এলাকা। এটা ভল্গোগ্রাড এবং আস্ত্রাখান এর মধ্যবর্তী আস্থাখান ওব্লাস্ত এ অবস্থিত। স্টালিন এর নির্দেশে এটা সোভিয়েত আমলে ১৩ মে, ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমদিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত জার্মানদের প্রযুক্তি, সরঞ্জাম এবং তাদের সাপোর্ট নিয়ে কাজ শুরু করে। রাশিয়ান মিলিটারির টেস্ট রকেট, স্যাটেলাইট আর সাউন্ডিং রকেট এই ফ্যাসিলিটির লঞ্চ প্যাড থেকে উৎক্ষেপিত হয়(আমেরিকার কেপ ক্যানাভেরাল এর সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না। গোপনীয়তার তুলনায় গেলে বরং এরিয়া-৫১ এর সাথে তুলনা করুন। রাশিয়া আর আমেরিকার কর্মপদ্ধতি ভিন্ন)। সোভিয়েত সরকারের এক ডিক্রি অনুযায়ী চতুর্থ মিসাইল টেস্ট রেঞ্জ হিসাবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভ্যাসিলি ভজনিউক এর তত্ত্বাবধানে আস্থাখান এলাকার উত্তরে মরুভুমিতে এই ফ্যাসিলিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮ অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে এখান থেকে প্রথম রকেট উৎক্ষেপিত হয়। আসলে সেটা ছিল জার্মানদের তৈরি ১১ টা আটককৃত এ-৪এস রকেটের একটা(জার্মানরা আসলেই মাল!!!)। ১৯৫৭ থেকে ১৯৬১ সালের মধ্যে পাঁচটা ১০-৪০ কিলোটন শক্তির নিউক্লিয়ার টেস্ট করা হয় এখান থেকে। নন-সোভিয়েত ধারণা করেছিল যে স্পুটনিক ১ এবং ২ এই ফ্যাসিলিটি থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। কাপুস্তিন ইয়ার থেকে স্পেস লঞ্চের ঘটনা কিন্তু খুবই কম, বছরে সাধারণত ১-২ টা এবং সোভিয়েত আমলে এখানে মাত্র দুইটা খুব ছোট স্পেস লঞ্চ ভেহিকল ছিল(বোঝাই যাচ্ছে অন্য কোন কাজকে প্রায়োরিটি দেয়া হয় এখানে। শকুন চোখা আমেরিকা যে তার চোখ এই ঘাটির দিকে নিবদ্ধ করবে তা তো পাগলেও বোঝে। কিছু একটা তো দেখাতে হবে। আসলে আমেরিকা এই ঘাটির ব্যাপারে মারাত্মক আগ্রহী। লিজেন্ডারি স্পাই প্লেন ইউ-২ এর প্রথম স্পাই ফ্লাইট এর গন্তব্য কোথায় ছিল বলতে পারেন? জ্বি, যা ধারণা করছেন তাই। এই কাপুস্তিন ইয়ার এ)। কাপুস্তিন ইয়ার এর কাছে যে শহর ছিল তা সরকারি নির্দেশে খালি করে ফেলা হয় এবং সেখানে নতুন আবাসস্থল বানানো হয় ফ্যাসিলিটির পার্সোনেল এবং তাদের পরিবারের জন্য। প্রথম প্রথম নতুন প্রতিষ্ঠিত এই শহরটার অবস্থান কোন ম্যাপে উল্লেখ ছিল না এবং এখানে যেতে হলে খুব উচু মহল থেকে স্পেশাল অফিসিয়াল পারমিট লাগত!! এই হল গিয়ে কাপুস্তিন ইয়ার এর এক রূপ। আরেক রূপের দেখা এখন আমরা পেতে চলেছি। যেটার কারনে এটার গায়ে এরিয়া-৫১ এর তকমা লেগে গেছে। ৬ দশকের বেশি সময় ধরেই এটা একটা রহস্য যে, এই ফ্যাসিলিটির চার দেয়ালের ভিতরে আসলে কি চলছে। এখানে সোভিয়েত আমল থেকেই অজস্রবার ইউ এফ ও দেখতে পাবার ঘটনার উল্লেখ আছে(আমেরিকার মত রাশিয়ার সরকারও বলে এগুলো জনগনের উর্বর মস্তিষ্কের কল্পনামাত্র। আসলে তারা আন্ডারডেভেলপড এয়ারক্রাফট দেখে অজ্ঞতাবশত ইউএফও দেখেছে বলে দাবি করে। আর কেউ বেশি চিল্লাচিল্লি করলে কেজিবি তো আছেই। চিরতরে কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে যায় তার)। ১৯৪৮ সালে কাপুস্তিন ইয়ার এ এক অসাধারণ ঘটনা সংঘটিত হয়। ১৯ জুন, ১৯৪৮ এর এক সকালে কাপুস্তিন ইয়ার এর এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলার তার রাডার স্ক্রিনে এক বিস্ময়কার উড়ন্ত বস্তু দেখতে পান এবং ওই একই সময়ে ঘাটি থেকে ১০ মাইল দূরে মিগ-২১ বিমানের এক পাইলট তার কেবলই সামনে এক বিশাল আকৃতির রুপালি উড়ন্ত যান(ইউ এফ ও) দেখতে পান। বেজ এ রেডিও মারফত পাইলট জানান যে, খুবই উজ্জ্বল এক আলো তাকে সাময়িক অন্ধ বানিয়ে দিয়েছে। এরপর সোভিয়েত এয়ারফোর্সের কমান্ডার-ইন-চিফএর আদেশে সেই অজানা বস্তুটিকে “এনগেজ” করে পাইলট (সহজ কোথায় মিসাইল ছুড়ে)। ইউএফও ও কম যায় না। সেটাও এটাক করে মিগকে। ফলাফল, দুইজনই প্রপাত ধরণীতল।
Monday, January 18, 2016
Massive Star Approaching Solar System With Tremendous Speed-dgtl - Anandabazar
সৌরমণ্ডলের বুক কাঁপিয়ে তীব্র গতিতে ধেয়ে আসছে দানব তারা!
ধ্বংসের দিন কি কড়া নাড়ছে?
কোনও ভয়ঙ্কর দুর্যোগের দিন কি আমাদের দোড়গোড়ায় এসে গিয়েছে?
যে দিন বিশাল কোনও মহাজাগতিক বস্তুর আচমকা ধাক্কায় টালমাটাল হয়ে যাবে আমাদের সৌরমণ্ডল? ছিটকে এই গ্যালাক্সি থেকে বের করে দিতে পারে অন্যান্য তারা বা মহাজাগতিক বস্তুকে।
থরথরিয়ে কেঁপে উঠবে আমাদের এই সৌর পরিবার?
সে দিন নিমেষে উধাও হয়ে যাবে আমাদের এই বাসযোগ্য গ্রহের বায়ুমণ্ডল। আর শ্বাস-বায়ু থাকবে না বলে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব বজায় রাখাটা রীতিমতো অসম্ভব হয়ে পড়বে। বদলে যাবে এই সৌর পরিবারের সবক’টি গ্রহের কক্ষপথ। বদলে যাবে দিন-রাত আর বছরের হিসেব। বদলে যাবে তাদের ঋতু আর বায়ুমণ্ডল। গোটা সৌরমণ্ডলে শুরু হয়ে যাবে অসম্ভব উথালপাতাল।
একেবারেই হালে নাসার স্পিৎজার স্পেস টেলিস্কোপ (এসএসটি) ও ওয়াইড-ফিল্ড ইনফ্রা-রেড সার্ভে এক্সপ্লোরার (ওয়াইজ) যে তথ্য ও ছবি পাঠিয়েছে, তাতে সেই আশঙ্কা রীতিমতো জোরদার হয়ে উঠেছে। নাসা জানাচ্ছে, ব্রহ্মাণ্ডে আমাদের ঠিকানা- ‘মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সি’তে যে কোনও সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আমাদের এই গ্যালাক্সিতেই অসম্ভব ঝোড়ো গতিতে ছুটে আসছে একটি দানবের চেহারার মতো তারা। যার নাম- ‘জিটা ওফিউচি’ বা ‘জিটা ওফ’। যাকে বলে ‘সুপারসোনিক গতি’। আমাদের গ্যালাক্সিতে এর আগে এত জোরে কোনও তারাকে ছুটতে দেখা যায়নি। কত জোরে, জানেন? ঘণ্টায় ৫৪ হাজার মাইল বা সেকেন্ডে ২৪ হাজার কিলোমিটার। অত জোরে ছুটতে গিয়ে সে যাকে বলে, লাথি মেরে হটিয়ে দিচ্ছে সামনে পড়ে থাকা অন্যান্য তারা, মহাজাগতিক বস্তু, গ্যাস বা ধুলোবালিকে। তার ছোটার পথের সামনে যাকে পাচ্ছে, তাকেই ফুৎকারে উ়ড়িয়ে দিচ্ছে আমাদের সূর্যের চেয়ে অনেক গুণ ভারী ওই তারা ‘জিটা ওফিউচি’। সমুদ্রে ঝোড়ো গতিতে ছোটার সময়ে যে ভাবে জলকে তুড়ি মেরেই সরিয়ে দেয় সর্বাধুনিক জাহাজ। গত সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি পেশ করা হয়েছে ফ্লোরিডার কিসিমিতে, আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির মাসিক সম্মেলনে। গবেষকদলের নেতৃত্বে রয়েছেন মার্কিন মুলুকের উইয়োমিং বিশ্ববিদ্যালয়েরজ্যোতির্বিজ্ঞানী উইলিয়াম চিক।
কোনও যুদ্ধবিমান খুব নীচু দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় যেমন আমাদের বাড়ি-ঘরদোরের জানলা-দরজার কাচের শার্সি ঝনঝন করে ওঠে, তাতে চিড় ধরে আর পরে তা চুরচুর করে ভেঙে যায়, ঠিক তেমনি ভাবেই আমাদের গ্যালাক্সিতে ওই অসম্ভব ভারী তারার ‘সুপারসোনিক গতি’-র জন্য গোটা সৌরমণ্ডলের থরথরিয়ে কেঁপে ওঠার জোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই ঘটনাকে বলে, ‘বাও শক’। একটা অসম্ভব জোরালো তরঙ্গের অসম্ভব রকমের জোরালো ধাক্কা। যার চেহারাটা দেখতে অনেকটা ধনুকের মতো হয় বলে ওই ধাক্কার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাও শক’।
একেবারেই হালে নাসার নজরে পড়া ওই অভিনব ঘটনা সম্পর্কে কী বলছেন বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা?
কলকাতার সত্যেন্দ্রনাথ বোস ন্যাশনাল সেন্টার ফর বেসিক সায়েন্সেসের সিনিয়র প্রফেসর, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জ্যোতির্বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তী জানাচ্ছেন, ‘‘আমাদের গ্যালাক্সিতে এর আগে কোনও তারাকে এত জোরে ছুটতে দেখা যায়নি। আমাদের সূর্যও ছুটছে। কিন্তু তার গতি ‘জিটা ওফিউচি’-র কাছে একেবারেই নস্যি। ওই অসম্ভব জোরে ছোটার জন্য সে প্রচণ্ড শক্তিশালী তরঙ্গের জন্ম দিচ্ছে এই গ্যালাক্সিতে। যা অবলোহিত রশ্মির চেহারায় ধরা পড়ছে। সেই তরঙ্গ সামনে থাকা কণার স্রোত, গ্যাস তারা, ধুলোবালি আর অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তুকে সজোরে ঠেলে সরিয়ে দিচ্ছে। সরিয়ে দিতে গিয়ে সেগুলোকে অসম্ভব গরম করে দিচ্ছে। যে ভাবে কোনও রাস্তার ক্রসিংয়ে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ থাকলেও হঠাৎ কোনও গাড়ি ব্রেক চাপলে, তার পিছনের গাড়িগুলো এসে তার পিছনে একের পর এক ধাক্কা মারে, ঠিক তেমনি ভাবেই ওই তরঙ্গ এসে ধাক্কা মারতে পারে আমাদের সৌরমণ্ডলকে। অসম্ভব জোরালো সেই ধাক্কাটা। ধাক্কার জোরের ওপরেই নির্ভর করছে, তা কতটা টালমাটাল করে দেবে আমাদের সৌরমণ্ডল। তবে এত জোরালো তরঙ্গের একটা প্রভাব তো আমাদের গ্যালাক্সির সর্বত্রই পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাতে এই সৌরমণ্ডলের অনেক কিছুই বদলে যেতে পারে। বদলে যেতে পারে এই সৌর পরিবারের সবক’টি গ্রহের কক্ষপথ। বদলাতে পারে তাদের দিন-রাত আর বছরের হিসেব। বদলে যেতে পারে তাদের ঋতু আর বায়ুমণ্ডল। গোটা সৌরমণ্ডলে শুরু হয়ে যেতে পারে অসম্ভব উথালপাতাল। তবে সেই তরঙ্গের রেশ ফুরিয়ে গেলে আবার সব কিছু ফিরে আসতে পারে স্বাভাবিক অবস্থায়।’’
বেঙ্গালুরুর রামন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (আরআরআই) প্রফেসর, ভারতে গ্যালাক্সি-গবেষণার অন্যতম জ্যোতির্বিজ্ঞানী বিমান নাথ জানাচ্ছেন, ‘‘একটা ঘটনা আমাদের খুবই ভাবিয়ে তুলেছে। তা হল, কেন এত হন্তদন্ত হয়ে, এত জোরে ছুটছে আমাদের গ্যালাক্সির অন্য তারাগুলো? কেন সুপারসোনিক গতিতে ছুটছে ‘জিটা ওফিউচি’? তা কি গ্যালাক্সি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার মুখে? গেলে, কোথায় তাদের গন্তব্য, এমন অনেক প্রশ্নেরই সদুত্তর মেলে এখনও।’’ http://www.anandabazar.com/others/science/massive-star-approaching-solar-system-with-tremendous-speed-dgtl-1.287376#
Saturday, January 16, 2016
সুন্দরী মহিলাদের চমকে দেওয়া ১০ যৌনকল্পনা!
প্রত্যেকের মধ্যেই কমবেশি যৌনকল্পনা থাকে৷ এটাই স্বাভাবিক। সম্প্রতি জার্নাল অফ সেক্সুয়াল মেডিসিনে মহিলাদের যৌনকল্পনার উপরে একটি সমীক্ষা করা হয়৷ তাতে উঠে এসেছে বেশকিছু অবাক করা ঘটনা৷ ওই সমীক্ষা অনুযায়ী মহিলাদের ১০টি যৌনকল্পনার প্রথম দিকে রাখা হয়েছে ৷ যদিও এই সমীক্ষা কঠোরভাবে পশ্চিমের দেশগুলির কথা মাথায় রেখে করা হয়৷এশিয়া বা আফ্রিকায় এই ধরনের যৌনকল্পনা সম্ভব নয়। প্রতিবেদনে পড়ে নিন সেই অবাক ১০ কল্পনা!
১) ঘর, বিছানার চেনা গণ্ডির বাইরে অদ্ভুত কোনও জায়গায় শরীরী মিলনের কথা বলেছেন ৮২ শতাংশ মহিলা। সমীক্ষা অনুযায়ী এটিই সবথেকে উপরে রয়েছে।
২) দ্বিতীয়তে রয়েছে ‘পাওয়ার প্লে’। ৬৫ শতাংশ মহিলা বলেছেন, যৌনমিলনের সময়ে তাঁরা পুরুষসঙ্গীর ‘আধিপত্য’ চান।
৩) একই রাতে একসঙ্গে একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে যৌনমিলনের কামনা করেন অন্তত ৫৬.৫ শতাংশ মহিলা।
৪) ৫২ শতাংশ মহিলা বলেছেন, যৌনমিলনের সময়ে তাঁরা চান তাঁদের হাত-পা বেঁধে রাখা হোক।
৫) ৪৯ শতাংশ মহিলার কল্পনায় আসে অচেনা পুরুষের সঙ্গে যৌনমিলন।
৬) ৪৭ শতাংশ মহিলা চান বিছানায় তাঁরাই হবেন ‘ডমিনেটিং’।
৭) ৪২ শতাংশ মহিলা বলেছেন, তাঁদের যৌনকল্পনায় অগ্রাধিকার পায় সমকামিতা।
৮) ২৬ শতাংশ মহিলা বস্তুকাম বা ফেটিশিজমের কথা ভাবেন তাঁদের যৌনচেতনায়।
৯) ১৮ শতাংশ মহিলার যৌনসঙ্গী হিসেবে পছন্দ অল্পবয়সী ছেলেদের।
১০) ১২.৫ শতাংশ মহিলার যৌনচেতনায় আসেন পুরুষ যৌন বা জিগোলো! http://www.bengali.kolkata24x7.com/top-10-female-sex-fantasies.html
৭৩টি ভাষায় "ভালবাসা" !!
৭৩টি ভাষায় "ভালবাসা" !!
১.বাংলা = আমি তোমাকে
ভালবাসি।
২.ইংরেজি = আই লাভ ইউ।
৩.ইতালিয়ান = তি আমো।
৪.রাশিয়ান = ইয়া তেবয়া লিউব্লিউ।
৫.কোরিয়ান = তাঙশিনুল সারাঙ হা
ইয়ো।
৬.কানাডা = নান্নু নিনান্নু
প্রীতিসুথিন।
৭.জার্মান = ইস লিবে দিস।
৮.রাখাইন =অ্যাঁই সাঁইতে।
৯.ক্যাম্বোডিয়ান=বোন স্রো
লানহ্উন।
১০.ফার্সি = দুস্তাত দারাম।
১১.তিউনিশিয়া = হাহে বাক।
১২.ফিলিপিনো = ইনবিগ কিটা।
১৩.লাতিন = তে আমো।
১৪.আইরিশ = তাইম ইনগ্রা লিত।
১৫.ফ্রেঞ্চ = ইয়ে তাইমে।
১৬.ডাচ = ইক হু ভ্যান ইউ।
১৭.অসমিয়া = মুই তোমাকে ভাল্ পাও।
১৮.জুলু = মেনা তান্দা উইনা।
১৯.তুর্কি = সেনি সেভিউর ম।
২০.মহেলি = মহে পেন্দা।
২১.তামিল = নান উন্নাই
কাদালিকিরেন।
২২.সহেলি = নাকু পেন্দা।
২৩.ইরানি = মাহ্ন দুস্তাহ্ত দোহ্রাহম।
২৪.হিব্রু = আনি ওহেব
ওটচে (মেয়েকে ছেলেকে)
আওটচা (ছেলেকে মেয়ে)।
২৫.গুজরাটি = হুঁ তানে পেয়ার কার ছু।
২৬.চেক = মিলুই তে।
২৭.পোলিশ = কোচাম গিয়ে।
২৮.পর্তুগীজ = ইউ আমু তে।
২৯.বসনিয়ান = ভলিম তে।
৩০.তিউনেশিয়ান = হা এহ বাদ।
৩১.হাওয়াই = আলোহা ওয়াউ লা ওই।
৩২.আলবেনিয়া = তে দুয়া।
৩৩.লিথুনিয়ান = তাভ মায়লিউ।
৩৪.চাইনিজ = ওউ আই নি।
৩৫.তাইওয়ান = গাউয়া আই লি।
৩৬.পার্শিয়ান = তোরা ডোস্ট
ডারাম।
৩৭.মালয়শিয়ান =সায়া চিনতা কামু।
৩৮.মায়ানমার = মিন কো চিত তাই।
৩৯.ভিয়েতনামিস = আনাহ ইউই এম
(ছেলে মেয়েকে) এম ইউই আনাহ
(মেয়ে ছেলেকে)।
৪০.থাইল্যান্ড = চান রাক খুন
(ছেলে মেয়েকে) ফেম রাক খুন
(মেয়ে ছেলেকে)।
৪১.গ্রিক = সাইয়াগাপো।
৪২.চেক = মিলুই তে।
৪৩.বর্মিজ = চিত পা দে।
৪৪.পোলিশ = কোচাম গিয়ে।
৪৫.মালয়ি = আকু চিন্তা কামু।
৪৬.ব্রাজিল = চিতপাদে।
৪৭.হিন্দি = ম্যায় তুমছে পেয়ার
করতাহুঁ,।
৪৮.জাপানী = কিমিও আইশিতের।
৪৯.পাকিস্তান = মুজে তুমছে মহব্বত হায়।
৫০.ফার্সি = ইয়ে তাইমে।
৫১.সিংহলিজ = মামা ও বাটা আছরেই।
৫২.পাঞ্জাবী = মেয় তাতনু পেয়ার
কারতা।
৫৩.আফ্রিকান = এক ইজ লফি ভির
ইউ (ছেলে মেয়েকে) এক হাত যাও
লিফ
(মেয়ে ছেলেকে)।
৫৪.তামিল = নান উন্নাহ কাদা
লিকিরেণ।
৫৫.রোমানিয়া = তে ইউবেস্ক।
৫৬.স্লোভাক = লু বিমতা।
৫৭.নরওয়ে = ইয়েগ এলস্কার দাই।
৫৮.স্প্যানিশ = তে কুইয়েবু।
৫৯.ফিলিপাইন = ইনি বিগকিটা।
৬০.বুলগেরিয়া = অবি চামতে।
৬১.আলবেনিয়া = তে দাসরোজ।
৬২.গ্রীক = সাইয়াগাফু।
৬৩.এস্তোনিয়ান = মিনা আর মাস্তান
সিন্দ।
৬৪.ইরান =সাহান দুস্তাহত দোহরাম।
৬৫.লেবানিজ = বহিবাক।
৬৬.ক্যান্টনিজ = মোই ওইয়া নেয়া।
৬৭.ফিনিশ = মিন্যা রাকাস্তান
সিনোয়া।
৬৮.গ্রিনল্যান্ড= এগো ফিলো সু।
৬৯.আরবী = আনা বেহিবাক
(ছেলে মেয়েকে) আনা বেহিবেক
(মেয়ে ছেলেকে)।
৭০.ইরিত্রয়ান = আনা ফাতওকি।
৭১.ইথিওপিয়ান =ইনি ওয়াডিসাল্লেহ।
৭২.তেলেগু = নেনু নিন্নু প্রেমিসতুন্নানু
।
৭৩.সুরিনাম = মি লোবি যোই।
Wednesday, January 13, 2016
মুসলমানদের ভারত ছাড়া করতে অস্ত্র হাতে নিতে বললেন হিন্দু সেনার প্রধান
মুসলমানদের ভারত ছাড়া করতে অস্ত্র
হাতে নিতে বললেন হিন্দু সেনার
প্রধান
×××××××××××××××
×××××××××
ভারতের অসমের কাটিগড়ায়
মুসলিমদের বিরুদ্ধে তীব্র বিদ্বেষ
ছড়ালেন হিন্দু সেনার সর্বভারতীয়
প্রধান। রোববার অসমের কাটিগড়ায়
বিশ্ব শান্তি যজ্ঞ ও ধর্ম সম্মেলন
নামক অনুষ্ঠানে হিন্দু সেনার
কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট বিষ্ণু গুপ্তা
ইসলাম ধর্ম এবং মুসলিমদের নিয়ে
তীব্র সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করেন।
আজ (মঙ্গলবার)অসমের বিভিন্ন
দৈনিকে প্রকাশ, বিষ্ণু গুপ্তা এ দিন
তার বক্তব্যে বিশ্ব হিন্দু সম্প্রদায়কে
ভারতে আশ্রয় নেয়ার আহ্বান জানিয়ে
মুসলিমদের দেশ ছাড়া করতে হাতে
অস্ত্র তুলে নিতে হিন্দুদের প্রতি
আহ্বান জানান। অসমের এআইইউডিএফ
প্রধান মাওলানা বদরউদ্দিন আজমল
এমপিকে বাংলাদেশি বলে কটাক্ষও
করেন ওই হিন্দু নেতা।
এর প্রতিবাদে হিন্দু সেনার অসম
রাজ্য প্রেসিডেন্ট অনুপম মোহন্ত
সোমবার পদত্যাগ করার ঘোষণা
দিয়েছেন। তিনি বিষ্ণু গুপ্তার
বক্তব্যকে‘ সাম্প্রদায়িক’ আখ্যা
দিয়েছেন। কাটিগড়া এবং বরাক
উপত্যাকায় দীর্ঘকাল ধরে
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত
রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার
মতে, সনাতন ধর্ম প্রত্যেক ধর্মকে
সম্মান করার শিক্ষা দেয়। কিন্তু তার
উল্টোটা করেছেন বিষ্ণু গুপ্তা।
এদিকে, দেশ থেকে মুসলিমদের
বিতাড়ন এবং দেশকে হিন্দু রাষ্ট্র
করা প্রসঙ্গে বিষ্ণু গুপ্তার মন্তব্য
প্রসঙ্গে সাবেক বিধায়ক হাজি সেলিম
উদ্দিন বড়ভুঁইয়া হিন্দু সেনাকে আল
কায়েদার থেকেও ভয়ঙ্কর বলে অভিহিত
করেন। তিনি সোমবার বিকেলে নিজ
বাড়িতে এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন,
‘শত শত মুসলিম জনগণের ত্যাগের
বিনিময়ে ব্রিটিশ শাসন মুক্ত হয় এই
দেশ।
দেশের স্বাধীনতার জন্য মুসলিম বীর-
পুরুষরা মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। এই
দেশ থেকে মুসলিম বিতাড়ন এবং
দেশকে হিন্দু রাষ্ট্র গঠনে হিন্দু
সেনার সর্বভারতীয় প্রেসিডেন্ট
বিষ্ণু গুপ্তার সাফাই দেয়া খুবই
দুর্ভাগ্যজনক। কোনো দিন ভারতকে
হিন্দু রাষ্ট্র করা যাবে না।’
এ ধরণের কাল্পনিক, অবান্তর এবং
উসকানিমূলক বক্তব্যে দেশ বিভাজনের
সৃষ্টি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে
বলেও মন্তব্য করেন হাজি সেলিম
উদ্দিন বড়ভুঁইয়া। তিনি এআইইউডিএফ
প্রধান মাওলানা বদরউদ্দিন আজমল
এমপিকে বাংলাদেশি বলে আখ্যা
দেয়ার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ
জানান। এ নিয়ে রাজ্য সরকারকে
কট্টরপন্থী ওই হিন্দু নেতার বিরুদ্ধে
কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান
তিনি। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকার
ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিজেপি’র
কট্টরপন্থী নেতারা মুসলিম
বিদ্বেষসহ সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক
বিবৃতি দিয়ে দেশকে ধ্বংসের মুখে
ঠেলে দিতে চেষ্টা করছেন বলেও
মন্তব্য করেন সাবেক বিধায়ক হাজি
সেলিম উদ্দিন বড়ভুঁইয়া।
বাংলার মুসলমানরা প্রায়ই বলে থাকেন হিন্দু ধর্মের জাতিভেদের কথা
বাংলার মুসলমানরা প্রায়ই বলে থাকেন হিন্দু ধর্মের জাতিভেদের কথা l নিম্নবর্ণের হিন্দুরা নাকি উচ্চবর্ণের হিন্দুদের দ্বারা অত্যাচারিত হয়ে মুসলমান হয় l এইবার মোল্লা ভাইরা আমার প্রশ্নগুলির উত্তর দিন----
(1) ইসলাম যদি জাতিভেদ প্রথার বিরোধী হয় তবে শিয়া মুসলমানরা কেন সুন্নী মুসলমানদের অস্পৃশ্য বলে ? তাদের বাড়ির জল Water পর্যন্ত পান করেনা ? কেন ?
(2) ইসলাম কেন শিয়া, সুন্নী, আহমেদই, সুফী ইত্যাদি আরও গন্ডায় গন্ডায় বিভক্ত ?
(3) সুন্নী আবার বহু প্রকার কেন ?
(4) যারা খোদ মক্কা-মদিনার খবর রাখেন তারা নিশ্চয়ই জানেন যে কুরেইসরা ছিল আরবে মূর্তি পূজক উচ্চ জাতের ব্রাহ্মণ l তবে তাদের কেন জোর করে ধর্মান্তরিত করা হল ? যদিও মুহম্মদের কাকা uncle আবু তালেব ছিলেন আজীবন শিবের উপাসক l তিঁনি মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ইসলাম গ্রহণ করেন নি ?
(5) মদিনার ইহুদীদের মধ্যে কোন জাতিভেদ প্রথা ছিল না কিণ্তু সমগ্র মদিনা হত্যার মাধ্যমে ইসলাম হয়েছে কেন ?
(6) মিশর, ব্যাবিলন ও মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন সভ্যতাগুলি গ্রাস করে সমগ্র অঞ্চল হত্যার মাধ্যমে কেন ইসলামীকরণ হয় ?
(7) কেন খৃষ্টান চার্চগুলি ভেঙ্গে, লক্ষ লক্ষ নিরীহ খৃষ্টানদের হত্যা করে তুরস্কে ইসলামীকরণ হয় ???
সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মনোহর !
সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে বিস্ফোরক
মনোহর !
যে ব্যক্তি বা সংগঠনই ভারতকে
আঘাত, যন্ত্রণা দেবে, তাকেও সমান
আঘাত-যন্ত্রণা ফিরিয়ে দেওয়া উচিত
বলে মন্তব্য করলেন মনোহর পর্রীকর।
পাঠানকোটে বায়ুসেনার
বিমানঘাঁটিতে সন্ত্রাসবাদী হামলার
পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার এখানে
সেনাবাহিনী আয়োজিত এক
সেমিনারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী অবশ্য
একইসঙ্গে বলেছেন, পাল্টা কখন,
কোথায় এবং কীভাবে আঘাত হবে, তা
অবশ্যই ভারতের স্থির করার ব্যাপার।
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এমন কড়া
মেজাজের ভাষণের সময় শ্রোতাদের
মধ্যে ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল
দলবীর সিংহ সুহাগ সহ অনেকে।
পর্রীকর বলেন, এটা সরকারের ভাবনা
বলে ধরা উচিত নয়। কিন্তু আমি নিজে
সবসময় বিশ্বাস করি, কেউ আপনার
ক্ষতি করলে, তাকেও তা ফিরিয়ে
দিতে হয়। কখন, কোথায়, কীভাবে
দেবেন, তা ঠিক করবেন আপনি। কিন্তু
কেউ দেশের ক্ষতি করলে, সেই ব্যক্তি
বা সংগঠনকে কৃতকর্মের সাজা পেতে
হবে। এ নিয়ে তাঁর ব্যাখ্যা চাওয়া
হলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, আসল
কথাটা হল, ওরা যে-ই হোক না কেন,
যতক্ষণ না আমরা আঘাত করছি, ওরা
বুঝতে পারছে না কী যন্ত্রণা ওরা
দিয়েছে, ততক্ষণ ওরা বদলায় না। এ
ধরনের হামলা কমে না।
তিনি বলেন, পাঠানকোট হামলায়
শহিদ সাত জওয়ানের জন্য আমাদের
গর্ব হয়, কিন্তু ওদের হারিয়ে আমরা
ব্যথিতও। তবে আমি এই আত্মত্যাগের
প্রশংসায় নারাজ। আমি বলেছি,
আমাদের সমরকর্মীদের এটা বলে
দেওয়ার সময় এসেছে যে, কিছু
জওয়ানকে আমরা হারাবই, ঠেকানো
যাবে না। কিন্তু নিজের জীবন দিয়ে
দেওয়ার বদলে আপনার, দেশের শত্রুর
প্রাণ নেওয়ার কথা ভাবুন। এটা
গুরুত্বপূর্ণ।
আত্মত্যাগের মূল্য আছে, কিন্তু শত্রুকে
নিষ্ক্রিয় করে দেওয়াটা দেশের কাছে
গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তবে কি আগের ইউপিএ জমানার নীতি
থেকে সরে আসা হচ্ছে?পর্রীকর বলেন,
কেউ ডান্ডার বাড়ি মারলে চুপ করে
বসে থাকবেন আপনি ! সেটাই কি নীতি
ছিল?
ইন্দোনেশিয়া আহমদিয়া মসজিদে ইসলামী তৌহদী জনতার হামলায় বেশ কিছু কোরান পুড়ে ছাই হয়ে যায়
কয়েকদিন আগে
ইন্দোনেশিয়া আহমদিয়া মসজিদে ইসলামী তৌহদী জনতার হামলায় বেশ কিছু কোরান পুড়ে ছাই হয়ে যায় । সেই ইন্দোনেশিয়া আহমদিয়া মসজিদের কোরান পোড়ানোর ভিডিও টাই নয়ন চ্যাটার্জী ঢাকার বাড্ডার ঘটনাতে সংযোগ করে ।
নয়ন চ্যাটার্জী আসল নাম খুরশীদ আলম । সে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্হানরত ।
বলার প্রয়োজন নেই অতি সম্প্রতি সে বাংলদেশ এ এথিনিক ক্লিনজিং এর সুন্দর প্রস্তুতি সাড়ার জন্য ভাল ফন্দি এঁটেছিল, যেটা ফাঁস হয়ে গেল।
Indonesia: Obama Should Make a Stand for Human Rights | Human Rights Watch
ইসলাম ধর্ম প্রচারে মিথ্যের ব্যাবহার নতুন কিছু নয়। আমার চোখের সামনে গত দশ বছর যাবৎ যে পরিমান মিথ্যে মেশানো অপ-প্রচার চলেছে তার তালিকা করলে বিশাল মহাভারত হয়ে যাবে।
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ছবির নামে মালয়েশিয়ার ছবি প্রচার করে ফায়দা লোটার চেষ্টা হয়েছিলো।
সিরিয়ার আহত/নিহত শিশুদের পুরনো ছবি প্যালেস্টাইনের নতুন ছবি বলে প্রচার করে সাধারন মুসলিমদের উত্তেজিত করা হচ্ছিলো।
সাঈদীর চেহারা নাকি চাঁদে দেখা গিয়েছিলো !!
এই অপকর্মের স্রোত বইতে থাকে অবিরত।
এখন নতুন করে শুরু হয়েছে কোরান পোড়ানোর বানোয়াট কাহিনী।
পাকিস্তানে এক খ্রীস্টানকে কোরান পোড়ানোর বানোয়াট অপরাধে হত্যা করা হয়, অথচ তদন্তে বের হয়ে এসেছে, কোরান পোড়ানোর জন্য এলাকার বদমাইশ মোল্লাই দায়ী।
এখন ইন্দোনেশিয়ায় আহমাদীয়াদের ওপর ওহাবী মোল্লাদের আক্রমনে মসজিদ পুড়ে গেছে, সাথে পুড়েছে কোরান। মুসলিমদের হাতে কোরান পোড়ার সেই ছবি এখন বাংলাদেশের মসজিদে কোরান পোড়ানোর কাহিনী হিসেবে বর্ননা করার অপচেষ্টা হচ্ছে।
আর কতোদিন বাংলাদেশের ধর্মভীরু সাধারন মুসলিমরা এইসব অপদার্থ ইসলাম প্রচারকারীদের হাতে জিম্মি থাকবে?
মিথ্যে শনাক্ত করতে সচেতন থাকুন, নাস্তিকদের ব্লগ, পোস্ট, পেজ নিয়মিত নজর রাখুন।
আমরা মিথ্যের ওপর ভরসা করি না, আমরা মিথ্যেবাদীদের মুখোশ খুলে দেই। আমাদের ওপর ভরসা করতে পারেন। https://www.hrw.org/news/2010/11/07/indonesia-obama-should-make-stand-human-rights?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C7057141558
Tuesday, January 12, 2016
ইন্টারনেট স্পিড বাড়াতে ঘরোয়া টোটকা | 24Ghanta.com
http://zeenews.india.com/bengali/technology/speed-up-your-internet-access_135296.html
Monday, January 11, 2016
সোনা ব্যাঙের এক গ্রাম বিষেই মারা যেতে পারে ১৫,০০০ মানুষ | 24Ghanta.com
http://zeenews.india.com/bengali/lifestyle/the-golden-dart-frog_135228.html
Can you unboil an egg? | Kolkata24x7| Read latest news in Bengali on Politics, Business, Bollywood, Cricket, Lifestyle, Education, Entertainment, Sports.
http://www.bengali.kolkata24x7.com/can-you-unboil-an-egg.html?utm_source=facebook&utm_medium=social&utm_campaign=lifestylenews&utm_content=selectednews
List of Headsof Important Indian Organizations
List of Headsof Important Indian Organizations
~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~
1. Chief Economic Advisor - Siddharth Tiwari
2. Chief Election Commissionor - Nasim Zaidi
3. RBI - Raghu Ram Rajan
4. RAW - Rajinder Khanna
5. SBI - Arundhyuti Bhattyacharya
6. SEBI - U.K. Sinha
7. IB - Saiyad Ashif Ibrahim
8. IBPS - Mr.Anup Sankar Bhattacharya
9. IRDA - T.S.Vijayan
10. ISRO - AS Kiran Kumar
11. NABARD - Dr. Harsh Kumar Bhanwala
12. NASSCOM - R. Chandrasekhar
13. SSC - Amitava Bhattacharyya
14. TRAI - Rahul Khullar
15. UGC - Ved Prakash
16. UPSC - Smt. Rajni Razdan
17. DRDO - Avinash Chander
18. FICCI - Sidharth Birla
19. ASSOCHAM - Rana Kapoor
20. CAG - Shashi Kant Sharma
21. CBDT - K.V. Chaudhary
22. CBI - Anil Kumar Sinha
23. CCI - Ashok Chawla
24. National Commission for women - Mamta Sharma
25. National Innovation Commission - Sam Pitroda
26. National Security Advisor - Ajit Kumar Doval
27. Press Trust of India - K N Shanth Kumar
28. Attorney General of India - Mukul Rohatgi
29. Bombay Stock Exchange - Ashish Kr. Chauhan
29. National Stock Exchange - Chitra Ramkrishna
30. Press Council of India - Marandey Katju
Thursday, January 7, 2016
আপনি কি হস্তমৈথুন করেন?
আপনি কি হস্তমৈথুন করেন?
আরে লজ্জা পেলেন বুঝি?
তবে আর চিন্তা নেই। গবেষকরাই আপনার এ অভ্যেসে সম্মতি দিয়েছেন।
তাদের এ হেন যুক্তির কারণ কি?
১)স্পার্ম কাউন্টের ঊর্দ্ধগতিঃ
সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত হস্তমৈথুনে স্পার্ম কাউন্ট অনেকটাই বেড়ে যায়। নতুন স্পার্ম পুরনোর জায়গায় রিপ্লেস হলে ফার্টিলিটিও বাড়ে।
২)স্ট্রেসের ছুটিঃ
হস্তমৈথুন স্ট্রেস কমানোর সেরা উপায়। এ সময় এমন কিছু হরমোন শরীর থেকে বের হয় যা স্ট্রেস মুক্ত করে।
৩)প্রস্টেট ক্যানসারের সম্ভাবনা কমেঃ
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যে পুরুষরা এক সপ্তাহে পাঁচবারের বেশি হস্তমৈথুন করেন তাদের প্রস্টেট ক্যানসারের সম্ভবনা কমে।
৪)আয় ঘুম যায় ঘুমঃ
আপনি যদি অনিদ্রায় ভোগেন সেক্ষেত্রে হস্তমৈথুন আপনার রোগ সারানোর মোক্ষম উপায়। নিয়মিত হস্তমৈথুনে ঘুমের সমস্যা কমে।
৫)সেফেস্ট সেক্সুয়াল প্র্যাকটিসঃ
আপনার বহুগামিতার অভ্যেস থাকলে সেক্সুয়াল ট্রান্সমিটেড ডিসিজের ভয় থাকে। কিন্তু হস্তমৈথুনে সেই আশঙ্কা নেই। হস্তমৈথুনের ফলে অন্যান্য যৌন সমস্যাও কমে যায়।
৬) ভাল পারফর্মারই হস্তমৈথুনে এক্সপার্ট!
বিছানায় আপনার পারফরমেন্স যত ভাল হস্তমৈথুনে আপনি ততই এক্সপার্ট। দেখা গিয়েছে যারা বেশি হস্তমৈথুন করেন তারা সাধারণত ভাল সেক্স পার্টনার।
Subscribe to:
Posts (Atom)


