Thursday, August 25, 2016

আপনার অজানা বদহজমের পাঁচ ঘরোয়া প্রতিকার

অতিরিক্ত মসলাদার ও ঝাল খাবার খাওয়ার ফলে বদহজমের সমস্যা দেখা না দেওয়াটাই অস্বাভাবিক। আর বদহজম হলেই ভারী ভারী ওষুধ! কিন্তু আপনি কি জানেন বদহজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রয়েছে ঘরোয়া সমাধান। যা আপনার অজানা। তেমনই বেশ কয়েকটি সমাধান তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে। যেমন…………। অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার:হজম প্রক্রিয়া সচল রাখতে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার বেশ কার্যকর। অ্যাসিডিক উপাদান থাকলেও বদহজমে এই ভিনিগার বেশ উপকারী। এক কাপ জলে এক টেবিল-চামচ ভিনিগার ও এক টেবিল-চামচ মধু মিশিয়ে মিশ্রণটি খেলে চটজলদি উপকার পাওয়া যাবে। মৌরি দানা:অতিরিক্ত ঝাল বা মসলাদার খাবার খাওয়ার কারণে যদি বদহজম হয় তাহলে তার উপশমে মৌরি দানা বেশ উপকারী। মৌরি দানায় থাকা প্রাকৃতিক তেল পেটের সমস্যা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।মৌরি দানা শুকিয়ে ভেজে, গুঁড়া করে নিতে হবে। এক চা-চামচ মৌরি দানার গুঁড়ো জলের সঙ্গে গুলিয়ে দিনে দু’বার খেতে হবে। এছাড়া এক কাপ গরম জলে দুই চা-চামচ মৌরি দানা ফুটিয়ে চায়ের মতো করেও পান করা যেতে পারে। যদি বদহজমের লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে মৌরি দানা চাবিয়ে খেলেও কিছুটা উপকার পাওয়া যাবে। আদা:হজমে সহায়ক পাচক রস ও এনজাইমের নিঃসরণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আর তাই হজমের সমস্যায় আদা বেশ ভালো প্রতিষেধক। বিশেষত অতিরিক্ত খাওয়ার পরে হজমের জন্য আদা বেশ উপকারী। অতিরিক্ত খাওয়ার পর কয়েক টুকরা তাজা আদা সামন্য লবণ ছিটিয়ে চুষে খেতে পারেন।* দুই চামচ আদার রস, এক চামচ লেবুর রস, এক চিমটি লবণ মিশিয়ে খেতে হবে। জলের সঙ্গে মিশিয়েও ওই মিশ্রণ সেবন করা যেতে পারে। * এছাড়া এক কাপ গরম জলে দুই চামচ আদার রস ও এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। * আদা চাও বদহজমের কারণে হওয়া পেট ব্যথা উপশমের জন্য উপকারী। * রান্নার সময় তরকারিতে আদা ব্যবহার করলে তা হজমে সহায়তা করবে। বেকিং সোডা:পেটে অ্যাসিডিটির কারণে বদহজমের সমস্যা হয়ে থাকে। বেকিং সোডা অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। আধা গ্লাস জলে দেড় চামচ বেকিং সোডা গুলে পান করলে পেটে ব্যথায় আরাম পাওয়া যাবে। বদহজম এবং পেটে গ্যাসের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে বেকিং সোডা অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান।ভেষজ চা:বিভিন্ন ভেষজ উপাদান দিয়ে বানানো চা শরীরের জন্য বেশ উপকারী। ভারী খাবার খাওয়ার পর এক কাপ ভেষজ চা বেশ উপাদেয়। বাজারে বিভিন্ন ভেষজ উপাদান সমৃদ্ধ চা-য়ের টি-ব্যাগ কিনতে পাওয়া যায়। পছন্দসই ফ্লেইভারের টি ব্যাগ নিয়ে গরম জলে ডুবিয়ে তৈরি করে ফেলতে পারেন পছন্দসই ভেষজ চা। বিশেষত পেপারমিন্ট এবং ক্যামলাই টি পেটের সমস্যায় বেশি উপকারী। পেটে জ্বালাপোড়া এবং অস্বস্থিকর অনুভূতি উপশমে এই উপাদান মিশ্রিত চা বেশি কার্যকর।

ক্যানসার এড়াতে সিগারেট খান

ধূমপান স্বাস্হ্যের পক্ষে হানিকারক, এতে ক্যানসার হতে পারে৷ এমই একটা লাইন ব্যবহার হয় সব সিনেমার আগে৷ মুখস্থ হয়ে গেছে সবার৷ এছাড়াও সিগারেটের প্যাকেটেই দিকে তাকালেই ভয়ঙ্কর একটা ছবি দিয়ে লেখা থাকে স্মোকিং কিলস্৷ কিন্তু এক গবেষক ক্যানসার এড়াতে এই সিগারেট খাওয়ারই পরামর্শ দিচ্ছেন৷ শুনে আঁতকে উঠলেন কি? এই গবেষক বলছেন তামাক গাছ নাকি ক্যানসারের সবচেয়ে বড় শত্রু৷ লাট্রোব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডা. মার্ক হুলেটের দাবি এনওডি১ ক্যানসার কোষের ছড়িয়ে পরা রুখতে পারে৷ এগুলি প্যাথোজেন মেরে ফেলতে সক্ষম৷ এনএডি১ নিজেই ক্যানসার কোষ খুঁজে পাশের সুস্থ কোষকে অক্ষুন্ন রেখেই ক্যানসার কোষ নষ্ট করে দেয়৷ তবে এখনও ক্যানসার কোষের উপর বেশকিছু প্রয়োগ মূলক পরীক্ষা বাকি রয়েছে৷

চুল ওঠা এখন ভালো!

চুল পড়া থামছে না। ক্রমশ বড় আকার নিচ্ছে টাক? চিন্তা নেই! নির্দিষ্ট ছাঁচে এবং ঘনত্বে ২০০টি চুল তুলে ফেললে তার বদলে গজাবে নতুন ১২০০ চুল! সম্প্রতি এক এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই এক চাঞ্চল্য তথ্য। যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া’ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী ইঁদুরের উপর এ পরীক্ষা চালান। প্রধান গবেষক চেং-মিং চুয়ং বলেন, “এর মাধ্যমে অ্যালোপেসিয়া (এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির চুল দ্রুত পড়ে যায়) রোগের সম্ভাব্য চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কারের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।” চুল তোলার কারণে চুলের গোঁড়ার ক্ষত যেভাবে পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে, ঠিক একইভাবে এ অবস্থাটিই আবার নতুন চুল গজানোর প্রক্রিয়াকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। এ ধারণার ওপর ভিত্তি করেই কয়েক বছর আগে গবেষণাটি শুরু হয়। এই প্রক্রিয়ায় আরও বেশি চুল গজাতে সক্ষম হওয়ার ব্যাপারেও আশাবাদী ছিলেন গবেষকরা। এটি পরীক্ষা করতে তারা একটি ইঁদুরের পিঠ থেকে ভিন্ন ভিন্ন ছাঁচে একের পর এক ২০০টি লোম তুলে নেন। যখন কম ঘনত্বে একটি জায়গা থেকে লোম তুলে নেওয়া হয়, তখন দেখা যায় কোন নতুন লোম গজায়নি। অথচ বেশি ঘনত্বে লোম তুলে নেওয়ার ফলে ৪৫০ থেকে ১৩০০’র মত নতুন লোম গজাতে দেখতে পান গবেষকরা। এমনকি যেখান থেকে লোম তোলা হয়নি, সেখানেও নতুন লোম গজাতে দেখা যায়। গবেষকরা দেখিয়েছেন, ‘কোরাম সেন্সিং বা অনুভবনশীল’ প্রক্রিয়ায় নতুন লোম গজিয়েছে। যদিও সব ক্ষেত্রে একই ফল পাওয়া যায়নি। http://kolkata24x7.com/hair-problem-solution.html

রোগা হতে জমিয়ে খান ফুচকা

পণ করেছি, খাব না ফুচকা, যদি হতে হয় রোগা। স্লিম হতে গিয়ে এরকম পণ আমরা অনেকেই করে থাকি। কিন্তু ওই যে কথায় বলে লোভে পাপ। আর এখানে লোভে মোটা। তবে মেয়েদের জন্য রয়েছে সুখবর। ফুচকা খেয়েও এবার রোগা থাকতে পারবেন। শুধু মেনে চলতে হবে কয়েকটা নিয়ম। *.অন্ধকার নামলে পাড়ার মোড়ে টিম টিম করে জ্বলতে থাকে আলো। সেখানেই রয়েছে রসনার তৃপ্তি। সন্ধ্যে মানেই টক-ঝালে ফুচকা। কিন্তু রোগা হতে চাইলে আলো যাওয়া পর নো-ফুচকা। দুপুরেই খেয়ে নিন ফুচকা। *.কন্ট্রোল। যত খুশি তত খাব! একদম নয়। গুনে গুনে ৬ টা থেকে ৮ টা-এর বেশি নয়। আসলে কোনও খাবারই বেশি খাওয়া ভালও নয়। তা সে ফুচকা হোক আর ওটস। তাই নিজের মনকে বোঝান। *.আলু-কাঁচা লঙ্কা-টক জল তিনে মিলে ফুচকা। সঙ্গে রয়েছে ছোলা,মটর, লেবু, ধনেপাতা। এরমধ্যে কোনটিই শরীরের পক্ষে খারাপ নয়। কিন্তু আলুতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট। তাই পারলে আলুটা এড়িয়ে চলুন। ছোলা-মটর দিয়েই ফুচকা খান। আর সেই সঙ্গে একটা জিনিস মাথায় রাখবেন নো চাটনি ফুচকা, অনলি টক জল। তবে আপনি চাইলে দই ফুচকা খেতে পারেন। এটা খুব ভালো। *.ফুচকার পাপড়ি দু’রকমের হয়। এক সুজি, দুই ময়দার। যতই মুচমুচ করুক না কেন, ডায়েট মেনে চলতে চাইলে আপন করুণ ময়দার ফুচকা, এড়িয়ে চলুন সুজির ফুচকা। *.বেশি টক, বেশি ঝাল আর নুন ফুচকার মশলার এটাই ডিমান্ড। কিন্তু টক-ঝাল ঠিক থাকলেও নুন কিন্তু মোটেও ঠিক নয়। ফুচকায় একটু কম নুন খান। *.

মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া প্রসাধন সামগ্রী কতদিন ব্যবহার করা যায়?

আমরা সবাই জানি যে কোনও জিনিসের গায়ে তা কতদিন ব্যবহারযোগ্য তা লেখা থাকে৷ সেই তারিখ ও দেখেই আমরা সেসব জিনিস কিনি বা ব্যবহার করি৷ আমাদের প্রসাধন সামগ্রীও তার ব্যতিক্রম নয়৷ কিন্তু সমস্যা হল এই প্রসাধন সামগ্রীর গায়ে যে তারিখ পর্যন্ত ব্যবহারের নির্দেশ থাকে তার আগেই কিছু প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করা ঝুঁকি হয়ে পড়ে৷ একটি প্রসাধন সামগ্রীর মুখ খোলার পরে তা কতদিন পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য তা জানা দরকার প্রত্যেকের৷ ধরা যাক একটি কাজল পেনসিল কিনেছেন৷ তার গায়ে যা তারিখ রয়েছে তা অনুযায়ী দুই বছর পর্যন্ত কাজলটির মেয়াদ রয়েছে৷ কিন্তু তার মানে কখনওই এই নয় যে আপনি কাজলটি ব্যবহার শুরু করার পর থেকে আপনার চোখে দীর্ঘ দুই বছর পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন৷ তাতে আপনার চোখে নানা রকম সমস্যা হতে পারে৷ চোখে জ্বালা ব্যাথা ইনফেক্সন হতে পারে৷ তার থেকে সাবধান থাকতেই জেনে রাখুন কোন প্রসাধন সামগ্রীর মুখ খোলার পর থেকে কতদিন পর্যন্ত তা ব্যবহার করা নিরাপদ৷ # চোখের জন্য যেসব মেক-আপ ব্যবহার করা হয় তা সবচেয়ে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। যেমন- মাসকারা বা আই লাইনার সিল খোলার তিন মাসের মধ্যে নষ্ট হতে থাকে। মাসকারা জমে গলে কখনও জল মিশিয়ে সেটা ব্যবহার করবেন না। এতে ব্যাক্টেরিয়ার জন্ম হতে পারে।# তরল ফাউনডেশন, কনসিলার ইত্যাদির আয়ু ছয় মাসের বেশী থাকে না। তাই চেষ্টা করুন ছোট ছোট পরিমাণে কিনতে। ব্যবহার শুরু করার ছয় মাসেই ফুরিয়ে যায় এই প্রসাধনীর নিরাপদ ব্যবহৈরের মেয়াদ। # আই এবং লিপ পেন্সিল এক বছর পর্যন্ত ভাল থাকে। # ক্রিম ফাউন্ডেশন ও ক্রিম আই শ্যাডো তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত থাকে। ভাল ব্র্যান্ডের কসমেটিকস হলে অবশ্য এক বছর পর্যন্ত ব্যবহারের উপযোগী থাকে।# পাউডার বেসড প্রডাক্ট দুই বছর ভাল থাকে। পাউডার আইশ্যাডো ব্যবহার শুরুর প্রায় তিন বছর পর্যন্ত ভাল থাকে। তবে ব্লাশঅন ভালো থাকে ছয় মাস পর্যন্ত। # ক্রিম ও জেল কিনজার মোটামুটি নেলপলিশ এক বছর ভাল থাকে আর ঠিকমত সংরক্ষণ করতে পারলে আরও কিছুদিন ভাল রাখা যাবে। # ফেসিয়াল ক্লিঞ্জার প্রায় ছয় মাস ভাল থাকে। আর ফেসিয়াল টোনার নিশ্চিন্তে এক বছর পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন।

চোখের কালি দূর করার অব্যর্থ ছ’টি ঘরোয়া উপায়

রাতে ঘুম না হলেই বিপদ৷ চোখের তলায় পুরু কালি৷ অনেকের আবার ঘুম হলেও এই কালি দূর হয় না চোখ থেকে৷ পরিপাটি সাজের বারোটা বাজিয়ে দেয় এই চোখের কালি৷ সবাই জিজ্ঞাসা করে ‘সারারাত ঘুম হয় নি?’ লজ্জায় পড়েন আপনিও৷ তবে এই লজ্জার দিন শেষ৷ আপনার জন্য কিছু টিপস রইল যা আপনার চোখের কালি দূর করতে অব্যর্থ৷ ১. কদম ফুলের পাপড়ি বেটে পাঁচ থেকে ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এতে চোখের নিচের কালো দাগ অনেকটাই দূর হবে। এটি না পেলে পুদিনাপাতা বা নিমপাতাও ব্যবহার করতে পারেন। ২. দুই চা চা চামচ ফ্রিজে রাখুন এবং চামচ দু’টি ঠাণ্ডা হবার জন্য অপেক্ষা করুন। চামচ ঠাণ্ডা হলে, বালিশে শুয়ে চোখের উপর চামচ দু’টি রাখুন। এটির দুটি সুফল আছে। এটি চোখের ক্লান্তি দূর করে এবং চোখের কালি দূর করতে সাহায্য করে।৩. দু’টি কটন বল শসার রসে ডুবিয়ে চোখের উপর পনেরো মিনিট রাখুন। ৪. ঠাণ্ডা টি ব্যাগ চোখের উপর রাখলে ভাল ফল পাবেন। গ্রিন টি-এর ব্যাগ রাখলে কাজ দ্রুত হবে।৫. খোসাসহ আলু বেঁটে চোখের নিচে লাগাতে হবে। তিন চার দিন এই পেস্টটি ব্যবহার করুন। কালো দাগ দূর হবে। ৬. কাজু বাদাম বেটে দুধের সঙ্গে গুলিয়ে, পেস্ট করে চোখের চারপাশে লাগাতে পারেন। ৭. চোখের চারপাশে বাদাম তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলেও দ্রুত উপকার পাবেন।

চিংড়ি তন্দুরি

বন্ধু-মহলে আপনার সুনাম বাড়াবে এবার জলের পোকা। বুঝলেন না! আরে বাবা চিংড়ি মাছ। যদিও মাছ আমারা বলি। কিন্তু মাছের সাত কুলের সঙ্গে কোনও যোগ নেই তার। কিন্তু তাতে কি বাঙালির পাতে শিরোমণি চিংড়ি। আজ রইল এই পোকা নিয়ে এক রেসিপি উপকরণ : *.গলদা চিংড়ি মাছ ১৬টি *. টক দই ১০০ গ্রাম *.আদা- রসুন বাটা ১ চা চামচ *.শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো এক টেবিল চামচ *.কস্তুরি মেথি ১০ গ্রাম *.গরম মসলা পরিমাণ মতো *. তেল সামান্য *.লবণ স্বাদ অনুযায়ী প্রণালী : *.প্রথমে চিংড়ি মাছ ভালো করে ধুয়ে নিন। *.একটি বাটিতে টক দই নিয়ে ভালো করে ফাটিয়ে তাতে সব মশলা মিশিয়ে দিন। *.তারপর এই মশলা মাখানো দইতে চিংড়ি দিন। ঘণ্টা দুয়েক এভাবে রেখে দিন। *.কাঠ কয়লার আগুনে শিখে গেঁথে বারবিকিউ করুন। মাঝে মাঝেই চিংড়ির গায়ে দই ও তেল মাখিয়ে দেবেন। এভাবে তৈরি করুন চিংড়ি তন্দুরি।

চটজলদি টেস্টি রোল কী করে বানাবেন?

জিভে জল আনা খাবার কার না পছন্দের বলুন তো? কিন্তু অ্যাসিডিটির কারণেই অনেকে এড়িয়ে চলেন একাধিক খাবার৷ তবে এবার সেই চিন্তা মন থেকে মুছে ফেলুন৷ এবারের নন্দিনীর কলামে রইল এমন দুটি চটজলদি টেস্টি রোলের রেসিপি যা আপনার রসনাকে তৃপ্ত করতে পারে৷ একবার না হয় চেখেই দেখুন…. মুরগির রোটি রোল: উপকরণ:বোননেস মুরগির মাংস ২৫০ গ্রাম, আদা ও রসুন বাটা আধ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়ো এক চাচামচ, জিরা আধা চা চামচ, দই ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজবাটা দুই টেবিল চামচ, অথবা তুলসী পাতা কুচি ও তেল৷ লুচির জন্য ময়দা এক কাপ, বলন পরিমাণমতো৷ সাবলাডের জন্য টমেটো দুটি, শশা একটি, পেঁয়াজ কুচি৷ ধনেপাতা, পুদিনাপাতা ও লেবু৷ প্রণালী:মুরগির মাংস ধুয়ে ছোট ছোট টুকরো কেটে নুন ও দু টেবিলচামচ দুই দিয়ে মাখিয়ে একঘন্টা রেখে দিন৷ কড়াইয়ের তেল গরম করে তাতে মাংসের মিশ্রণের সঙ্গে পেঁয়াজবাটা ও আদা রসুন বাটা দিয়ে ভাজুন৷ লাল হয়ে এলে জিরা দিয়ে মুরগির মাংসের মিশ্রণে ঢেলে দিন৷ বেশ খানিক্ষণ কষিয়ে নিন৷ এবার সামান্য জল দিয়ে ফুটিয়ে নিন৷ মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে ওভেন থেকে নামিয়ে নিন৷ এবার রুটির জন্য মেখে রাখা ময়দা দিয়ে লেচি কেটে হামলকা আঁচে সেঁকে নিন৷ এবার একটি রুচি নিয়ে তাতে মাংসের পুর দিয়ে উপর স্যালাড ও টকদই দিল৷ এবার রুটি ভাঁজ করে টুথপিক দিয়ে আটকে দিন৷ বিকেলের জল খাবারে পরিবেশন করুন৷চিকেন সসেজ রোল: উপকরণ:চিকেন সসেজ ছয় টুকরো টমেটো সস ২ টেবিল চালচ, মাখন এক টেবিল চামচ, পরোটা ছয় টুকরো৷ প্রণালী:গরম জলে সসেজ দিয়ে তুলে নিন৷ জল ঝড়িয়ে নিন৷ এবার কড়াতে মাখন দিয়ে দিয়ে তাতে সসেজগুলি ভেজে টমেটো সস দিয়ে নামিয়ে নিন৷ পরোটার মধ্যে ভাজা সসেজ দিয়ে মুড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন৷

কোন 7 ম্যাজিকে বয়স হবে 47 থেকে 17?

বুড়িয়ে যাচ্ছেন? ঘাবড়াবেন না। বয়স কমানোর ম্যাজিক ফর্মুলা মেনে আপনি ঘুরিয়ে দিতে পারেন বয়সের চাকা। ফর্মুলাগুলি খুবই সহজ। অনেকগুলি প্রায় প্রত্যেকেই নিত্য দিনে মেনে চলে৷ জেনে নিন বয়স কমানোর সাত ফর্মুলা এবং কমিয়ে ফেলুন বয়স। 1. ব্যায়াম করুন প্রতিদিন ব্যায়াম বয়সকে ধরে রাখার সবচেয়ে কার্জকর পন্থা, প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করুন। অন্তত প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটুন বা বাসাতেই এক স্থানে দাঁড়িয়ে জগিং করুন। একসঙ্গে ৩০ মিনিট সম্ভব না হলে দিনের মধ্যে ৩ বার ১০ মিনিট করে করতে পারেন। 2.ভিটামিনযুক্ত খাবার খান প্রতিদিন ভিটামিন সি এবং ই সমৃদ্ধ খাবার খান। এই দুই ভিটামিনে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে রোধ করে। খাদ্য থেকেই ভিটামিন গ্রহণ ভালো। সম্ভব না হলে সাপ্লিমেন্ট হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।3. শরীরের পরিবর্তনগুলো খেয়াল করুন শরীরে প্রতি নিয়ত পরিবর্তন ঘটছে। রক্তচাপ কমছে, বাড়ছে হৃদস্পন্দন আবার কখনও কখনও অনিয়মিত হয়ে পড়ছে। ব্যথা-বেদনা হচ্ছে। এসব লক্ষন কখনই উপেক্ষা করা উচিত নয়৷ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা দরকার৷ বড় কোন সমস্যা ধরা পড়ার আগেই সাবধান থাকা ভালো। 4. চর্বি ত্যাগ করুন দৈনিক ৬০ গ্রামের কম চর্বি এবং ২০ গ্রামের কম স্নেহজাতীয় খাদ্য ( যেমন মাখন বা ঘি ) খাওয়ার অভ্যাস করুন। সবচেয়ে ভাল হয় যদি চর্বি জাতীয় খাবার একেবারেই ত্যাগ করতে পারেন।5. দূষণ এড়িয়ে চলুন শরীরকে সুস্থ রাখার ও বয়সের ঘোড়াকে থামানোর সবচেয়ে কার্জকর উপায় হল দূষণ এড়িয়ে চলা। চারপাশে প্রতিনিয়ত দূষণ ঘটে চলেছে- পরিবেশ দূষণ, শব্দ, জল, বায়ু দূষণ ইত্যাদি। এসব পরিবেশগত সমস্যা তৈরি করছে স্বাস্থ্য সমস্যা। যতটা সম্ভব দূষণ এড়িয়ে চলুন। ধোঁয়া, উচ্চশব্দ, দুষিত জল থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখুন। দেখবেন বয়সের ঘড়ি উল্টো ঘুরছে। 6. ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখুন বয়স এবং উচ্চতা অনুপাতে আপনার ওজন ঠিক রাখার চেষ্টা করুন। ওজন ঠিক রাখতে প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম ও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার কম খাওয়ার চেষ্ট করুন। জল, ফল ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করুন। ওজন নিয়ন্ত্রণে এলে তা ধরে রাখার চেষ্টা করুন।7. বদঅভ্যাস ত্যাগ করুন সব ধরণের বদঅভ্যাস ত্যাগ করে জীবনকে একটি ছকে বেঁধে ফেলুন। অগোছালো জীবন কখনই শান্তিময় জীবনের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। ধূমপান, অ্যালকোহল আসক্তি ত্যাগ করুন। দৈনিক এক প্যাকেট সিগারেট আপনার আয়ু কমিয়ে দিতে পারে ৮ বছর। ছকে বাঁধা জীবন আপনাকে এনে দিতে পারে কাঙ্ক্ষিত তারুণ্য।

Wednesday, August 24, 2016

৫ উপায়ে হয়ে উঠুন স্মার্ট থেকে আরও স্মার্ট

বিজ্ঞাপন নয়। এটা বিজ্ঞান। স্বাভাবিক কিছু কাজেই আপনার মস্তিষ্কের সুসঞ্চালনায় আপনি হয়ে উঠবেন স্মার্ট থেকে আরও স্মার্ট। কীভাবে? শরীরচর্চা সুস্বাস্থ্যই নিজেকে 'স্মার্ট' করার শ্রেষ্ঠ চাবিকাঠি। শরীরের দিকে বাড়তি নজর দিন আর প্রতিনিয়ত ব্যায়াম করুন। কথায় আছে ব্যায়ামেই দূর হয় ব্যামো। শরীরের রক্ত সঞ্চালনা থেকে অক্সিজেনের স্বাভাবিক গতিবিধি-এই দুইকে একেবারে নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখতে শরীরচর্চার মত আর কিছু নেই। হাতের লেখা পড়াশুনার সঙ্গেই লেখনির ওপর জোর। হ্যাঁ, আপনি যত বেশি লিখবেন তত বেশি বৃদ্ধি পাবে আপনার স্মৃতিশক্তি। যে বিষয়ে আপনি লেখালেখি করবেন সে বিষয়ে আপনি বেশি কিছু মনেও রাখতে পারবেন। মস্তিষ্ক চর্চা কখনও উল্টো হাতে দাঁত মেজেছেন? একবার ঘুম থেকে উঠে আপনার স্বাভাবিক পক্রিয়ার উল্টোটা করে দেখুন, বিজ্ঞান বলছে এতে আপনি অনেক বেশি সজাগ হবেন। দীর্ঘ নিঃশ্বাস ধ্যান, উপাসনায় মনসংযোগ বাড়ে, একথা আজকের নয়। এটা বিজ্ঞানও আবার এটা মিথও। মাইথোলজি বলে, ধ্যানই একজনকে জ্ঞানী করে। মস্তিষ্কের স্রোতে 'আলফা, গামা, বিটা'র নিয়ন্ত্রক হল দীর্ঘ নিঃশ্বাস উপাসনা। গ্রিন টি পানীয়। গ্রিন টি। নিয়ম করে গ্রিন টি পান করুন। মস্তিষ্কে এর প্রভাব হয় সূত্রের মত।

লটারি খেলার সময় কোন কোন সংখ্যাকে গুরুত্ব দেবেন, জানুন

লটারি তো কমবেশি সকলেই খেলেন অথবা কাটেন। গোটাটাই ভাগ্যের খেলা। কিন্তু লটারি খেলার আগে বা কাটার আগে কি কোনও বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিই নেওয়া হয় না! লটারি জেতার কোনও গ্যারান্টি নেই, এটা ঠিক। কিন্তু কিছু অঙ্ক এবং বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি অনুযায়ী লটারি খেলেন কেউ কেউ। এখানেও আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করা হল সেই কথা নিয়েই। একে একে পদ্ধতিগুলো বলা হল। ১) আগে যে সংখ্যাগুলো লটারিতে জিতেছে, সেটা একবার দেখে নিলে মন্দ হয় না। এক্ষেত্রে একটা হিসেব দেওয়া যাক যে, ১৯৯৭ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মোটামুটিভাবে দেখা গিয়েছে যে, জেতা লটারি সংখ্যার মধ্যে সবথেকে বেশি থাকে '১' সংখ্যাটা। তাই যদি আপনি পদ্ধতি মেনে কিছু করতে চান, তাহলে ১ সংখ্যাটা ভালো। আপনার কাছে যে সংখ্যাগুলো থাকবে, তারমধ্যে সবথেকে কম সংখ্যাটা বাছতে পারেন। ২) আপনি যে লটারির নাম্বারটা বাছতে চান, তাতে সবথেকে কম নম্বরটা বাছতে পারেন। সেক্ষেত্রে ১ দিয়ে শুরু করতে পারেন। আরও একটা তথ্য জানলে ভালো হবে যে, লটারিতে জেতা সংখ্যার মধ্যে ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রে ১ থাকে!

শীতের রূপচর্চায় চালের গুঁড়োর জাদু

শীত মানের রুক্ষ আর শুকনো ত্বক। এই সময় ত্বক হারায় তাঁর উজ্জ্বলতা। তার প্রধান কারণ মরাকোষ। মৃতকোষ গুলি শরীরের উপরিভাগে ময়লার আস্তরণ তৈরি করে। এতে ত্বকের মসৃণটা কমে গিয়ে ত্বক হয়ে যায় খসখসে। আর উজ্জ্বল ত্বক ফিরে পেতে আপনাকে কোন দামী প্রসাধনী নয়, চালের গুঁড়োই সাহায্য করবে। কি করে? জেনে নিন: কী কী লাগবে *.চালের গুড়ো ২ টেবিল চামচ *. দুধ ২ চা চামচ *. লেবুর রস ২ চা চামচ ব্যবহারের পদ্ধতি *.সপ্তাহে দুদিন এটা ব্যবহার করবেন। শুধু মুখে না, আপনি চাইলে সারা শরীরে ব্যবহার করতে পারেন। *.যাদের মুখ খুব বেশি তৈলাক্ত তারা দুধ এর বদলে শসার রস মেশাতে পারেন। *.যাদের ত্বক শুষ্ক তারা দুধ ব্যবহার করবেন , চাইলে কমলালেবুর রসও দিতে পারেন। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে। *.জোরে জোরে ঘষতে যাবেন না এতে হিতে বিপরীতও হতে পারে। উপকারিতা- *.চালের গুড়া ব্রণের দাগ কমায়। *.ত্বককে মসৃণ করে। *.ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। *.ব্ল্যাক হেডস কমায়।

চিনি আর তামাক একই

মিষ্টি খাবার মানেই জিভে জল আর মিষ্টি মানেই চিনি৷ অথচ এই চিনিই কিনা তামাকের মতো ক্ষতিকর! এমন অবিশ্বাস্য তথ্যই দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের ইউনির্ভাসিটি অব লিভারপুলের গবেষক সায়মন ক্যাপওয়েল। চিনিকে নতুন তামাক হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি। তার এ গবেষণার ফলাফল জানার পর বিশ্বের বিভিন্ন খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যে চিনির পরিমাণ কমিয়ে আনবে বলে আশা করছেন সায়মন। চিনির ক্ষতিকর দিক নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য একটি ক্যাম্পেইন দলের সদস্য হয়ে কাজ করছেন সায়মন।চিনির ক্ষতিকারক প্রভাব মানুষের স্থূলতা, বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধির পেছনে দায়ী। এজন্য খাদ্যপণ্যে চিনির পরিমাণ শতকরা ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, জিরো ফ্যাট ইয়োগার্ট (দই) ক্যানে প্রায় পাঁচ চা-চামচ চিনি থাকে। টমেটো স্যুপে থাকে প্রায় চার চা-চামচ চিনি। চকলেট বারে থাকে প্রায় আট চা-চামচ চিনি।একজন পূর্ণবয়স্ক নাগরিক দিনে ১২ চা-চামচ চিনি গ্রহণ করে থাকেন। অনেকে আবার দিনে ৪৬ চা-চামচ চিনিও খেয়ে থাকেন। চিনি আহরণের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ চা-চামচ চিনি গ্রহণ করতে পারেন, এর বেশি নয়। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, বিশ্বব্যাপী স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে মৃত্যুর পেছনে মূল ভূমিকা চিনির। উলফসন ইন্সটিটিউট অব প্রিভেনটিভ মেডিসিনের গবেষক গ্রাহাম ম্যাকগ্রেগর বলেন, এখনই বিশ্বব্যাপী চিনির ক্ষতিকর দিক নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।এ বিষয়ে অপর এক চিকিৎসক জানান, চিনি কোনোভাবেই খাদ্যপণ্যের পুষ্টিমান বাড়ায় না, এমনকি ভোক্তাকে পরিতৃপ্তও করে না। স্থূলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চিনি টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগের সংক্রমণে ভূমিকা রাখে। জনস্বাস্থ্যের জন্য এ ধরনের খাদ্যপণ্যকে শিশুদের নাগাল থেকে দূরে রাখার বিষয়ে সর্তক করেছেন চিকিৎসকেরা।

রোগা হতে রাতের তিন ডায়েট

রোগা হতে এবার রাতের ডায়েট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন ডায়েটের ক্ষেত্রে রাতের খাওয়াটা খুব জরুরী। কখন খাচ্ছেন, কী খাচ্ছেন তারওপর নির্ভর করে ওজন কমে। আসুন চোখ রাখি এমন তিনটি রাতের ডায়েটের দিকে যা খেলে ওজন কম হতে বাধ্য। ডায়েট প্ল্যান-১: যারা ভাত খেতে পছন্দ করেন ভুল ধারনা যারা ভাবেন ভাত খেলে ওজন বাড়ে। তবে পরিমাণ মতো খেতে হবে। ভাত: ভাতের পরিমাণ ১ কাপই হতে হবে। কোনও ভাবেই এর চাইতে বেশী নয়। মাছ/ মাংস: মাঝারি আকৃতির এক টুকরো মাছ। ১০০ গ্রাম মাংস (চিকেন) শরীরের আমিষের চাহিদা পূরণ করবে। সবজি: বিভিন্ন রকম সবজি দিয়ে তৈরি কম তেলে রান্না করা এক বাটি সবজি। তবে সব থেকে ভালো হয় স্যালাড রাখা।ডাল: এক বাটি ডাল। যা ডাল ফ্যাট কাটতে সহায়তা করে। পাশাপাশি পুষ্টি যোগায় শরীরে। ফল ও দই: খাবার শেষে ১ টি কলা বা ১ টি আপেল কিংবা ১ টি কমলা খাবেন। এই ফলগুলো ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। আর ১/৪ কাপ টক দই। এটা খাবার হজমে সাহায্য করবে। ডায়েট প্ল্যান-২ যারা রুটি খেতে পছন্দ করেন অনেকে রাতে ভাত খেতে পারেন না বা খেতে চান না। তাদের জন্য এই ডায়েট চার্ট। রুটি: রুটিটি অবশ্যই আটার হতে হবে। লাল আটা হলে ভালো হয়। ময়দা ও পাউরুটি হলে চলবে না। কারণ ময়দার রুটি ও পাউরুটি খেলে ওজন বাড়ে সবজি: বিভিন্ন রকম সবজি দিয়ে তৈরি কম তেলে রান্না করা এক বাটি সবজি। ডিম: ডিম প্রোটিনের খুব ভালো একটি উৎস। ডিমের সাদা অংশে ক্যালোরি অনেক কম থাকে। তাই ১/২ টি ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন। কিংবা এক টুকরো মাছ বা মাংস যা আপনার পছন্দ। ফল: কলা, আপেল কিংবা কমলা এই তিনটি ফলের যে কোন ১ টি খাবেন। দই খেতে চাইলে ২/৩ টেবিল চামচ খেতে পারেন। ডায়েট প্ল্যান-৩: সবচাইতে দ্রুত ওজন কমানোর জন্য এই ডায়েট প্ল্যানটি যে কেউ অনুসরণ করতে পারেন খুব দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে। দ্রুত ওজন কমাতে খুবই কার্যকরী একটি চার্ট।কর্ণফ্লেক্স: হাই ফাইবার কর্ণফ্লেক্স ওজন কমাতে সাহায্য করে। তবে কর্ণফ্লেক্স অবশ্যই চিনি ছাড়া হতে হবে। যদি চিনি ছাড়া খেতে না পারেন তবে মধু ব্যবহার করতে পারেন। দুধ: লো-ফ্যাট দুধে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক কম থাকে। তাই ডায়েট চার্টে ১ কাপ দুধ অবশ্যই রাখবেন। ফল: এই ডায়েট চার্টে ফলের গুরুত্ব অনেক বেশী। বেশী করে ফল খাবেন রাতে। বিশেষ করে কলা ও সবুজ আপেল। এরা ফ্যাট কমাতে অনেক সহায়তা করে। কর্ণফ্লেক্স,দুধ ও ফল এক সাথে মিশিয়ে খেয়ে নিন। দুধটা ঠাণ্ডা না খেয়ে গরম খাবেন। সাথে খেতে পারেন কাঠ বাদাম।

কিসমিশের গুণাগুণ

ছোট বড় সকলেই কিসমিশ খেতে পছন্দ করেন৷ এটিই হল সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর শুকনো ফল৷ এই কিসমিশ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন ফুড সাপ্লিমেন্ট, ওষুধ ও মিষ্টি তৈরিতে৷ শুধু তাই নয় এই ড্রাই ফ্রুটের অনেক গুণও বর্তমান৷ তাই আপনাদের জন রইল কিসমিশের গুণাগুণ৷ *.কিসমিশে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে তাই এটি শরীরের অতিরিক্ত জল শোষণ করে পাচন ক্রিয়ায় সাহায্য করে৷ এছাড়াও যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন তাদের ক্ষেত্রেও এটি বেশ কাজে দেয়৷ *.যারা স্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে শরীরের ওজন বৃদ্ধি করতে চান তাদের ক্ষেত্রে কিসমিশ সবচেয়ে ভাল উপায়৷ এছাড়াও এতে রয়েছে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোস এবং এটি প্রচুর পরিমাণে শক্তিও প্রদান করে৷ *.কিসমিশ দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে উপযোগী৷ এছাড়াও যদি দাঁতে অন্য কোন খাবার আটকে গিয়ে থাকে তবে কিসমিশ সেটিকে বের করতে সাহায্য করে৷ *.গবেষণায় দেখা গেছে কিসমিশ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের প্রকোপ কম করতে সাহায্য করে৷ *.কিসমিশে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ভিটামিন -বি কমপ্লেক্স থাকে ফলে এটি অ্যানিমিয়া সাড়াতে এবং নতুন রক্তকোষ সৃষ্টি করতে সাহায্য করে৷

Saturday, August 13, 2016

দাড়ি নিয়ে পৃথিবীর সেরা ১০ তথ্য

১) বিশ্বজুড়ে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, দাড়িওয়ালা লোকেরা হিংসুটে কম হয়। এঁদের ব্যক্তিত্ব নিয়ে চর্চা করা যায়। এরা কখনওই আপনার সঙ্গে তথাকথিত 'ছ্যাবলামো' করবে না। আর এরা শুরুতে মানুষের সঙ্গে মিশতে ইতস্তত বোধ করেন। কিন্তু একবার আপনার সঙ্গে মিশে গেলে, আপনি এই মেলামেশাটা উপভোগ করবেন। দাড়িটা এক্ষেত্রে ওই মানুষদের ব্যক্তিত্বকে চাদরে ঢেকে রাখার মতো একটা কাজ করে।২) বিজ্ঞানীরা অনেক পরীক্ষা করে মানুষের মনস্তত্ব দেখে বুঝেছেন, পুরুষ নিজে দাড়ি রাখতেই আগ্রহী। কিন্তু সে যখন তাঁর দাড়ি কেটে ফেলে, তখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যাখ্যাটা থাকে কোনও মহিলাকে 'ইমপ্রেস' করা। কারণ, বেশিরভাগ মহিলারাই ছেলেদের মুখে দাড়ি না থাকাটাই পছন্দ করেন।৩) যদি আপনি মুখে এক গাল দাড়ি রেখে ভেবে নেন, আপনি জীবনে খুব বড়লোক হবেন, তাহলে আপনার জন্য খুবই খারাপ খবর। ফোর্বসের বিচারে বিশ্বের সবথেকে ধনী মানুষের যে তালিকা প্রকাশ হয় বছর-বছর, সেই তালিকায় ১০০ জনের মধ্যে গড়ে ৯৮ জনেরই মুখ একেবারে কামানো! আর দাড়ি রাখবেন? ভালো করে ভেবে দেখুন। কারণ, এটা পয়সার ব্যাপার বলে কথা! ৪) যদি আগের পয়েন্টটা পড়ে আপনার মন খুব খারাপ হয়ে যায়, তাহলে এই পয়েন্টটা অবশ্যই পড়ুন। এটা আপনার মন ভালো করে দেবে। ২০০৮ সালের পর থেকে সারা বিশ্বে মুখে দাড়ির 'ট্রান্সপ্লান্ট' ৬০০ শতাংশ হারে বেড়ে গিয়েছে! এর কারণ, ২০০৮ সালের পর থেকে সারা বিশ্বেই দাড়ি রাখার চল বেড়ে গিয়েছে! ৫) মধ্যযুগে কোনও মানুষের দাড়িতে হাত দেওয়া ছিল মারাত্মক অপরাধ। মনে করা হত, যে ব্যক্তির দাড়িতে হাত দেওয়া হয়েছে, তাঁকে আসলে চূড়ান্ত অপমান করা হয়েছে। সমাজে দাড়িওয়ালা মানুষের মূল্য ছিল এতটাই। এই জন্য কঠোর শাস্তিও দেওয়া হতো! ৬) সারা পৃথিবীর পুরুষ এবং মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মানুষের বয়স বাড়লে তাঁর দাড়ি রাখাকে সমর্থন করেন ৮০ শতাংশের বেশি পুরুষ এবং মহিলা! কিন্তু যখন পুরুষের বয়স তুলনায় কম, তখন কিন্তু নারীরা বেশি করে দাড়ি রাখাটা অপছন্দই করেন। ৭) একজন মানুষ যিনি পৃথিবীতে ৬০ বছর বেঁচে থাকেন, হিসেব করে দেখা গিয়েছে, সেই মানুষটা জীবনের প্রায় ৩৫০০ ঘণ্টা সময় নষ্ট করেছেন তাঁর দাড়ি কাটতেই! মানে গোটা জীবনের প্রায় ৬ মাস চলে গেল দাড়ি কাটতেই! পরেরবার দাড়িটা কাটার আগে ভেবে নেবেন কিন্তু প্লিজ। ৮) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন জীবনের শুরুর দিকে দাড়ি রাখতে পছন্দ করতেন না। কিন্তু প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তাঁকে একটি ছোট মেয়ে একদিন চিঠি লেখেন, 'আপনি যদি দাড়ি রাখেন, আপনাকে দেখতে সুন্দর লাগবে।' ব্যস, লিঙ্কন শুরু করেন দাড়ি রাখা। ভাবুন তো একবার। আব্রাহাম লিঙ্কনকে আপনি দাড়ি ছাড়া কল্পনা করতে পারেন? ৯) অনেকের ত্বকের অ্যালার্জি থাকে। সেক্ষেত্রে ওষুধের থেকেও তাঁর কাছে মূল্যবান হতে পারে দাড়ি। এমনটা বলেন ডাক্তাররাই। দাড়ি রাখা মানুষদের গালের ত্বক তুলনায় কোমল হয়। ১০) প্রাচীন মিশরে দাড়ির জনপ্রিয়তা এতটাই বেশি ছিল যে মেয়েরাও দাড়ি রাখতেন। আসলে ধাতুর দাড়ির প্রচলন ছিল তখন মিশরে। মহিলারা সেই ধাতুর দাড়ি নিজেদের মুখে পড়তেন! মেয়েরা শুধু ছেলেদের পোশাক পরতেই আগ্রহী ছিল না। বরং, পুরুষের দাড়িও পছন্দ করতেন! এইবার ভাবুন, আপনি কোনটা করবেন। সবশেষে আপনাকে একটা পরামর্শ দিতে চাই। আপনি দাড়ি রাখবেন না রাখবেন না, সেটা এই লেখাটা পড়ার পর ঠিক করবেন কেন? দুটো তো জিনিস। একটু দেখে নেবেন, দাড়ি রাখলে আপনাকে সুন্দর দেখায় নাকি দাড়ি কাটলে? আপনি সেটাই করবেন। আর সবকিছু কিন্তু সৌন্দর্যের জন্য নয়। 'কমফোর্ট' বলেও তো একটা কথা আছে। আপনার কাছে যেটা আরামদায়ক, আপনি সেটাই করুন। আর সবশেষে বলার, আপনি যদি একা মানুষ হন, তাহলে দাড়ি আপনাকে আর একজন সঙ্গীর মতো করে সঙ্গ দেবে। হ্যাঁ, দাড়ি রাখা মানুষগুলোকে জিজ্ঞেস করলেই বুঝতে পারবেন এটা। দাড়ি রাখুন আর না-ই বা রাখুন, প্রার্থনা করি, আপনি সুন্দর এবং সবল থাকুন।

Thursday, August 11, 2016

আপনার রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী আপনার চরিত্র মিলিয়ে নিন

আপনার রক্তের গ্রুপ কী জানেন? নিশ্চয়ই জানেন।আজকের দিনে এগুলো না জানা মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। কিন্তু জানেন কি যে, আপনার রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী আপনার চরিত্রের গঠনও নির্ভর করে। তাই জেনে নিন কোন রক্তের গ্রুপওয়ালা মানুষ কেমন চরিত্রের মানুষ হন। আর মিলিয়ে নিন নিজেরটা। আপনি এটা মানতেও পারেন আবার না-ও মানতে পারেন। যেমন বিশ্বের বহু মানুষ এগুলো মানেন আবার মানেন না-ও। কিন্তু মাথায় রাখবেন, এটা বিজ্ঞানসম্মত। কারণ, রক্তের উপরই তো আমাদের জীবন। চরিত্রে তার একটুও প্রভাব পড়বে না? ও গ্রুপের রক্ত যাঁদের থাকে - এরা সাধারাণত খুব সামাজিক হন। এঁদের মধ্যে চঞ্চলতা দেখা যায়। এঁরা সৃষ্টিশীল মানুষ হন এবং জনপ্রিয়ও হয়ে ওঠেন। কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই এঁরা কাজ শুরু তো করেন। কিন্তু শেষ করে উঠতে পারেন না। এ গ্রুপের রক্ত যাদের থাকে - এঁরা খুবই শান্ত প্রকৃতির মানুষ হন। এঁরা বেশ লাজুক প্রকৃতির হন। এবং নিজেকে গুটিয়ে রাখতে পছন্দ করেন।বি গ্রুপের রক্ত যাঁদের থাকে - এঁরা নিজেদের লক্ষ্যে অবিচল থাকতে পারে। মানসিকভাবে বেশ শক্তিশালী হন। নিজেদের পথ জীবনে নিজেরাই ঠিক করে নেন। কোনও কাজ শুরু করলে সেটা শেষ করে তবে ছাড়েন। এবি গ্রুপের রক্ত যাঁদের থাকে - এঁদের দ্বৈত সত্ত্বা থাকে। এরা লাজুক। আবার তেমন সঙ্গ পেলে বেশ হইহুল্লোড় করতে পছন্দ করেন। এঁরা ভরসাযোগ্য মানুষ হন। অন্যকে উপকারও করেন ব্যস, এবার মিলিয়ে দেখে নিন, আপনার রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী আপনার চরিত্র মিলছে কিনা।

কি-বোর্ডের ১০০টি শর্টকাট ব্যবহার

আপনার কম্পিউটারে মাউসের ব্যবহার কমিয়ে কিবোর্ডের ব্যবহার বাড়ান৷কারণ, মাউসে সমস্যা হলে আপনার কম্পিউটার অকেজো হয়ে পরে৷ তার থেকে মুক্তি পাবেন কিবোরড দিয়েই প্রয়োজনীয় কাজগুলি করতে পারলে৷ আর তাছাড়া মাউসের থেকে কিবোর্ড ব্যবহার করে কাজ করলে আপনার কাজের সময়ও অনেক কমবে৷ মাউস পয়েন্টার নিয়ে সঠিক জায়গায় ক্লিক করে কাজ করতে যা সময় লাগে তার অর্ধেক সময়ে আপনি কিবোর্ডের ব্যবহারে কাজ করতে পারবেন কম্পিউটারে৷ তাই দ্রুত ভালো কাজের জন্য আপনাকে দেওয়া হল কিবোর্ডের ১০০টি শর্টকাট টিপস৷ Keyboard Shorcuts (Microsoft Windows) 1.CTRL+C (Copy) 2. CTRL+X (Cut) 3. CTRL+V (Paste) 4. CTRL+Z (Undo) 5. DELETE (Delete) 6. SHIFT+DELETE (Delete the selected item permanently without placing the item in the Recycle Bin) 7. CTRL while dragging an item (Copy the selected item) 8. CTRL+SHIFT while dragging an item (Create a shortcut to the selected item) 9. F2 key (Rename the selected item) 10. CTRL+RIGHT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next word) 11. CTRL+LEFT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous word) 12. CTRL+DOWN ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next paragraph) 13. CTRL+UP ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous paragraph) 14. CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (Highlight a block of text) SHIFT with any of the arrow keys (Select more than one item in a window or on the desktop, or select text in a document) 15. CTRL+A (Select all) 16. F3 key (Search for a file or a folder) 17. ALT+ENTER (View the properties for the selected item) 18. ALT+F4 (Close the active item, or quit the active program) 19. ALT+ENTER (Display the properties of the selected object) 20. ALT+SPACEBAR (Open the shortcut menu for the active window) 21. CTRL+F4 (Close the active document in programs that enable you to have multiple documents opensimultaneou sly) 22. ALT+TAB (Switch between the open items) 23. ALT+ESC (Cycle through items in the order that they had been opened) 24. F6 key (Cycle through the screen elements in a window or on the desktop) 25. F4 key (Display the Address bar list in My Computer or Windows Explorer) 26. SHIFT+F10 (Display the shortcut menu for the selected item) 27. ALT+SPACEBAR (Display the System menu for the active window) 28. CTRL+ESC (Display the Start menu) 29. ALT+Underlined letter in a menu name (Display the corresponding menu) Underlined letter in a command name on an open menu (Perform the corresponding command) 30. F10 key (Activate the menu bar in the active program) 31. RIGHT ARROW (Open the next menu to the right, or open a submenu) 32. LEFT ARROW (Open the next menu to the left, or close a submenu) 33. F5 key (Update the active window) 34. BACKSPACE (View the folder onelevel up in My Computer or Windows Explorer) 35. ESC (Cancel the current task) 36. SHIFT when you insert a CD-ROMinto the CD-ROM drive (Prevent the CD-ROM from automatically playing) Dialog Box–Keyboard Shortcuts 1. CTRL+TAB (Move forward through the tabs) 2. CTRL+SHIFT+TAB (Move backward through the tabs) 3. TAB (Move forward through the options) 4. SHIFT+TAB (Move backward through the options) 5. ALT+Underlined letter (Perform the corresponding command or select the corresponding option) 6. ENTER (Perform the command for the active option or button) 7. SPACEBAR (Select or clear the check box if the active option is a check box) 8. Arrow keys (Select a button if the active option is a group of option buttons) 9. F1 key (Display Help) 10. F4 key (Display the items in the active list) 11. BACKSPACE (Open a folder one level up if a folder is selected in the Save As or Open dialog box) Microsoft Natural Keyboard Shortcuts 1. Windows Logo (Display or hide the Start menu) 2. Windows Logo+BREAK (Display the System Properties dialog box) 3. Windows Logo+D (Display the desktop) 4. Windows Logo+M (Minimize all of the windows) 5. Windows Logo+SHIFT+M (Restorethe minimized windows) 6. Windows Logo+E (Open My Computer) 7. Windows Logo+F (Search for a file or a folder) 8. CTRL+Windows Logo+F (Search for computers) 9. Windows Logo+F1 (Display Windows Help) 10. Windows Logo+ L (Lock the keyboard) 11. Windows Logo+R (Open the Run dialog box) 12. Windows Logo+U (Open Utility Manager) 13. Accessibility Keyboard Shortcuts 14. Right SHIFT for eight seconds (Switch FilterKeys either on or off) 15. Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN (Switch High Contrast either on or off) 16. Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK (Switch the MouseKeys either on or off) 17. SHIFT five times (Switch the StickyKeys either on or off) 18. NUM LOCK for five seconds (Switch the ToggleKeys either on or off) 19. Windows Logo +U (Open Utility Manager) 20. Windows Explorer Keyboard Shortcuts 21. END (Display the bottom of the active window) 22. HOME (Display the top of the active window) 23. NUM LOCK+Asterisk sign (*) (Display all of the subfolders that are under the selected folder) 24. NUM LOCK+Plus sign (+) (Display the contents of the selected folder)

ত্বকের জন্য উপকারী খাবার

দামি প্রসাধন ব্যবহার করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছেন? এখনই সব ফেলে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুনভাবে আপনার ত্বকের পরিচর্যা করুন। জেনে নিন কিছু খাবারের নাম, যেগুলো আপনার ত্বকের মসৃনতা নিশ্চিত করবে আপনা থেকেই। বেঁচে যাবে প্রসাধনের পিছনে ব্যয় করা আপনার কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। লাল মরিচ: আপনার ত্বকের জন্য যতোটুকু ভিটামিন-সি দরকার তার থেকে বেশিই আছে লাল মরিচে। লাল মরিচ কাঁচা ও রান্না, দুইভাবেই খেতে পারেন। লাল মরিচে আছে ভিটামিন ‘বি৬’। আর আছে আপনার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করার জন্য ক্যারটিনয়েড। ত্বকের অনাকাঙ্ক্ষিত ব্রণের সাথে যুদ্ধ করার জন্য লাল মরিচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই লাল মরিচ খাওয়ার অভ্যাস করুন। চকোলেট: নিখুঁত ত্বক পেতে চাইলে চকোলেট উত্তম খাবার। চকোলেটে আছে ফ্যাটি এসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা আপনার ত্বকে সজীবতা আনবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের রুক্ষতা কমায় এবং সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচিয়ে রাখে। তাই প্রতিদিন অন্তত এক আউন্স চকোলেট খান। স্যামন মাছ: স্যামন মাছে আছে মানসিক চাপ সামলানোর অলৌকিক ক্ষমতা। আপনার প্রতিদিনের চাহিদার প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘ডি’ সরবরাহ করবে স্যামন মাছ। আর ভিটামিন ‘ডি’ কোলন ক্যান্সার, হৃদযন্ত্র, হাড়, কোলন ও ব্রেনের জন্য উপকারী। স্যামন মাছ চুলের জন্যও সমান উপকারি। নারিকেল তেল: নারিকেল তেলে আছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি। আছে এন্টিব্যাক্টেরিয়াল লরিক এসিড। ত্বককে বিভিন্ন ইনফেকশন এবং ব্রণের হাত থেকে বাঁচাতে এর জুড়ি নেই। এছাড়া নারিকেল তেলে আছে ত্বককে আদ্র, নরম এবং বলিমুক্ত রাখার জন্য ফ্যাটি এসিড এবং ভিটামিন ‘ই’। আর নারিকেল তেল ওজন কমাতে দারুণভাবে সাহায্য করে। সবুজ চা: সবুজ চা যদিও একটি পানীয় কিন্তু মনে রাখতে হবে এটিও গাছ থেকে এসেছে। সবুজ চা এন্টিঅক্সিডেন্টের বিশাল বড় আধার। এছাড়া এটি হাই ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই দৈনিক কমপক্ষে তিন কাপ সবুজ চা পান করুন।

দুধ চা নাকি রং চা?

আড্ডায় বসে ‘কী চা খাবেন’ জিজ্ঞাসা করা হলে দ্বিধায় পড়ে যান অনেকেই। আবার অনেকেই জানেন না, কোন চা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে আসলেই ভালো। সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে যে চা খেতে মন চায় আমরা সেটাই পছন্দ করি। কিন্তু প্রশ্ন কী আসে না, আসলে কোন চা খাওয়া উচিত? জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় কয়েকজন ব্যক্তিকে পর্যায়ক্রমে রং চা, দুধ চা এবং গরম পানি খেতে দেয়া হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, রং চা রক্তনালীর প্রসারণ ঘটায় যা উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রনের জন্য অত্যন্ত জরুরী। আবার বিখ্যাত পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমস-এর একটি বিজ্ঞান বিষয়ক ক্রোড়পত্রের মাধ্যমে জানা যায়, দুধ মেশালে চায়ের উপকারী গুণগুলো কিছুটা কমে যায়। সে হিসেবে রং চা পছন্দ করা উচিত। চায়ে আছে ট্যানিন নামক এক ক্ষতিকর উপাদান, যা গলার (খাদ্যনালি) ক্যানসারের কারণ হয়। চা পাতা বেশি জ্বাল দিলে এই ক্ষতিকর ট্যানিনের আবির্ভাব ঘটে। আবার এই চায়ে কিছুটা দুধ মেশালে ট্যানিনের ক্ষতির মাত্রা কমে আসে। দুধ চায়ের ট্যানিনকে আঁকড়ে ধরে এবং তাকে শরীরে মিশতে দেয় না। সাধারণত আমাদের দেশে দোকানে যে সব চা পাওয়া যায়, সেসব চায়ের পাতা দীর্ঘক্ষণ ধরে জ্বাল দেয়া হয়। ফলে তাতে ক্ষতিকর ট্যানিনের মাত্রা বেশি থাকে বলে সহজেই অনুমেয়। তাই দোকানে চা খেতে হলে রং চা না খেয়ে দুধ চা খাওয়াই উত্তম। আর যেহেতু দুধ চা থেকে রং চা বেশি উপকারী তাই বাসায় খেলে পরিমিতি জ্বালে রং চা খাওয়াই ভালো।

শীতে গৃহস্থালির টুকিটাকি

অনেকেরই প্রিয় ঋতু শীত। কনকনে ঠাণ্ডায় লেপ মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকতে সবারই ভালো লাগে। ঘরের কাজকর্মও কমে যায় অনেক, তাই ঘর গোছানোর কাজে অন্য সময়ের মতো এতোটা তৎপর থাকেন না গৃহকর্ত্রীরা। কিন্তু ঘরের টুকটাক সমস্যাগুলো এই শীতেই বেশি হয়। শীতের প্রধান সমস্যা চুলার গ্যাসে। বাংলাদেশে এ সময় গ্যাস প্রচুর ঝামেলা করে। প্রায় দিনই পুরো এলাকা জুড়ে গ্যাস থাকে না। তাই হয়তো উপোস কাটাতে হয় ঘরের সবাইকে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গ্যাসের বিকল্প ব্যবস্থা করা যেতে পারে। চাইলে ঘরে সিলিন্ডার গ্যাস নিয়ে আসতে পারেন। কিংবা গ্যাস থাকার সময়ে সারাদিনের রান্না একবারেই করে রাখুন। শীতে ঠাণ্ডা বাতাস ঘরে ঢুকে বলে সবাই দরজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে রাখে। রান্নাঘরেও তাই। কিন্তু এ থেকে বিরাট দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বদ্ধ ঘরে গ্যাসের পাইপ থেকে গ্যাস লিক হয়ে পুরো রান্নাঘর ক্ষেত্রবিশেষ পুরো বাড়ি গ্যাসের ডিপো হয়ে থাকতে পারে। আগুন জ্বালালেই সর্বনাশ। তাই পুরো জানালা বন্ধ না করে একটু ফাঁকা রাখুন। কুয়াশার কারণে রোদ না উঠলে কাপড় শুকানোর ঝামেলা অনেক। এক্ষেত্রে ঘরের ভেতর রশি টানিয়ে কাপড় অল্প ভাঁজ করে করে নেড়ে দিন। একটু দেরিতে হলেও শুকাবে। তবে সাবধান, গ্যাসের চুলার আগুনে কখনোই কাপড় শুকানো নয়। শীতকালে ঘরে পোকামাকড়ের উৎপাত বেশি হয়। তাই ঘরের আলমারি, শো-কেসে ন্যাপথলিন কিংবা নিম পাতা দিয়ে রাখতে পারেন। পোকা দূর হবে। শীতে ঘরের মেঝেতে কার্পেট বিছিয়ে দিন। বরফসম ঠাণ্ডা মেঝেতে হাঁটলে ছেলে-বুড়ো সবার নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই আগে থেকেই সাবধান থাকুন। তাছাড়া কার্পেট আপনার ঘরের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করবে। এই ঋতুতে বাতাসে আদ্রতা কম থাকে বলে প্রচুর ধুলাবালি উড়ে। ফলে ঘর-বাড়ি দ্রুত ময়লা হয়। সম্ভব হলে প্রতিদিন ঘর মুছুন। অন্তত ঝাড়ু দেয়া তো অবশ্যই। সবকিছু মেনে চললে ধরে নিতে পারেন শীতকাল আপনার আরামেই কাটবে।

তেলাপোকার সাথে বসবাস আর নয়

ঘরের যেখানে সেখানে তেলাপোকার উপদ্রব হলে বাস করাই দায় হয়ে ওঠে। খাটের নিচে, রান্নাঘরের কোণায় কিংবা মাঝে মাঝে আলমারিতেও ঢুকে পড়ে তেলাপোকা। উৎকট গন্ধের পাশাপাশি ঘর নোংরা হওয়ার ঝামেলাও আছে। আর সাথে উড়ে এসে গায়ে পড়ার ভয় তো আছেই। খুব সহজ পদ্ধতিতে এই তেলাপোকার উপদ্রব থেকে মুক্তি পেতে পারেন আপনি। এক্ষেত্রে আপনার মূল অস্ত্র হবে বেকিং সোডা। ঘরে তেলাপোকার উপদ্রব থেকে রেহাই পেতে অল্প একটি বেকিং সোডা একটি বাটিতে নিন। তারপর ঘরের যে স্থানে তেলাপকার উপদ্রব রয়েছে এক চা চামচ করে সোডা সেখানে দিয়ে রাখুন। বেকিং সোডা থেকে তেলাপোকা দূরে থাকে বলে আপনার ঘরে আর তেলাপকা আসবে না নিশ্চিত থাকতে পারেন। তবে ৮-১০ দিন পর পর সোডা পালটে দিন। কারণ বাতাসের আদ্রতায় বেকিং সোডা নষ্ট হয়ে যায়। যে কোনো মুদি দোকানেই বেকিং সোডা কিনতে পাওয়া যায়। এছাড়া তেলাপোকা ও পিঁপড়ার আক্রমণ থেকে রেহাই পেতে ঘর মোছার সময় পানিতে ২-৩ টেবিল চামচ ভিনেগার মিশিয়ে নিন। পিঁপড়ে ও তেলাপোকা হাজার মাইল দূরে থাকবে।

সারাদিনের ব্যস্ততায় ত্বকের যত্ন

সারাদিনের ব্যস্ততায় হয়তো ত্বকের যত্ন একেবারেই নেয়ার সময় হয় না। সকালে ঘুম থেকে উঠেই অফিসের টেনশন, নয়টা-পাঁচটা অফিস আর ক্লান্ত দেহে বাসায় ফেরার পর ত্বকের যত্ন নেয়ার এনার্জি একেবারেই থাকে না। তবে একটু কৌশলী হলে কোনোরকম কষ্ট ছাড়াই ব্যস্ততার মাঝেও আপনি আপনার ত্বকের পরিচর্যা করে যেতে পারবেন। মেকআপ ছাড়াই দিন শুরু করার চেষ্টা করুন। মেকআপ নেয়ার বদলে সকালে উঠে হালকা ব্যায়াম করুন। ব্যায়ামের কারণে দেহ-মন এমনিতেই ঝরঝরে লাগবে। ফলে ত্বকেও আসবে প্রাণবন্ততা। আর সেই প্রাণবন্ত চেহারা নিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন অফিসের কাজে। সকালে ব্যায়াম করে ফিরেই সম্ভব হলে গোসল করে ফেলুন। এর মাধ্যমে আপনি পুরোপুরি পরিচ্ছন্ন হয়ে ওঠবেন। বিকালে কাজ থেকে ফিরেও পারলে গোসল করুন। দেখবেন ক্লান্তি দূর হয়ে শরীরে এসেছে স্বর্গীয় অনুভূতি। বার বার মুখের স্পর্শে যায় এমন জিনিস পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করুন। কারণ এগুলোতে অল্পতেই ব্যাকটেরিয়া জন্মে। রুমালের বদলে টিস্যু ব্যবহার করার অভ্যাস করুন। আর দুই হাত সারা দিনে বেশ কয়েকবার সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন। মুখে হাত দেয়ার আগে তো অবশ্যই খেয়াল করবেন হাতে কোনো ময়লা আছে কিনা। পানি পান করার সময় সতর্ক থাকুন। হুটহাট কোথাও পানি না খাওয়াই ভালো। ঠান্ডা পানি পেলে মুখে এক আঁজলা পানির ঝাপটা দিন। ত্বকের যত্ন নেয়ার পাশাপাশি ক্লান্তিরও দফারফা হবে।

খাবারের তালিকায় থাই প্রন স্যুপ

প্রন খেতে কে না ভালোবাসে। রেস্টুরেন্টে যেতে ঝামেলা মনে হলে বাসায় বসেই রান্না করুন থাই প্রন স্যুপ। পরিবারের সবাই ঠান্ডা আর আপনিও হিট! থাই প্রন স্যুপ রান্নায় প্রথমেই লাগবে মাঝারি সাইজের কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০টি চিংড়ি মাছ। ৪-৫ কাপ চিকেন স্টক লাগবে। পরিমাণ মতো পেঁয়াজ কলি ১ ইঞ্চি সাইজে কেটে নিয়ে নিন। সাথে ৪ টেবিল চামচ ফিস সস। পাতলা পাতলা করে কাটা আদার মূল লাগবে পরিমাণ মতো। মাশরুম লাগবে ১-২ কাপ। ৭-৮টা গন্ধরাজ লেবুর পাতা কুচি কুচি করে কেটে নিন। সাথে লেবুর রস ৪ টেবিল চামচ। ৫-৬টা থাই চিলি পেপার গুঁড়ো করে নিন। এবং চিলি রোস্টেট অয়েল ২ টেবিল চামচ ও অল্প কিছু ছোট পেঁয়াজ। প্রথমেই চিংড়ি মাছের খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। অবশ্যই চিংড়ি মাছের লেজ ফেলে দিতে হবে। নয়তো খেতে ভালো লাগবে না। চুলায় চিকেন স্টক দিয়ে ফুটতে দিন। চিকেন স্টক গরম হয়ে ফুটতে শুরু করলে পেঁয়াজকলি, আদার মূল ও গন্ধরাজ লেবুর পাতা ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ পর সুন্দর ঘ্রাণ বেরোলে মাশরুম, ফিস সস ও লেবুর রস মিশিয়ে দিন। আবার ফোটাতে থাকুন। ভালোমতো ফুটে উঠলে চিংড়ি মাছ ও চিলি পেপার ঢালুন। জ্বাল দিতে থাকুন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন চিংড়ি মাছ গোলাপি রঙ ধারণ করেছে। তখনই বুঝবেন স্যুপ তৈরি। এবার নামিয়ে ছোট পেঁয়াজগুলো পিষে গার্নিশ করে স্যুপে দিয়ে দিন। ব্যস থাই প্রন স্যুপ তৈরি।

ঘর সাজান শতরঞ্জিতে

বাঙালি জীবনে শতরঞ্জির ব্যবহার বহুকাল আগে থেকেই। আধুনিক সময়ে এসে এই শতরঞ্জি আরও আকর্ষণীয় রূপ লাভ করেছে। ঘরের প্রায় সবখানেই শতরঞ্জি ব্যবহার করা যায়। আপনার ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে শতরঞ্জির বিকল্প খুঁজে পাওয়া ভার। ঘরের ভিন্ন ভিন্ন জায়গার জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা নানান ডিজাইনের শতরঞ্জি। ঘরের মেঝে, দেয়াল, সিলিং সবখানেই এটি লাগাতে পারেন। শুধু উপযুক্ত স্থানের জন্য উপযুক্ত শতরঞ্জিটি বাছাই করুন। একেবারেই বদলে যাবে ঘরের পরিবেশ। প্রকৃতিতে এখন শীতকাল চলছে। তাই এখনই হতে পারে শতরঞ্জির কার্যকর ব্যবহার। ঘরের যে জায়গাটুকুতে হাটা-চলা বেশি হয়, সেখানে শতরঞ্জি বিছিয়ে দিন। ঠাণ্ডা মেঝে আর পায়ের নিচে পড়বে না। বাচ্চাদের ঘরের পুরো অংশেই শতরঞ্জি বিছিয়ে দিতে পারেন। তাহলে বাচ্চার জন্য শীতকালীন দুশ্চিন্তা থেকে অনেকখানি রেহাই পাবেন আপনি। শুধু খেয়াল রাখবেন, শতরঞ্জিটি যেনো বাচ্চার পছন্দের রঙের হয়। ডাইনিং টেবিলও সাজানো যেতে পারে শতরঞ্জি দিয়ে। তবে পুরো টেবিল জুড়ে শতরঞ্জি না বিছিয়ে শুধুমাত্র প্লেট, গ্লাস, বাটি ইত্যাদি রাখার জন্য ছোট ছোট আকারের শতরঞ্জি ব্যবহার করুন। বেডরুমের খাটের পাশে, ড্রইং রুমের মাঝখানে বড় আকারের শতরঞ্জি বিছালে বেশ ভালো ও আধুনিক দেখা যায়। তবে সবসময় ঘরের আয়তন, আসবাব পত্রের আকৃতি ও রঙের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে শতরঞ্জি নির্বাচন করুন। ঘর হয়ে উঠবে আকর্ষণীয়।

পেট্রোলিয়াম জেলির আরও ব্যবহার

শীত এলেই ভ্যাসলিনের ব্যবহার বেড়ে যায়। আবার শীত চলে গেলে ভ্যাসলিনের কথা একরকম ভুলেই যায় সবাই। তবে ভ্যাসলিনের এমন কিছু ব্যবহার আছে যেগুলি জানলে সারা বছরই এটি আপনার হাতের কাছে থাকবে। ভ্যাসলিনের সবচেয়ে বহুল ব্যবহার সম্ভবত দাঁত থেকে লিপস্টিক উঠাতেই। ঠোঁটে লিপস্টিক লাগাতে গিয়ে প্রায় সময়ই দাঁতে লেগে যায়। সেই লিপস্টিক উঠাতে আবার বিরাট ঝক্কি। পেরেশান না হয়ে দাঁতে অল্প একটু ভ্যাসলিন লাগিয়ে দিন। দেখবেন কী সুড়সুড় করে লিপস্টিক উঠে আসে। মাথার চুল আগের চেয়ে বেশি কালো এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল দেখাতে ভ্যাসলিন ব্যবহার করতে পারেন। বিশ্বাস না হয় চুলের এক অংশে লাগিয়ে নিজেই পার্থক্য পরখ করুন। চামড়ার পার্স কিংবা মানিব্যাগ অথবা জ্যাকেটের ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতে পেট্রোলিয়াম জেলি অর্থাৎ ভ্যাসলিন লাগিয়ে পালিশ করে নিন। মাথার চুলে কলপ লাগানোর সময় কান, কপাল এবং ঘাড়ের যে অংশগুলোতে রং লেগে যায় সেখানে হালকা করে সেখানে ভ্যাসলিন মাখিয়ে রাখুন। কলপ লাগলেও উঠে যাবে। যাদের চুলের আগা ফেটে যাওয়া নিয়ে মনে খেদ আছে তারা রাতে ঘুমানোর আগে চুলের আগায় ভ্যাসলিন লাগিয়ে ঘুমাতে যেতে পারেন। ধীরে ধীরে চুলের আগা ফাটা কমে আসবে। অনেক টাকা দিয়ে কেনা পারফিউম বা বডি স্প্রে’র সুগন্ধ বেশিক্ষণ থাকে না বলে আমাদের অনেকেরই আফসোস থাকে। পারফিউমের সুগন্ধ অনেকক্ষণ ধরে রাখতে শরীরের যে অংশে স্প্রে করবেন সেখানে ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন। ভ্যাসলিন সুগন্ধ ধরে রাখবে অনেকক্ষণ।

Wednesday, August 10, 2016

নতুন রেসিপি ‘ডিম সেমাই’

ডিম দিয়ে কতো কিছুই না তৈরি হয়! ডিম যেমন সেদ্ধ খাওয়া যায়, তেমনি ভেজে মামলেট করে খাওয়া হয়। আবার তরকারিতেও ব্যবহার করা যায়। মিষ্টি-মালাই তৈরিতেও ডিমের ব্যবহার অনস্বীকার্য। ডিম দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন এক রেসিপি শেখা যাক। ডিম দিয়ে সেমাই রান্না। অবাক হওয়ার কিছু নেই। খেতে ভালোই লাগবে। উপকরণ লাগবে আধা কেজি দুধ, ১টি ডিম, দু’জন খাওয়ার মতো লাচ্ছা বা লম্বা সেমাই, চিনি পরিমাণ মতো, এলাচ ও দারচিনি যতোটুকু প্রয়োজন মনে করেন এবং পরিবেশনের জন্য কিসমিস, বাদাম ও চেরি। একটি হাড়িতে দুধটুকু নিয়ে ভালো মতো গরম করুন। দুধ ফুটে উঠলে আগুনের আঁচ কমিয়ে হাড়িতে ডিমটাকে ফাটিয়ে দিয়ে দিন। এবার হাড়ির দুধ খুব ভালোভাবে নেড়ে ডিম ভালো মতো মিশিয়ে দিন। ডিম মেশানোর পর চিনি, দারচিনি, এলাচ দিন দুধে। সবকিছু একটু গরম হওয়ার পর সেমাই দিতে হবে। লাচ্ছা সেমাই হলে সোজা দুধের হাড়িতে ঢেলে দিন। তারপর দুধটাকে একটু ফুটিয়ে নামিয়ে ফেলুন। আর লম্বা সেমাই হলে আগে একটি পাতিলে ঘি কিংবা সয়াবিন তেল ঢেলে একটু লাল লাল করে ভেজে নিন। এরপর ভাজা সেমাই গরম দুধের হাড়িতে ঢেলে একটু ফুটিয়ে হাড়ি নামিয়ে আনুন। ব্যস, হয়ে গেলো আপনার ডিম সেমাই। পরিবেশনের আগে একটু ঠাণ্ডা করে ছোটো বাটিতে নিয়ে নিন। সেমাইর ওপরে কিসমিস, বাদাম, চেরি ছিটিয়ে দিয়ে মেহমানকে পরিবেশন করুন।

চা পাতা না ফেলে কাজে লাগান

দৈনন্দিন জীবনে চা খান না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। ঘরে বা বাইরে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কাপ চা তৈরি হয়। ফেলে দেয়া হয় মণ কে মণ চা পাতা। কিন্তু এই অকাজের চা পাতাও কিন্তু অনেক কাজে ব্যবহার করা যায়। ঘরে যদি টি ব্যাগ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে চা বানানোর পর সেই টি ব্যাগ ফেলে না দিয়ে রেখে দিন। ত্বকের পরিচর্যার সময়ে এই টি ব্যাগ চোখের উপর রেখে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন। চা পাতার কল্যাণে চোখের চারপাশের কাল দাগ বা ডার্ক সার্কেল দূর হয়ে যাবে। এছাড়া চোখের চারপাশের ফোলা ভাব দূর করতেও টি ব্যাগ ভূমিকা রাখে। আপনার ত্বক যদি হয় শুকনো, তাহলে ঠাণ্ডা গ্রিন টি ত্বকের উপর ছিটিয়ে দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে ত্বকের আদ্রতা দূর হওয়ার পাশাপাশি ত্বকের ময়লাও দূর হবে। ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়বে। চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে শ্যাম্পুর মতো করে গ্রিন টি লাগাতে পারেন চুলে। অথবা ব্ল্যাক টি। গ্রিন টি চুলের বৃদ্ধি ঘটাবে আর ব্ল্যাক টি চুল পড়ে যাওয়া ঠেকাবে। চা মাখানোর ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালোমতো ধুয়ে ফেলুন। যাদের পায়ে মোজা পরলে দুর্গন্ধ তৈরি হয় তারা চা পাতার সাহায্য নিতে পারেন। এক হাড়ি পানিতে এক চা চামচ ব্ল্যাক টি দিয়ে ভালো মতো সেদ্ধ করুন। তারপর সেই পানি দিয়ে পা মুছে নিন। দূর্গন্ধ দৌড়ে পালাবে। সাধারণত বেসিনের আয়না কিছুদিন পরই ঘোলাটে হয়ে যায়। আয়নার ঘোলাটে ভাব দূর করতে ব্যবহৃত টি ব্যাগ দিয়ে আয়না ভালো মতো ঘষুন। তারপর আয়না ধুয়ে দেখুন কেমন চকচকে হয়। রান্নাঘরে চুলার আশেপাশের তেল চিটচিটে ভাব দূর করতেও ব্যবহৃত ভেজা টি ব্যাগ ব্যবহার করুন। কারও মুখে ঘা হলে কিংবা দাঁত তোলার পর ব্লিডিং হলে ঠাণ্ডা লিকার দিয়ে ধীরে ধীরে কুলি করুন। রোগ ভালো হয়ে যাবে। চা পাতার সবচেয়ে বড় উপকার হলো ত্বকের ব্রণ নিরাময়ে ভূমিকা রাখা। অল্প একটু চা পাতা দিয়ে লিকার তৈরি করে সেই লিকার দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ব্রণ সারবে অল্প ক’দিনেই।

“ভিনগ্রহীরা পরমাণু যুদ্ধ থামাতে পৃথিবীতে এসেছিল”!

চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন অ্যাপেলো ১৪-এর মহাকাশচারী। ১৯৭১ সালে চাঁদে যাওয়া মহাকাশযান অ্যাপেলো ১৪-এর মহাকাশচারী এডগার মিচেলের দাবি, রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে ঠাণ্ডা যুদ্ধের সময় যে পরমাণু যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তা মিটিয়েছিল ভিনগ্রহী জীবেরা। এমনকী এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে অন্যগ্রহের প্রাণীদের কথা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এডগার। অ্যাপেলো ১৪-এর ষষ্ঠ যাত্রী ছিলেন এডগার।সদ্য এক মার্কিন পত্রিকাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এডগার। তাঁর কথায়, "আর একটু হলে পরমাণু যুদ্ধ হতো। আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে হতে চলা পরমাণু যুদ্ধ থামাতে পৃথিবীতে এসেছিল অন্যগ্রহের বাসিন্দারা। আমার সঙ্গে তাঁদের কথা হয়েছে। তারা পৃথিবীতে শান্তি চায়। তারা বারবার যুদ্ধের বিরোধী।"হঠাত এটা কেন বলেছেন বিজ্ঞানী এডগার? এ বিষয়ে কোনও সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। রসওয়েলে পরমাণু পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম হয় এডগার মিচেলের। নিজের জোরেই এর পর মহাকাশ বিজ্ঞানী হন মেক্সিকান এই মেধাবী ছাত্র।©kolkata24x7

মানুষের মতো ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখে ইঁদুরও!

কে বলে কেবল আমরাই স্বপ্ন দেখে? আমাদের মতো স্বপ্ন দেখে ইঁদুরেরাও। আমাদের থেকে বুদ্ধিতে হয়তো অনেক পিছিয়ে ইঁদুর, তবে আমাদের মতো তারাও নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ভাবে, এমনকী স্বপ্নও দেখে। সদ্য প্রকাশিত ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, মানুষের মতো হিপোক্যাম্পাস দিয়ে ইঁদুরও মানচিত্র অংকন করে। স্বল্পস্থায়ী স্মৃতি দিয়ে দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি তৈরি করার চেষ্টা করে তারা।আসলে স্বপ্ন কী সেই উত্তর খুঁজতে একসময় ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করা হয়েছিল। দেখা গিয়েছিল ইঁদুর যখন কোনও কারণে গন্তব্যে পৌঁছতে পারে না তখন তারা মানুষের মতো মস্তিষ্কে একটা মানচিত্র একে নেয়। এবং সেই মানচিত্র দিয়েই তৈরি করে স্বপ্ন। মানুষও অনেকটা এভাবেই স্বপ্ন বানায়। তবে এখানেই শেষ নয়। কেবল অতীত নয়, আগামী বাঁ ভবিষ্যতের স্বপ্নও দেখে ইঁদুর।©kolkata24x7

Tuesday, August 9, 2016

ক্যানসার থেকে বাঁচতে চান? এই ৫টি জিনিসকে বাড়ি থেকে অবিলম্বে দূর করুন ও শেয়ার করুন।

আমরা অনেক সময়ে এমন অনেক কৃত্রিম, রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে ফেলি যেগুলো আমাদের শরীরের পক্ষে উপকারী তো নয়ই, বরং বেশ ক্ষতিকর। ডাক্তাররা বলছেন, আমাদের নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্রের এমন অনেক কিছু রয়েছে যেগুলো ক্যানসারের কারণ হতে পারে।আধুনিক জীবনে আমরা প্রতি মুহূর্তে চেষ্টা করি আমাদেক বেঁচে থাকাকে সহজতর করার। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গিয়ে আমরা অনেক সময়ে এমন অনেক কৃত্রিম, রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে ফেলি যেগুলো আমাদের শরীরের পক্ষে উপকারী তো নয়ই, বরং বেশ ক্ষতিকর। ডাক্তাররা বলছেন, আমাদের নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্রের এমন অনেক কিছু রয়েছে যেগুলো ক্যানসারের কারণ হতে পারে। এখানে রইল তেমনই ৫টি জিনিসের হদিশ— ১. চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত মিষ্টি: স্যাকারিন জাতীয় জিনিসে সরবিটল, অ্যাকেসুফ্লেম-কে, অ্যাসপারটেম প্রভৃতি উপাদান থাকে যেগুলি ক্যানসারের জন্মদাতা হিসেবে কাজ করে। ২. ননস্টিক কুকওয়্যার: ননস্টিক কুকওয়্যারের উপরের অংশে যে কোটিং-টি থাকে সেটি স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেই ভাল নয়। রান্নার সময় পাত্রটি যখন গরম হয়ে যায় তখন এই কোটিং থেকে ফ্লুওরাইড ভিত্তিক কিছু গ্যাস এবং রাসায়নিক নির্গত হয় যেগুলি কার্সিনোজেনিক, অর্থাৎ ক্যানসারের বীজ হিসেবে কাজ করে। ৩. প্লাস্টিকের বোতল ও খাবার রাখার পাত্র: এই ধরনের জিনিস তৈরির সময় বিসফেনল-এ নামের একটি উপাদান ব্যবহার করা হয় যা প্লাস্টিককে শক্ত করার কাজে লাগে। প্লাস্টিকের বোতল ও টিফিন কেরিয়ারে যখন জল বা খাবার রাখা হয় তখন সেগুলিও এই উপাদানের সংস্পর্শে বিষময় হয়ে ওঠে। সমীক্ষার ফলে দেখা গিয়েছে, এই ধরনের পাত্রে রাখা খাবার বা জল শরীরে গেলে ক্যানসারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। ৪. এয়ার ফ্রেশনার: আমরা ঘরকে সুরভিত করার কাজে এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা থেকে দেখা গিয়েছে, এয়ার ফ্রেশনার স্প্রে করলে এমন কিছু গ্যাস নির্গত হয় যেগুলি সিগারেটের ধোঁয়ার থেকেও বেশি ক্ষতিকর। ৫. ঘর পরিস্কার করার উপাদান: ঘরকে পরিস্কার রাখতে আমরা অনেকেই বাজার থেকে নানা রকমের বোতলবন্দি সাবান জাতীয় জিনিস কিনে আনি। এগুলিতে বিসফেনল-এ, ট্রাইক্লোসান, প্যারাবেন-এর মতো কিছু অত্যন্ত ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকে। যখন এগুলি ঘর মোছার কাজে ব্যবহৃত হয়, তখন শরীরেও তার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। হরমোনের ভারসাম্যহীনতার পাশাপাশি ক্যানসারেরও সম্ভাবনা দেখা দেয় এগুলি ব্যবহারের ফলে। উপরোক্ত জিনিসগুলি ব্যবহার করলেই ক্যানসার হবে, এমন কোনও কথা নেই। তবে সুস্থ থাকতে চাইলে এগুলির ব্যবহার যথাসম্ভব কমানোই উচিত।

Saturday, August 6, 2016

গরম গরম জিলাপি

গরম জিলাপি খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। যাদের মিষ্টি খেতে বারণ তারাও চোখের সামনে জিলাপি দেখলে জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন না। সবসময় বাইরে থেকে জিলাপি কিনে না এনে ঘরেও আপনি জিলাপি বানাতে পারেন। জিলাপি বানানো খুবই সহজ। ঘরে জিলাপি বানাতে চাইলে আপনার লাগবে ৪ কাপ ময়দা। সাথে মাত্র দেড় চা চামচ খাওয়ার সোডা। এছাড়া জাফরান এক চিমটি দিলেই যথেষ্ট। আর গোলাপজল আধা চা চামচ। সবকিছু একসাথে মেশাতে পানি লাগবে ২ কাপ। জিলাপি ডুবো তেলে ভাজার জন্য প্রয়োজন মাফিক তেলও লাগবে। সবশেষে পানি এবং চিনি একসাথে মিশিয়ে জিলাপির সিরা তৈরি করুন। ঠিক কতোটুকু মিষ্টি আপনি খেতে চান সেই অনুযায়ী চিনি মেশান। এবার ময়দা, খাওয়ার সোডা, জাফরান ও গোলাপজল একসাথে মেশান। প্রয়োজন মনে করলে অল্প অল্প করে পানিও মেশাতে পারেন। সবকিছু মেশানোর পর ৪৮ ঘণ্টা রেখে দিন। যখন জিলাপি ভাজতে যাবেন তখন একটি মোটা কাপড় ছিদ্র করে তাতে রেখে দেওয়া মিশ্রণ নিয়ে ডুবো তেলে আপনার ইচ্ছামতো প্যাঁচ দিয়ে জিলাপি বানান। মচমচে করে ভাজার পর তেল থেকে তুলে নিয়ে সিরায় রাখুন। কিছুক্ষণ সিরায় ডুবিয়ে রেখে প্লেটে তুলে নিন। এরপর ঠাণ্ডা হলে পরিবেশন করুন।

তিন পদ মিলে এক ভর্তা

আলু ভর্তা খায় না এমন মানুষ নেই বললেই চলে। আবার করলা ভাজিও কম বেশি খায় সবাই। আর শুটকি ভর্তা পেলে খাবার প্লেটে এক চামচ ভাত বেশি নেন না এমন লোক খুব কমই আছেন। কিন্তু আলু, করলা ও শুটকি – এই তিনটির একসাথে ভর্তা খাওয়া হয়েছে কী কখনো? আজ শিখিয়ে দিচ্ছি ‘আলু-করলা-শুটকি ভর্তা’ কীভাবে বানাতে হয়। আলু সেদ্ধ লাগবে ৪-৫টি। বড় একটা করলা সেদ্ধ করে নিলেই হবে। সাথে চিংড়ি শুটকি ৬-৭টি। আপনি চাইলে কমবেশিও করে নিতে পারেন। শুকনো মরিচ ৪-৫টি। অবশ্যই ভেজে নিতে হবে। তবে ঝাল কম-বেশ করতে চাইলে মরিচ বাড়িয়ে কমিয়ে দিন। দুই চা চামচ পেঁয়াজ কুচি এবং দু’টি কাঁচা মরিচ কুচি। সরিষার তেল ও লবন আপনার পরিমাণ মতো। প্রথমেই আলুর খোসা ছাড়িয়ে আলু গেলে নিন। এরপর সেদ্ধ করলার বিচি ফেলে দিয়ে সেটাও ভালোমতো গেলে নিন। চিংড়ি শুটকিগুলো গরম তাওয়ায় টেলে নিয়ে পিষে গুঁড়ো করুন বা বেটে নিতে পারেন। এবার চিংড়ি বাটা, পেঁয়াজ কুচি, মরিচ কুচি, লবন ও তেল একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর শুকনো মরিচ গুঁড়ো করে দিয়ে দিন। সব মাখানো শেষ হলে আলু ও করলা ঢেলে দিয়ে আবার ভালো মতো মাখুন। সবকিছু পুরোপুরি মেশানো শেষ হলে ছোট গোল গোল করে ভর্তা পরিবেশন করুন।

টাটকা মাছ চিনুন

বাজারে গেলে সবাই চায় একেবারে টাটকা মাছটা কিনে নিয়ে আসতে। দোকানীরাও ব্যাপারটা বোঝেন। তাই বাজারে ক্রেতা ঢুকলেই ‘তাজা মাছ, বরফ ছাড়া টাটকা মাছ’ বলে মাছওয়ালাদের হাঁকডাক শুরু হয়। তাহলে কি বরফ দেয়া মাছ টাটকা নয়? বিজ্ঞান বলে, বরফ দেয়া মাছই বেশি টাটকা। যদি সেটাকে নিয়ম মেনে বরফে রাখা হয়। নিয়ম হলো, ধরার সঙ্গে সঙ্গেই মাছ বরফে রাখতে হবে। নদীর পাড় কিংবা পুকুর পাড়ে মাছের জন্য খুব বেশি ঠাণ্ডার প্রয়োজন পড়ে না। সেখানে স্বাভাবিক মাত্রায় দুই ডিগ্রি থেকে শুরু করে মাইনাস দুই ডিগ্রিতে মাছ রাখতে হবে। সময় যতো গড়াবে ঠাণ্ডার মাত্রা ততো বাড়াতে হবে। তবে সংরক্ষণ করতে চাইলে মাছ আরও ঠাণ্ডায় রাখতে হবে। সেজন্য হিমাগারের তাপমাত্রা মাইনাস ২৩ ডিগ্রি হওয়া উচিত। মাছের শরীরে থাকা কোষগুলো প্রায় সবই পানি দিয়ে তৈরি। বরফে রাখলে সেই কোষগুলো জমে যায়। ফলে সেখানে কোনো ব্যাকটেরিয়া বাস করতে পারে না। মাছও টাটকা থাকে। কিন্তু ধরার পর পর বরফে না রাখলে মাছের শরীরের কোষগুলো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে পঁচতে থাকে। মাছও আর টাটকা থাকে না।

Friday, August 5, 2016

আগামী বছরেই সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরী সুপার কম্পিউটার নির্মাণ করে ফেলবে ভারত

আগামী বছরেই সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরী সুপার কম্পিউটার নির্মাণ করে ফেলবে ভারত। প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের দায়িত্বে রয়েছে সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অফ অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং, যারা অতীতে দেশের প্রথম সুপার-কম্পিউটার‘পরম’-এর নির্মাণ করেছে। রবিবার এই কথা জানান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত মন্ত্রকের সচিব আশুতোষ শর্মা। জানা গিয়েছে, গত বছর মার্চ মাসে ন্যাশনাল সুপারকম্পিউটিং মিশন-এর প্রস্তাবিত প্রকল্পকে অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। এর আওতায় আগামী সাত বছরে ৮০টি সুপার-কম্পিউটারতৈরি করা হবে। এর মধ্যে কিছু বিদেশে রফতানি করা হবে। বাকিগুলি দেশেই থাকবে। আগামী বছরের আগস্ট মাসে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত প্রথম সুপার-কম্পিউটারের নির্মাণ সম্পূর্ণ হবে। শর্মা জানান, বর্তমানে এই সুপার-কম্পিউটারথেকে উৎপন্ন তাপকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা চলছে। তিনি জানান, এই সুপার-কম্পিউটারচালু রাখতে শুধু বিদ্যুৎ খরচ হবে অন্তত এক হাজার কোটি টাকার সমান। জানা গিয়েছে, এই সুপার-কম্পিউটারগুলিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাখা হবে। জলবায়ু নিরিক্ষণ থেকে শুরু করে আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং ওষুধের গবেষণায় কাজে এই সুপার-কম্পিউটারব্যবহার করা হবে। বর্তমানে বিশ্বের সুপার-কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, চিন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের হাতে রয়েছে। নিজস্ব সুপার-কম্পিউটারতৈরি করতে সমর্থ হলে ভারত এই এলিট ক্লাবের সদস্য হয়ে যাবে। ‪

ভারত সম্পর্কে কিছু চমকপ্রদ তথ্য যা অনেকের অজানা।

ভারত সম্পর্কে কিছু চমকপ্রদ তথ্য যা অনেকের অজানা। ১. ভারতের সড়কজাল : ভারতের মোট রাস্তার দৈর্ঘ্য ৪৭ লাখ কিলোমিটার। এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম। আর এ রাস্তা সোজাপথে করা হলে তা দিয়ে সম্পূর্ণ পৃথিবীকে ১১৭ বার আবর্তন করা সম্ভব। ২.বিশ্বের সবচেয়ে আর্দ্র এলাকা ভারতে : ভারতের চেরাপুঞ্জিকে বিশ্বের সবচেয়ে আর্দ্র এলাকা হিসেবে পরিচিত করানো হয়েছে। তবে তার পাশের আরেকটি শহর মোহসিনরামকেও সবচেয়ে আর্দ্র এলাকা হিসেবে দাবি করা হয়। মোহসিনরামে বছরে বৃষ্টিপাত হয় প্রায় ৪৬৭.৩৫ ইঞ্চি বা প্রায় ৩৯ ফুট। অন্যদিকে চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত হয় ৪৬৩.৬৬ ইঞ্চি। ৩.বিপুল সংখ্যক তরুণ :২০২০ সালে ভারতে মানুষের গড় বয়স হবে ২৯ বছর। দেশটিতে ১৫-৩৪ বছরের জনসংখ্যা ২০১১ সালে ছিল ৪৩ কোটি এবং ২০২১ সালে তা ৪৬ কোটিরও বেশি হবে। ৪. শীর্ষ ধনীর সমারোহ: ভারতের ২৫ জন শীর্ষ ধনীর সম্পদ একত্র করলে ১৭৪.৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়, যা ইউক্রেনের মোট জিডিপির সমান। ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানি। তার সম্পদের পরিমাণ ২৪.২ বিলিয়ন ডলার। ৫. বিপুল চিকিৎসা সফর : ভারতে চিকিৎসার খরচ বেশ কম ও গুণমানও খুব ভাল । এ কারণে বিশ্বের বহু দেশ থেকেই ভারতে চিকিৎসার জন্য লোকজন আসে। এ খাত থেকে আগামী বছর ২০০ কোটিরও বেশি অর্থ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর এ অর্থ গ্রিনল্যান্ডের মোট জিডিপির প্রায় সমান। ৬.বিপুল কয়লা মজুদ : ভারতে মজুদ রয়েছে ২৭৫ বিলিয়ন টন কয়লা। আগামী ২০ বছরে এ দেশটি যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা ব্যবহারকারীতে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর এ বিপুল কয়লার অধিকাংশই বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় হবে। ৭.বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান বাড়ি ভারতে : ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানির ব্যক্তিগত বাড়ি ‘অন্তলিয়া l এই বাড়ির পেছনে খরচ হয়েছে প্রায় একশ কোটি ডলার l শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির এই বাড়িটি ২০১০ সালে তৈরি হয়। ২৭ তলা বাড়িটির মোট আয়তন চার লক্ষ বর্গ ফুট, দৈর্ঘ্য ৫৬০ ফুট। দামের নিরিখে ‘বাকিংহাম প্যালেসে’র পরেই ‘অন্তলিয়া’র স্থান। যদিও, ‘বাকিংহাম প্যালেস’ ব্রিটেনের সরকারি সম্পত্তি। এটি সোমালিয়ার মোট জিডিপির প্রায় সমান। ৮. যমজ সন্তান : কেরলের মালাপ্পুরম জেলাতে রয়েছে যমজদের শহর। যার নাম কোদিনহি। এ শহরে প্রতি ১০০০ জন্মের মধ্যে ৪৫ যমজ। ৯.শ্রীকান্ত জিচকার : এখন পর্যন্ত ভারতের সবচেয়ে বড় বিদ্বান। জিচকার একাধারে ছিলেন আইএএস, আইপিএস, আইনজীবী, চিকিৎসক, সংস্কৃতে ডি লিট। এমনকী বিশ্ববিদ্যালয়েরসর্বোচ্চ ডিগ্রির অধিকারী। পাশাপাশি ছিলেন অভিনেতা, ফোটোগ্রাফার, রেডিও অপারেটর। মাত্র ২৫ বছর বয়সে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৪টি পোর্টফোলিও ছিলো তার। ছিলো ২০টি ডিগ্রি। ২৮ঠি গোল্ড মেডেল ও ৫২ হাজার বইয়ের লাইব্রেরির অধিকারীও ছিলেন তিনি। ১০. কম্পিউটার উপযোগী শব্দ সংস্কৃত: প্রাচীন ভারতীয় ভাষার থেকেই জন্ম নিয়েছিল ইউরোপের বিভিন্ন ভাষা। ইংরাজি বর্ণমালার অনেক শব্দও এই সংস্কৃত থেকেই নেওয়া। আধুনিক প্রযুক্তির কম্পিউটার সফটওয়্যারেও খুব স্বচ্ছন্দ সংস্কৃত শব্দ।

মন জুড়াবে কাঁচা আমের শরবত

গাছে গাছে বড় হতে শুরু করেছে আমের মুকুল। কোথাও কোথাও কাঁচা আমও পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচা আম পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। কাঁচা আমের ভর্তা, ডালের সাথে কাঁচা আম কিংবা কাঁচা আমের আচার কিংবা শরবত, কতো উপায়েই না খাওয়া যায় এই ফলটি। চলুন আজ কাঁচা আমের শরবত বানানো দেখা যাক। কাঁচা আমের শরবত বানাতে খুব বেশি উপকরণের প্রয়োজন পড়ে না। তিনজন মানুষের জন্য দু’টি মাঝারি সাইজের কাঁচা আম, দু’টি কাঁচা মরিচ, কিছু পুদিনা পাতা, চিনি পরিমাণ মতো, এক চিমটি বিট লবন ও বরফের টুকরো। বরফের টুকরোর বদলে ঠাণ্ডা পানিও দিতে পারেন। প্রথমেই আম দু’টো পুড়িয়ে নিন। পুড়িয়ে নিলে আমের ভিতরের অংশটুকু নরম হয়ে যাবে। পোড়ানোর পর আম ঠাণ্ডা হয়ে এলে আমের খোসা ছাড়িয়ে নিন। এরপর চামচ কিংবা ছুরি দিয়ে আম ছাড়িয়ে নিয়ে ব্লেন্ডারে দিন। পরিমাণ মতো পানি দিয়ে সবকিছু মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন। এর সাথে এক চিমটি বিট লবন দিন। সাথে বরফের টুকরোও দিয়ে দিতে পারেন। এবার গ্লাসে নিয়ে পরিবেশন করুন। গ্লাস কীভাবে সাজাবেন সেটা নয়তো আপনিই ঠিক করুন।

বানান ডালের রুটি

ডালের রুটি খাওয়ার অভিজ্ঞতা ক’জনেরই বা আছে। চাইলেই ঘরে বসে ডালের রুটি বানিয়ে পরিবারের সবাইকে পরিবেশন করতে পারেন। সবাই মিলে আনন্দ করার পাশাপাশি নতুন কিছু খাওয়াও হবে। ডালের রুটি বানাতে হলে ডাল ও ময়দা আলাদা আলাদাভাবে প্রথমে তৈরি করে নিতে হবে। সাধারণত বিকেলের নাশতায় চারজন খাওয়ার জন্য এক কাপ ডাল নিতে পারেন। সাথে আধাকাপ পেঁয়াজ কুচি। লবন ও জিরার গুঁড়া এক চা চামচ। হলুদ আধা চা চামচ দিলেই হবে। এছাড়া কাঁচা মরিচ ২-৩টি এবং ধনে পাতা কুচি আধা কাপ নিতে হবে। প্রথমেই ধনে পাতা বাদে বাকি সব কিছু দুই কাপ পানিতে দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। যখন পানি শুকিয়ে যাবে তখন দুই চা চামচ অথবা পরিমাণ মতো তেল দিন। এবার ধনে পাতা কুচিও দিয়ে দিন। ভালো মতো নাড়তে থাকুন যেনো পাতিলের সাথে লেগে না যায়। সব জমে গিয়ে একটু শক্ত হয়ে সারলে চুলা থেকে পাতিল নামিয়ে ফেলুন। আলাদা একটি বাটিতে নিয়ে নিন। এবার রুটি বানাতে দুই কাপ ময়দা নিন। এক চিমটি লবনসমেত হালকা গরম পানি তৈরি করুন। পরিমাণ মতো গরম পানি দিয়ে ময়দা ভালো মতো মাখিয়ে নিন। সবকিছু তৈরি হয়ে গেলে সেদ্ধ ময়দা বিশ মিনিট ঢেকে রাখুন। ডালের রুটি বানাতে প্রথমে ছোট ছোট রুটি বানাতে হবে। তারপর দুই রুটির মাঝখানে বেশি করে ডাল দিয়ে রুটির চারপাশ বন্ধ করুন। এবার গরম তাওয়ায় মাঝারি আঁচে ভেজে নিন। একটু পোড়া পোড়াভাব এলে চুলা থেকে উঠিয়ে নিন। তারপর তৈরি ধনে পাতার চাটনিসহ পরিবেশন করুন।

আজকের দিনে ইলিশের খিচুড়ি

বলা নেই, কওয়া নেই, হঠাৎ বৃষ্টি এসে ছাপিয়ে দিচ্ছে সব। জানালা দিয়ে বৃষ্টির ছাঁট এসে হয়তো মনটাই খারাপ করে দিচ্ছে কারও কারও। এমন দিনে আসলে নস্টালজিক হতে কার না মন চায়। হঠাৎ হঠাৎ এমন বৃষ্টির দিনে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন রান্নাবান্নায়। চলুন আজ দেখে নেই কীভাবে ইলিশ খিচুড়ি রান্না করবেন। এই খিচুড়ি রান্না করতে লাগবে ৫০০ গ্রাম মোটা ভাতের চাল। এর সাথে মসুরের ডাল, মুগ ডাল, বুটের ডাল মিলিয়ে আরও ৫০০ গ্রাম। ১ কাপ টুকরো করা পেঁয়াজ, রসুনের টুকরো ও মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, আদা টুকরা ও হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ। সাথে আপনার স্বাদ অনুযায়ী কাঁচামরিচ এবং লবণ ও সরিষার তেল আপনার প্রয়োজন মতো। এবং সবশেষে ২টি তেজপাতা। খিচুড়ির সাথে মাছ রান্না করতে লাগবে পরিবারের সদস্য অনুযায়ী পর্যাপ্ত সংখ্যক ইলিশ মাছের টুকরা। হলুদ গুঁড়া ও মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ এবং আধা কাপ বাটা পেঁয়াজ। বাকি সব আগের মতোই, অর্থাৎ আপনার স্বাদ অনুযায়ী কাঁচামরিচ, লবণ ও সরিষার তেল। রান্না করতে হলে প্রথমেই প্রথমে ইলিশ মাছের টুকরাগুলো ভালোমতো ধুয়ে নিন। এবার সব বাটা ও গুঁড়া মসলা, লবণ, কাঁচামরিচ মাছের টুকরোতে মাখিয়ে এক জায়গায় রাখুন। তারপর কড়াইয়ে তেল গরম করে মাছগুলো রান্না করুন। এরপর চাল ও ডাল একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এর আগে অবশ্যই বুটের ডাল সেদ্ধ করে রেখে দিতে হবে। এবার পাতিলে চাল ও ডাল, মসলা, লবণ, কাঁচামরিচ, তেজপাতা এবং তেল মাখিয়ে নিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। খিচুড়ি হয়ে আসলে গরম গরম খিচুড়ির সাথে রান্না করা মাছ দিয়ে সবার সামনে পরিবেশন করুন।

ফোনের দাম ১১ লাখ টাকা!

একটি ফোনের দামই টয়োটা গাড়ির সমমূল্যের। ভাবছেন, বিষয়টি একেবারেই গালগল্প? একেবারেই নয়, সম্প্রতি ইসরাইলের প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিরিন ল্যাবস বাজারে এনেছে তাদের তৈরি প্রথম স্মার্টফোন। যার দাম রাখা হয়েছে ১৪ হাজার ডলার! এই দামে একটি ১৩০০ সিসির টয়োটা রিকন্ডিশন গাড়ি অনায়াসেই ক্রয় করা যাবে। ফোনটির নাম রাখা হয়েছে 'দ্য সলেরিন'। শুধু দাম নয়, ফোনটিতে ব্যতিক্রমী কিছু ফিচারও যোগ করা হয়েছে। যা গ্রাহককে অত্যাধিক নিরাপত্তা প্রদান করবে বলে জানিয়েছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। ফোনটিতে যে বৈশিষ্টগুলো রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ফোন কল এবং বার্তার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পাওয়া যাবে। টাইটানিয়াম- ক্ল্যাড নামে বিশেষ এক অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে ফোনটিতে। তবে এটি পরিবর্তন করে কেউ চাইলে সাধারণ অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমেও চালাতে পারবে। এই ফোনের কোন তথ্যের এক শতাংশ ফাঁস হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। ফোনে ব্যবহৃত ২৫৬ বিট এইএস এনক্রিপশন ডাটা ফোনটিকে নিরাপদে রাখবে। এতে আরও রয়েছে ৫.৫ ইঞ্চির কিউএইচডি আইপিএস এলসিডি ৪কে ডিসপ্লে। স্ন্যাপড্রাগনের ৮১০ চিপস এবং ৪ জিবি র‌্যাম। পাশাপাশি বিল্ট ইন মেমোরি রয়েছে ১২০ জিবি। হ্যান্ডসেটটিতে কোন অতিরিক্ত মেমোরি কার্ড ব্যবহারের সুযোগ নেই। ফোনটি বানানো হয়েছে এক ধরণের চামড়া দিয়ে যা দেখতে কার্বন ফাইবারের মতো। ফোনটিতে ব্যাটারি রয়েছে ৪,০৪০ মিলি অ্যাম্পিয়ার আওয়ারের। অনেকেই বলছে, ফিচারের দিক থেকে ১১ লাখ টাকার এই ফোনটি স্যামসাংয়ের এস সেভেন এজ অথবা আইফোনের সিক্স এস প্লাসের চেয়েও পিছিয়ে রয়েছে। উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে বিশেষ কোন বৈশিষ্ট্যের খোঁজ মিলেনি দ্য সলেরিনে।

মজাদার ডিম পরোটা

ধনী-গরিব সবার খাবারের তালিকাতেই স্থান করে নিয়েছে ডিম। সকালের নাস্তায় ডিম ভাজি বা পোচ কিংবা দুপুর-রাতে ডিমের তরকারি খুব একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। এছাড়া অধিকাংশ খাবার তৈরীতেও ডিমের প্রয়োজন হয়। আজ দেখুন ডিম দিয়ে কীভাবে পরোটা তৈরি করবেন।ডিম পরোটা তৈরীতে প্রয়োজন হবে ময়দা, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, ঘি অথবা তেল, লবণ এবং ডিম। দুইজনের জন্য ডিম পরোটা বানাতে দরকার হবে দুই কাপ ময়দা, একটা মাঝারি সাইজের পেঁয়াজের কুচি, দুইটা কাঁচা মরিচ কুচি, দুইটা ডিম, ঘি বা তেল এবং লবণ পরিমাণ মতো। প্রথমে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ ভালো করে ধুয়ে কুচি করে কেটে একটা পাত্রে নিন। এবার অন্য একটি পাত্রে ডিম দুটো ফাটিয়ে নিয়ে রাখুন। এরপর ময়দা, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ ও ডিম একসাথে মিশিয়ে নিয়ে ভালো মতো কাই তৈরী করুন। কাই একটু শক্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার পরোটার জন্য পরিমাণ মতো কাই নিয়ে তেল দিয়ে পরোটা বেলুন। ততোক্ষণে চুলায় তেল বা ঘি গরম হয়ে এলে একটা একটা করে পরোটা ভেজে তুলুন। এইবার এই পরোটা গরম গরম পরিবেশন করুন সবাইকে।