Thursday, February 25, 2016

এমন সব জিনিস যা সব ভূগোল বইতে নেই, কিন্তু জেনে রাখা উচিত

ছোটবেলা থেকে তো ভূগোল বই কম পড়েননি। জানি অনেক বলবেন, 'শুধু পড়িনি, ভাল নম্বরও পেয়েছি।' আচ্ছা তাহলে নিন আমি এমন সব ভৌগলিক তথ্য দেব যা মিলিয়ে দেখে নিন ভূগোল বইতে সব পড়েছেন কি না। মুম্বইয়ের চেয়ে ব্যাঙ্কক কলকাতার থেকে কাছে। বিমানে কলকাতা থেকে মুম্বইয়ের দূরত্ব ১৬৬০ কিলোমিটার, সেখানে কলকাতা থেকে ব্যাঙ্ককের দূরত্ব ১৬১৪ কিলোমিটার। ঠিকযেমন দিল্লি থেকে কাবুলের দূরত্ব, দিল্লি থেকে মুম্বইয়ের চেয়ে কম। মহাকাশ থেকে খালি চোখে চিনের প্রাচীর দেখা যায় এটা তো ছোটবেলা থেকেই শুনেছেন। খুব স্পষ্ট না হলেও মহাকাশ থেকে চিনের প্রাচীরকে দেখায় বাদামী একটা রেখার মত। কিন্তু এটা জানেন কী শুধু চিনের প্রাচীর নয় ২০০০ সালে তৈরি ব্রিটিশদের তৈরি বড় সাদা 'মিলেনিয়াম ডোম'ও মহাকাশ থেকে খালি চোখে বেশ স্পষ্ট দেখা যায়। বিশেষ করে রাতে 'মিলেনিয়াম ডোম'-এ আলো জ্বালালে বেশ পরিষ্কার দেখা যায়। চিন নয় এখনও বিশ্বের বৃহত্তম দেশের নাম রাশিয়া।রাশিয়ার মোট আয়তন প্লুটো গ্রহের থেকেও বড়। এটি পৃথিবীর এক-সপ্তমাংশ জায়গা দখল করে আছে।। বাহামাসের জাতীয় পাখি হল ফ্ল্যামিঙ্গো। অস্ট্রেলিয়া হল একমাত্র মহাদেশে কোনও জীবিত আগ্নেয়গিরি নেই। অ্যান্ডোরার মানুষদের গড় আয়ু ৮৫ বছর। বিশ্বের যে দেশের মানুষের চেয়ে বেশিদিন বাঁচে আন্ডোরার মানুষ। আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশের নাম সুদান আফগানিস্তানের জাতীয় খেলার হল বুজকাশি। বাংলায় যার মানে ছাগল ধরা। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যাক মানুষ প্যারিস ঘুরতে যায়। প্রতি বছর গড়ে ৭ কোটি ৮০ লক্ষের মত পর্যটকের ভিড় হয় আইফেল টাওয়ারের শহরে। ইস্তানবুল (তুর্কি) হল বিশ্বের একমাত্র শহর যে দুটি মহাদেশে অবস্থিত। পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘতম শহরের নাম হুলুনবুইর (মঙ্গোলিয়া)। দৈর্ঘ্য 263,953 km2। ইজিপ্টকে পিরামিডের দেশ বলে। কিন্তু জানেন কী পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পিরামিড মেক্সিকোতে অবস্থিত। অথচ আমাদের কাউকে প্রশ্ন করলে বলতেও পারব না মেক্সিকোতে আদৌ কোনও পিরামিড আছে কি না। পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্কতম অঞ্চলের নাম রস আইসল্যান্ড, আন্টাকটিকা। ১০ লক্ষ বছর ধরে এখানে বৃষ্টি হয়নি। ভারত থেকে ইটালি শুধু চারটে দেশ দূরে। পাকিস্তান, ইরান, তুর্কি, গ্রিস পেরোলেই আমরা ইতালি পৌঁছে যাব। http://zeenews.india.com/bengali/lifestyle/oh-no-you-should-know-it_137126.html

Friday, February 19, 2016

তুমি কি প্রেম করবে? বিয়ে করার জন্য মেয়ে খুজছো? মেয়েদের সম্পর্কে জানতে চাও?

তুমি কি প্রেম করবে? বিয়ে করার জন্য মেয়ে খুজছো? মেয়েদের সম্পর্কে জানতে চাও? তবে যেনে নাও কোন ধরনের মেয়ে কেমন হয়?. . . ১। যে মেয়ে মোবাইলে খুব সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলতে পারে, আসল সেই মেয়ের গায়ের রং কালো হয়। . . ২। যে মেয়ের নাক ঘামে, স্বামীর জন্য সেই মেয়ের ভালোবাসা থাকে অনেক বেশী। তাদের সংসার হয় সুখের। . . ৩। যে মেয়ের চুল লম্বা হয়, সেই মেয়ে অহংকারী হয়। . . ৪। যে মেয়ে হাসি দেওয়ার সময় গালে ঢোল পড়ে, সেই মেয়ের লজ্জা বেশী। . . ৫। যে মেয়ে কথা বলার সময় কপালে ভাজ পড়ে, সেই মেয়ের রাগি টাইপের হয়। . . ৬। যে মেয়ে কথায় কথায় কান্না করে, সেই মেয়ে ধোকাবাজ হয়। . . ৭। যে মেয়ের হাসি যতো সুন্দর, সেই মেয়ে প্রতারনায় ততো পটু। প্রতারনা করতে দিধা করেনা। . . ৮। যেই মেয়ের আঙ্গুলে আংটি পড়ে, বুঝে নিতে হবে সেই মেয়ের প্রেমিক আছে।. . .

Saturday, February 13, 2016

Internet Slang Words

এমনই কিছু Internet Slang Words-এর কথা বলা হল যেগুলো আপনার কাজে লাগতে পারে। কখন কীভাবে ব্যবহার করা যায়, পুরো মানেটাই বা কী হয়। খুব উপভোগ করার পরামর্শ দিতে YOLO - You Only Live Once ---------------- সত্যি কথা বলার আগে TBH - To Be Honest ---------------- আপনি সত্যিই জানি না বলতে IONO - I Don't Know ------------- আর দরকার নেই বলতে SNM - Say No More ----------- কথা বলতে চাইলে TTY - Talk To You ------------ মনের মিল হলে H2H - Heart To Heart ---------- ইয়ার্কি মারার পর IJK - I'm Just Kidding ------- শুভেচ্ছা জানাতে GL - Good Luck ------------- দ্বিধা কাটাতে DBA-- Don't Bother Asking --------- তাড়াতাড়ি করার কথা বললে QAP - Quick As Possible ------ কোনও কিছুর খুব গুরুত্ব বোঝাতে VBD-- Very Big Deal ---------- বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় FHO-- Friends Hanging Out ---------- কাউকে কোনও কিছু জানাতে হলে INCYDK-In Case You Didn't Know --------- কোনও কিছু বলতে বা দেখাতে না চাইলে 403-Deny Access To ---------- কাউকে ধন্যবাদ জানাতে হলে YSVW---You're So Very Welcome ------------ কোনও বড় লেখার অনিচ্ছা প্রকাশ করলে TLTR Too Long To Read ------------- জানি না বলতে IONO - I Don't Know ------- কোনও কিছু স্বীকার করতে TBH - To Be Honest সংগৃহীত। LOL = Laugh Out Loud! আর এগুলো তো সভ্যকথা, Slang এর কী আছে? Slang হল এই রকম— IDGAF = I Dont Give a Fuck ATM = Ass To Mouth BC = Bak Chod (ভারতীয়)

Friday, February 12, 2016

চুমুর প্রকারভেদঃ

চুমুর প্রকারভেদঃ ~~~~~~~~~ ● ফ্রেঞ্চ কিস- ঠোঁটের গভীরে কথা হয় এই চুমুতে। জিভ ছুঁয়ে যায় মুখের ভিতরের জমি। বিশ শতকের শুরুতে ফ্রান্সে এই ধরনের চুমুর প্রচলন শুরু হয়েছিল। ফরাসীরা বরাবরই যৌনতায় নতুন ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করতে ভালবাসে। সেখান থেকেই এই চুমু আর তার নামের উৎপত্তি। ● এস্কিমো কিস- নাকে নাক ঘষে আলতো আদর। এই হল এস্কিমো কিস। প্রথম এই বিষয়টি সকলের নজরে পড়ে এস্কিমোদের জীবন নিয়ে ১৯২২ সালে তোলা রবার্ট ফ্লহার্টি-র পৃথিবীবিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘নানুক অফ দ্য নর্থ’-এ। ● সিঙ্গেল লিপ কিস- একজনের ঠোঁটের ফাঁকে যখন আর একজনের ঠোঁট থাকে, অনেকটা স্যান্ডউইচের মতো, তখন তাকে বলে সিঙ্গেল-লিপ কিস। প্রেমের প্রথমদিকে কাঁপা কাঁপা ঠোঁটে এমন কিস খুবই রোম্যান্টিক। ● বাটারফ্লাই কিস- চুমু খাওয়ার সময় যদি দুজনের চোখের পাতা একে-অপরকে ছুঁয়ে যায়, তবে প্রজাপতির পাখার মতো ডানা ঝাপটায়। যা বাটারফ্লাই কিস নামে পরিচিত। ● ম্যারাথন কিস- এমন চুমুর কোনো সময়জ্ঞান থাকে না। এ হলো অনন্ত চুম্বন যার শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই। ● স্পাইডারম্যান কিস- স্পাইডারম্যানেরমতো উল্টো হয়ে প্রেমিকাকে বিছানায় শুয়ে মিষ্টি চুমু খেতে পারেন। যা স্পাইডারম্যান কিস নামে পরিচিত। ● লিপ গ্লস কিস- সঙ্গীর ঠোঁটে লিপ গ্লস বা লিপস্টিক মাখিয়ে দেওয়া হয় আগে। তার পর চলে চুম্বন যতক্ষণ না একজনের ঠোঁটের রং সম্পূর্ণভাবে চলে যায় অন্যজনের ঠোঁটে। ● লিজি কিস- জিভ দিয়ে একে অপরের ঠোঁট চুষে খাওয়ার নাম হল লিজি কিস। ব্যাপারটা অনেকটা চুষে চকলেট খাওয়ার মতো। ● অ্যাঞ্জেল কিস- অ্যাঞ্জেলরা ঘুমের মধ্যে এসে চোখের পাতায় চুমু দিয়ে যায়। প্রেমে কতটা মাধুর্য রয়েছে তা বোঝা যায় এই চুমুতে। ● টিজিং কিস- ঠোঁট ছাড়িয়ে সারা শরীরে যখন ছড়িয়ে যায় চুমু, তখন তাকে বলে টিজিং কিস। যত ভাল হয় এই চুম্বন, ততই জমে ওঠে শয্যাখেলা। ● আইসি কিস- একটি ছোট্ট আইস কিউব থাকে দুই ঠোঁটের মধ্যে, যা চালাচালি হয় একে অপরের মুখে । শিহরণে উত্তেজক হয়ে ওঠে চুম্বন, যা আইসি কিস নামে পরিচিত। ● জুসি কিস- বরফের বদলে একটি রসালো ফল নিয়ে এই চুমু। আদরে আদরে ফলের নির্যাসটুকু এক ঠোঁট থেকে অন্য ঠোঁটে ছড়িয়ে যায়, আর ক্রমেই আরও সুস্বাদু হয়ে ওঠে আদর। ● টিথ বাইট কিস- গভীর চুমু খেতে খেতে দাঁত যখন সক্রিয় হয়ে ওঠে তখন চুমুর নামও পাল্টে যায়। অবশ্যই আগ্রাসন বোঝায় এই চুমু। কিন্তু প্রেমময় আগ্রাসন। ● ভ্যাম্পায়ার কিস- যেমন রক্তচোষারা দাঁত বসায় ঘাড়ে, তেমন করেই আলতো করে কামড়ে কামড়ে চুমুই হল ভ্যাম্পায়ার কিস। ঠিকঠাক এই চুমু খেলে উত্তেজনা বাড়ে প্রবল ভাবে। ● অ্যাবস্ট্রাক্ট কিস- ঠোঁট থাকে দূরে দূরে। কিন্তু কথা হয় জিভে জিভে। গভীর বন্ধুত্ব আর উদ্দাম যৌনতায় বার বার ঘটে যায় এমন চুমু।

Thursday, February 11, 2016

১ টাকার কয়েন পানিতে ভাসলেই ৫ কোটি টাকা!

‘ধাতব মূদ্রা পানিতে ভাসলেই টাকা! লাখ লাখ, কোটি কোটি টাকা! কত নেবেন, কত নিতে পারবেন! রুম ভর্তি টাকা! যা নিতে পারবেন তুলে নিয়ে আসবেন! শুধু মূদ্রা পানিতে ভাসলেই হলো!’ এ ভাবেই একজনকে বলছিলেন ক্রেতার নিয়োগ করা কেমিস্ট। জবাবে তিনি বলছিলেন, টাকা নেওয়ার ব্যবস্থা হবে। প্রয়োজনে ইউরো নেবো। বহনে সুবিধা হবে। এক বান্ডিলে অনেক টাকা হবে। তখন কেমিস্ট বলছিলেন, আর একটা কাজ করতে পারেন। আমরা বিদেশি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট করে দেবো। কার্ড দিয়ে টাকা তুলবেন। প্রয়োজনে এদেশে নাই-বা থাকলেন। টাকা হলে কি আর দেশে থাকার দরকার আছে? ইতালি বা আমেরিকায় থাকবেন। এই প্রতিবেদক মাত্র একবারই সেই কেমিস্টের সাক্ষাৎ পেয়েছেন। পরে তাকে আর পাওয়া যায় নি। তিনি একজন ক্রেতার অধীনে ৬০ হাজার টাকা বেতনে কাজ করেন। সেই কেমিস্টের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ধাতব মূদ্রা বলতে বোঝায় কয়েন। এখন আমাদের দেশে এক, দুই ও পাঁচ টাকার কয়েন রয়েছে। এই কয়েন বিক্রি করা যায় না। বিক্রির জন্য কিছু বিশেষ কয়েন এবং বিশেষ বৈশিষ্ট্যের দরকার। জানা যায়, ১৭১৭, ১৮১৮ ও ১৮৩৯ সালের কয়েন বিক্রি হয়। এতে বটগাছ, উস্তেলতা, জোড়া ডাব, খেজুরগাছ ও রানী মার্কা থাকে। কয়েন হতে পারে তামার বা রূপার। অবশ্যই সেই কয়েন হতে হবে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এবং তাতে আরবি, ফার্সি বা উর্দু লেখা থাকলে চলবে না। কেমিস্টের ভাষ্যমতে, এই ধরনের একেকটি কয়েনের দাম ৫ কোটি টাকা থেকে ৫শ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে দাম নির্ভর করে কয়েনটি পানিতে ছেড়ে দিলে ভাসে কি না তার ওপর। কোন কয়েন কতো তাড়াতাড়ি ভাসলো আর কতক্ষণ ভেসে থাকলো তা দেখা হয়। যত কম সময়ে ভেসে উঠবে তত বেশি দাম হবে। পানিতে ভাসার পরীক্ষাও করা হয় বিশেষ কায়দায়। এই পরীক্ষার ক্ষেত্রে কাঁচের বোতল বা জার ব্যবহার করা চলে না। প্লাস্টিকের বোতল কেটে তাতে পানি ঢেলে সেই পানিতে কয়েনটি ছাড়া হয়। ২০ মিনিটের মধ্যে সেটি ভেসে উঠলে বুঝতে হবে এর কার্যকারিতা আছে। আর না ভাসলে কার্যকারিতা নেই। ২০ মিনিট সময়ের আগেও ভেসে উঠতে পারে। যদি কয়েনটি পিতল, কাসা বা লোহায় তৈরি কোন পাত্রে দীর্ঘদিন রক্ষিত থাকে তাহলে এর কার্যকারিতা লোপ পায় এবং তা ভেসে উঠে না। এটা হল প্রাথমিক পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় টিকে গেলে অর্থাৎ কয়েন পানিতে ভেসে উঠলে তার ছবি তুলে ক্রেতার কাছে পাঠানো হয়। সেখানে বাকি পরীক্ষা করা হয়। ওজনেরও একটা পরীক্ষা রয়েছে। এ ছাড়া কয়েনের উপর চিনি রাখলে চিনি গলে যায় কিনা সেটাও লক্ষ্য করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কেবল ১৮১৮ সালের কয়েনে যদি বটগাছ মার্কা থাকে তাহলে সেটা পানিতে না ভাসলেও বিক্রি করা যায়। এর দাম মেলে দুই থেকে চার লাখ টাকা। জাগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান বলেন, ‘এই কয়েন কি কাজে ব্যবহার করা হয় তা সঠিকভাবে জানা নেই। দামী কোন গহনা তৈরিতে ব্যবহার করা হতে পারে।’ এই কয়েন বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা যায়- এটা শুনে অবাক হন জাগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. পরিমল বালা। তিনি বলেন, ‘কয়েনের আসলে কোন কার্যকারিতা আছে কিনা তা আমার জানা নেই।’ সংশ্লিষ্টরা জানান, লাভবান হওয়ার আশায় অনেকে নকল কয়েন বানিয়ে বিক্রির চেষ্টা করে ব্যর্থ হচ্ছেন। কয়েন যাতে পানিতে ভাসে তার জন্য অনেকে স্বর্ণকারের স্মরণাপন্ন হন। সেখানে নকল কয়েন বিশেষভাবে কেটে ভেতরে খোল বানানো হয়। এই খোলের মধ্যে শোলা বা কর্ক জাতীয় বস্তু ঢুকিয়ে মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয় যাতে কয়েন পানিতে ভেসে থাকে। তবে এই প্রক্রিয়ায় সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ, ক্রেতা নিজে বা তাদের কেমিস্টরা কয়েনের ওজনও মেপে দেখেন। খোল বানালে কয়েনের ওজন কমে যায়। কয়েনের সন্ধানে ঘোরা এক ব্যক্তি সম্প্রতি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তিনি একটি কয়েন দেখতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেটি আসল নয়। এখন পর্যন্ত আসল কয়েন তিনি পাননি। তিনি বলেন, ‘যার কাছে কয়েন দেখতে গিয়েছিলেন সেই ব্যক্তি এর পেছনে অনেক টাকা খরচ করেছেন। কিন্তু আসল কয়েন তিনিও পাননি। শুধুই টাকাই ঢেলেছেন।’ উল্লেখ্য, আসল কয়েন পাওয়া না গেলেও এ প্রতিবেদক নকল কয়েনের ছবি সংগ্রহ করেছেন। সংশ্লিষ্টরা বলেন, কেবল রাজধানী ঢাকায় নয়, বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গায় এ ধরনের কয়েন বেচাকেনার চক্র আছে। অনেকেই কয়েন বেচাকেনায় সর্বশান্ত হয়েছেন। একটি আসল কয়েন পাওয়া যায় কিনা- সেই আশায় এর পেছনে ঘুরে ঘুরে অনেক সময় নষ্ট করেছেন। এক পর্যায়ে অনেকে কর্মঅক্ষম হয়ে পড়েছেন। অনেকের মস্তিস্ক বিকৃতির মত অবস্থা হয়েছে। তারপরও তারা নেশাগ্রস্তের মত একটি ‘আসল কয়েন’ সংগ্রহের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়ান। কয়েনের সন্ধানে ঘুরে বেড়ানো অপর একজন ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘একটা কয়েনের দাম পাঁচশ কোটি টাকা! যদি খুঁজে পাই তাহলে তো এক দানেই এতো টাকার মালিক বনে যাবো।’ সেই কয়েন যদি শেষ পর্যন্ত বিক্রি করতে না পারেন তাহলে কি করবেন- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জিনিস থাকলে ক্রেতার অভাব হয় না। খুঁজে পেলে অবশ্যই ক্রেতাও পাবো, বিক্রিও করতে পারবো, রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাবো।’

Monday, February 8, 2016

পৃথিবীর যেখানে মিনিটে ২৮ বার বাজ পড়ে!

পৃথিবীর যেখানে মিনিটে ২৮ বার বাজ পড়ে! ভেনিজুয়েলার মারাকাইবো লেক। প্রতি মিনিটে মারাকাইবো লেকের আকাশে গড়ে ২৮ বার বিদ্যুৎ চমকানো দেখা যায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন সারা বিশ্বে ভেনিজুয়েলার মারাকাইবো লেকই হল এমন একটি স্থান যেখানে সবথেকে বেশি সময় জুড়ে 'বিদ্যুৎ চমকানো বা বাজ পড়তে দেখা যায়। বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ৩০০ দিনই ভেনিজুয়েলার মারাকাইবো লেকের আকাশে বিদ্যুৎ চমকে ওঠে একই রকম ভাবে। যার কারণে, গিনেস বুকে বিশ্ব রেকর্ডের তালিকায় একটি স্থানও অর্জন করে ফেলেছে ভেনিজুয়েলার মারাকাইবো লেক। নাসা থেকে একটি স্যাটেলাইট ভেনিজুয়েলার মারাকাইবো লেকের ওপর নজরদারি করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। কেন এমনটা হয়, তা নিয়ে বিশদ গবেষণা করেও কোনও কূল কিনারা এখনও পর্যন্ত পাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে গবেষণার গতি আরও বেড়েছে, বিজ্ঞানীরা জানার চেষ্টা করছেন কেবলমাত্র ভেনিজুয়েলার মারাকাইবো লেকেই এমনটা কেন হয়! ‪#‎ Science2day‬

Sunday, February 7, 2016

এবার পুরুষদের জন্যও জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ!

জন্মনিয়ন্ত্রণে মহিলাদের জন্যে জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধের ব্যবহার বহু আগে থেকেই চলে আসছে। এ ক্ষেত্রে পুরুষদের জন্যে বহুল প্রচলিত পদ্ধতিটি হল কন্ডমের ব্যবহার। কিন্তু এবার পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ নতুন যুগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পুরুষদের পিল নিয়ে অন্তত দুটো প্রজেক্ট কাজ করে যাচ্ছে।পুরুষের শুক্রাণু পরিণত হওয়ার আগের অবস্থায় এর পিছনের লেজসদৃশ অংশ ও সামনের দিকে মাথার মতো গোলাকার অংশ হয়। এইচ২-গ্যামেনডাজোল এর কাজ হবে এসব শুক্রাণুকে পরিণত হতে বাধা দেওয়া। আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব কানসাস মেডিক্যাল সেন্টার এর বায়োলজিস্ট জোসেপ টাশ বলেন, যদি শুক্রাণু না থাকে, তাহলে মহিলাদের ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। এ নিয়ে ২০০১ সাল থেকে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। ওষুধের আরেকটি উপাদান জেকিউ১। এটি পুরুষের বীর্য উৎপাদনে বাধা দেবে। হার্ভার্ডের ডানা-ফারবার ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে গবেষক ব্রান্ডার এবং তার দল জেকিউ১ এর খোঁজ পান। এটি ক্যান্সারে আক্রান্ত কোষে ব্রোমোডোমেন প্রোটিন বিস্তারে বাধা দেয়। এতে করে নতুন করে কোষ গজায় না। বীর্য উৎপাদনে কাজ করে এমন ব্রোমোডোমেন প্রোটিনের নাম বিআরডিটি। দেখা গিয়েছে, জেকিউ১ এই প্রোটিন বিস্তারেও বাধা দেয়। কাজেই এটি যে সব কোষ বীর্য উৎপাদন করবে, তাদের নিষ্ক্রিয় করে দেবে। ইতিমধ্যে ইঁদুরের কোষে জেকিউ১ প্রয়োগ করে সুফল পাওয়া গিয়েছে। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, বাজারে পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রক পিল আসতে আরও কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।

Saturday, February 6, 2016

এবার আপনার বাড়ির টিভিটাই হয়ে উঠবে স্মার্ট টিভি।

এবার আপনার বাড়ির টিভিটাই হয়ে উঠবে স্মার্ট টিভি। শুধু চ্যানেল সার্ফিং নয়, একইসঙ্গে করতে পারবেন ইন্টারনেট সার্ফিংও। এমনই উপায় নিয়ে আসছে টাটা স্কাই আর ভিডিওকনের মত সংস্থা। এইসব সংস্থার নতুন সেট টপ বক্সে এবার থেকে থাকবে ইন্টারনেট সার্ফিংয়ের ব্যবস্থাও। নতুন প্রজন্মের এই সেট টপ বক্সে থাকবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। যাতে টিভি দেখার বাইরেও আরও অনেক কিছু পরিষেবা পাওয়া যাবে। এতে আপনার ঘরের টিভিটাই হবে স্মার্ট টিভি। আর পুরো বিশ্বের সঙ্গে কানেকটিভিটি বাড়বে। একইসঙ্গে থাকবে টিভি, ডিটিএইচ ও ইন্টারনেট। টাটা স্কাইয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই নয়া পরিষেবার জন্য অতিরিক্তি কোনও টাকা নেওয়া হবে না। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বাজারে আসবে নতুন এই সেট টপ বক্স। টাটা স্কাইয়ের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হরিত নাগপাল বলেন, 'আমরা শুধুই ডিটিএইচ অপারেটর হয়ে থাকতে চাই না। গ্রাহকরা যতরকম চায়, ততরকম পরিষেবা দিতে চাই। http://www.bengali.kolkata24x7.com/tata-sky-videocon-d2h-to-launch-set-top-boxes-with-internet-browsing.html

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফ্রাসঁওয়া গোটিয়ে – কে উনি ?

এবার আমাদের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফ্রাসঁওয়া গোটিয়ে। তাঁর বিষয়ে অনেকে জানতে চেয়েছেন। এই ব্যক্তির জন্ম ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে। জাতিতে ফরাসী। পেশায় সাংবাদিক ও লেখক। বর্তমানে থাকেন পন্ডিচেরীর অরোভিল-এ। মহর্ষি অরবিন্দ এবং শ্রীশ্রী রবিশংকরজীর অনুগামী। হিন্দু ধর্মের চরম অনুরাগী, ভারতীয় দর্শন ও ইতিহাসের বিশেষজ্ঞ। শুধু বিশেষজ্ঞই নন, তিনি আমাদের একজন জোরালো প্রবক্তা । ভণ্ড সেকুলারিজমের নামে হিন্দুধর্মের ও ভারতের যে চূড়ান্ত শত্রুতা করা হয়, সেই ভন্ডামিকে ভেঙ্গে চূরমার করে দিতে উনি সদা সক্রিয়। বর্তমানে ফ্রাসঁওয়া গোটিয়ে যে কাজটি হাতে নিয়েছেন, তার জন্য ভারত এবং হিন্দুরা ওঁর কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবে। উনি মহারাষ্ট্রের পুনে-তে একটি মিউজিয়াম বা সংগ্রহালয় তৈরী করেছেন। নাম “ছত্রপতি শিবাজী মিউজিয়াম”। উনি এটার নাম রাখতে চেয়েছিলেন “হিন্দু হলোকষ্ট মিউজিয়াম”, অর্থাৎ “হিন্দু গণহত্যা সংগ্রহালয়”। বিশ্ববিখ্যাত ঐতিহাসিক উইল ডুরান্ট (Will Durant) লিখেছেন, “মুসলমানের ভারত বিজয় ইতিহাসের সবথেকে বেশী রক্তাক্ত অধ্যায়।” (The Mohammedan Conquest of India is probably the bloodiest story in history)। অথচ ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা পড়ে- মুসলিম আক্রমণকারীরা ছিল মোলায়েম, মানবিক, শিল্প-সংগীতের গুণগ্রাহী। ইতিহাসের এই বিকৃত পাঠ আমাদের জাতিকে শেষ করে দিয়েছে। তাই একে সংশোধনের জন্য ফ্রাসঁওয়া গোটিয়ে তাঁর সংগ্রহালয়ের নাম “HINDU HOLOCAUST MUSEUM” দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এতটা কড়া সত্য সেকু ভারত হজম করতে পারবে না। তাই তাঁকে নাম পাল্টে “শিবাজী মিউজিয়াম” রাখতে হয়েছে। হাজার বছর পরাধীন থাকার কারণে ভারতের অন্যতম দুর্ভাগ্য হল – আমাদের নিজেদের লেখা ইতিহাস না থাকা। এটা শুধু আমাদের দুর্ভাগ্য নয়, আমাদের আরো বহু দুর্ভাগ্যের মূলও এটা। সাধারণ ভারতবাসী তাদের নিজেদের ইতিহাস জানে না। জানেনা এই দেশ ও জাতির উপর বিদেশী ও বিধর্মী আক্রমণকারীদের কি বীভৎস, কি নৃশংস অত্যাচার হয়েছে। ভারতবাসী জানেনা আমাদের কি বিপুল সম্পদ ছিল, কি বিপুল জ্ঞানভান্ডার ছিল। মুসলিম আক্রমণে কিভাবে সেগুলো লুন্ঠিত ও ধ্বংস হয়েছে। বিদেশীর লেখা ও তাদের পেটোয়া ঐতিহাসিকদের লেখা ইতিহাস পড়ে আমাদের কয়েক প্রজন্মের মানুষ আত্মসম্মান হারিয়ে ফেলেছে। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে চরম হীনমন্যতায় ভুগছে। স্বাধীন ভারতে বিখ্যাত ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদারের লেখা ইতিহাস বাদ দিয়ে কংগ্রেসী দালাল তারাচাঁদের ইতিহাস ছাত্রদেরকে পড়ানো হয়। শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকারের লেখা ইতিহাসকে বাদ দিয়ে তৃতীয় শ্রেণীর মার্কসবাদী ঐতিহাসিক ইরফান হাবিব, রোমিলা থাপার, বিপান চন্দ, তপন রায়চৌধুরী-দের লেখা বিকৃত ইতিহাসকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্য করা হয়েছে। কিন্তু এসবের সংশোধন করবে কে ? কেউ এগিয়ে আসেনি। এগিয়ে এসেছেন ওই বিদেশী ফ্রাসঁওয়া গোটিয়ে। তারই পরিণাম পুনের এই “ছত্রপতি শিবাজী মিউজিয়াম”। চিত্র প্রদর্শনী ও বর্ণনার মাধ্যমে ভারতের সঠিক ইতিহাসকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন ও করে চলেছেন। আমার সঙ্গে ফ্রাসঁওয়া গোটিয়ের পরিচয় অনেকদিনের। আমার কাজে সবসময় তাঁর সোচ্চার সমর্থন পেয়েছি। আমি তাঁর পুনের মিউজিয়ামও দেখে এসেছি। এখানে শিবাজী, রানা প্রতাপ, ঔরঙ্গজেব, কাশ্মীর, বাংলাদেশ ইত্যাদি বিষয়ে একটি করে প্রদর্শনী হল আছে। মাঝে মাঝে ভারতের বিভিন্ন স্থানে এই প্রদর্শনীগুলো তিনি FACT (Forum Against Continuous Terrorism) নামক সংস্থার পক্ষ থেকে দেখানোর আয়োজন করেন। ২০০৮ সালে ঠাকুরনগরে মতুয়া মেলায় FACT-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আমরা হিন্দু সংহতি এরকম একটি বিরাট প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলাম। বিষয় – বাংলাদেশে হিন্দুর উপর অত্যাচার। লক্ষ লক্ষ মানুষ সেই প্রদর্শনী দেখেছিলেন। ফ্রাসঁওয়া তাঁর পুনের মিউজিয়ামকে আরো সমৃদ্ধ করার কাজ তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এবার আমাদের ১৪-ই ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি। https://debtanu1971.wordpress.com/2016/02/04/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a7%ae-%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C4090523539 tnx to শ্রী তপন কুমার ঘোষ

INA-র গুপ্তধন চোরকে পুরস্কৃত করেন নেহরু?

আইএনএ-র সম্পত্তি লুঠ হয়েছিল এবং লুন্ঠনকারীকে পুরস্কৃত করেছিল স্বাধীন ভারতের নেহরু সরকার। চাঞ্চল্যকর এমনই তথ্যের হদিশ মিলল সদ্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রকাশিত নেতাজি সম্পর্কিত গোপন নথিতে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার প্রকাশিত জাতীয় সংরক্ষণাগারে রাখা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সম্পর্কিত গোপন ফাইলে পাওয়া গিয়েছে আইএনএ-র গুপ্তধনের উল্লেখ। ১৯৫১-১৯৫৫ সালের মধ্যে টোকিও ও নয়াদিল্লির মধ্যে চিঠি আদানপ্রদান সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতের সরকারি আধিকারিকদের সন্দেহ ছিল যে ওই সম্পত্তি সরানোর পিছনে দুই নেতাজি ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। শুধু তাই নয়, বিষয়টি সেই সময় কেন্দ্রে আসীন জওহরলাল নেহরু সরকারের বিলক্ষণ জানা থাকলেও এড়িয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীকালে ওই দুই সন্দেহভাজনের একজনকে প্রধানমন্ত্রী নেহরুর স্বপ্নের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রচার বিভাগের পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ করে সরকার। জানা গিয়েছে, আইএনএ-র লুন্ঠিত সম্পত্তির তত্কালীন মূল্য ছিল ৭ লক্ষ ডলার। গোপন ফাইলে রাখা নথি জানাচ্ছে, ১৯৫১ সালের ২১ মে টোকিও মিশন প্রধান কে কে চেত্তুর কমনওয়েলথ রিলেশনস সচিব বি এন চক্রবর্তীকে জানিয়েছিলেন, সুভাষচন্দ্রের দুই বিশ্বস্ত সঙ্গী-- প্রাক্তন ভারতীয় স্বাধীনতা লিগ প্রধান মুঙ্গা রামমূর্তি এবং তত্কালীন কেন্দ্রীয় প্রচারমন্ত্রী এস এ আয়ারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। চিঠিতে চেত্তুর জানান, 'আপনি নিশ্চয় জানেন যে রামমূর্তির বিরুদ্ধে আইএনএ-র তহবিল এবং সুভাষচন্দ্র বসুর ব্যক্তিগত সম্পত্তি তছরুপের অভিযোগ রয়েছে। সুভাষচন্দ্রের ব্যক্তিগত সম্পত্তির মধ্যে ছিল বেশ কিছু হিরে, গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী। সত্যি হোক বা মিথ্যে, এই ব্যাপারে আয়ারের নামও জড়িয়েছে...।' ১৯৫১ সালের ২০ অক্টোবর চেত্তুর আরও জানিয়েছিলেন, 'সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে অনেক জিনিসপত্র থাকলেও অভিশপ্ত সেই উড়ানে তাঁকে মাত্র ২টি স্যুটকেস সঙ্গে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। বিমান দুর্ঘটনার পর মূর্তি ও আয়ার আমাদের যা কিছু হস্তান্তর করেছেন, তার চেয়ে অনেক বেশি ঐশ্বর্য বহন করছিলেন বসু।' টোকিও মিশন প্রধান জানিয়েছেন, 'নেতাজির সঙ্গে তাঁর দেহের ওজনের চেয়ে বেশি ঐশ্বর্য ছিল। এখানে একজন আছেন যিনি গুপ্তধনের বাক্স আয়ারের ঘরে দেখতে পেয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকটি বাক্সে থাকা জিনিসপত্র তিনি কেনার পরিকল্পনা করেছেন। তবে পরবর্তীকালে সেই বাক্সগুলির কী গতি হল তা জানা যায়নি কারণ বিমান দুর্ঘটনার পর আয়ার আমাদের হাতে মাত্র ৩০০ গ্রাম সোনা এবং নগদ ২৬০ টাকা জমা দেন।' ১৯৫৫ সালের ১ নভেম্বর বিদেশ মন্ত্রক এবং সেই সূত্রে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে পাঠানো হয় 'আইএনএ গুপ্তধন এবং শ্রী আয়ার ও রামমূর্তির দ্বারা তার হস্তান্তর'শীর্ষক গোপন রিপোর্ট। রিপোর্টের লেখক আর ডি সাঠে মন্তব্য করেন, 'জাপানে শ্রী আয়ারের গতিবিধি যথেষ্ট সন্দেহজনক। সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয় যখন টোকিওতে প্রবাসী ভারতীয়রা চরম আর্থিক সঙ্কটে ভুগছিলেন, সেই সময় শ্রী রামমূর্তি তুলনামূলক ভাবে যথেষ্ট সচ্ছ্বল ছিলেন বলে। রহস্য দানা বাঁধে যখন হঠাত্ ব্রিটিশ মিশনের জনৈক অ্যাটাশে কর্নেল ফিগ্‌স প্রতীচ্য বিশারদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি রামমূর্তিকে ব্রিটেনে বসবাস করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।' এই গোপন রিপোর্টটি যে প্রধানমন্ত্রী দেখেছিলেন তার সাক্ষ্য বহন করছে তাঁর স্বাক্ষরযুক্ত একটি নোট যার তারিখ ১৯৫১ সালের ৫ নভেম্বর। ওই রিপোর্ট এরপর বিদেশ সচিবের কাছে যায়। উল্লেখ্য, এরপর জাপানে রামমূর্তির আর্থিক সচ্ছলতা আরও বৃদ্ধি পায় আর দিল্লিতে ফেরার পর আয়ারকে সাদরে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নেহরু। আয়ারের বিরুদ্ধে আইএনএ-র সম্পত্তি তছরূপের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে নিজের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রচার বিভাগীয় পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ করেন জওহরলাল। প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে প্রকাশিত অনুজ ধরের 'ইন্ডিয়াজ বিগেস্ট কভার-আপ' বইয়ে আইএনএ-র গুপ্তধন লুন্ঠনের বিষয়টি এর আগেই বিশদে প্রকাশ পায়। http://m.eisamay.com/nation/netaji-files-nehru-awarded-man-who-stole-inas-treasure/articleshow/50862236.cms