আজকাল অনেকেই ডিম খান না। কেউ ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে, কেউ আবার রক্তে চর্বির পরিমাণ কম রাখতে, কেউ আবার হৃদরোগকে ভয় পেয়ে। কিন্তু আসলেই কি ডিম এগুলো বাড়ায়? বরং চিকিৎসকেরা আজকাল বলেন উল্টো কথা। তারা বলেন, সকালে নাস্তায় একটি ডিম মাসে প্রায় ৩ পাউনড পর্যন্ত ওজন কমাতে পারে! আসুন, তাহলে জেনে নেয়া যাক ডিমের
.
১২টি উপকারিতা, যেগুলোর কারণে রোজ ডিম খাওয়া উচিত আপনার!
.
১)........ .ছোট্টো একটা ডিম হাজারো ভিটামিনে ভরা। এর ভিটামিন বি ১২ আপনি যা খাচ্ছেন সেই খাবারকে এনার্জি বা শক্তিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে।
.
২ ).............এর মধ্যে আছে ভিটামিন এ। যা দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে। ডিমের কেরোটিনয়েড, ল্যুটেন ও জিয়েক্সেনথিন বয়সকালের চোখের অসুখ ম্যাকুলার ডিজেনারেশন হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। এই একই উপাদান চোখের ছানি কমাতেও সাহায্য করে।
.
৩)................কেবলমাত্র ডিমেই রয়েছে ভিটামিন ডি। যা পেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
.
৪)..............আছে ভিটামিন ই। এটি কোষ এবং ত্বকে উত্পন্ন ফ্রি র্যাডিক্যাল নষ্ট করে দেয়। এবং স্কিন ক্যানসার প্রতিরোধ করে।
.
৫)..........ডিমের সবচেয়ে বড়ো গুণ এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। ব্রেকফাস্টে রোজ একটি ডিম মানে সারাদিন আপনার ক্ষুধা কম হবে, খাওয়া হবে কম। গবেষণায় দেখা যায় শরীর থেকে দিনে প্রায় ৪০০ ক্যালোরি কমাতে পারে সকালে একটি ডিম খাওয়া। তার মানে মাসে ওজন কমার পরিমাণ প্রায় তিন পাউন্ড। সমীক্ষা বলছে, ৬৫% বডি ওয়েট, ১৬% বডি ফ্যাট, ৩৪% কোমরে জমে থাকা মেদের পরিমাণ কমাতে পারে ডিম!
.
৬).............ডিমে আছে আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাস। মেনস্ট্রুয়েশনেরজন্য অনেক সময় অ্যানিমিয়া দেখা দেয়। শরীর তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ডিমের মধ্যে থাকা আয়রন এই ঘাটতি মেটাতে পারে সহজেই। জিঙ্ক শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। আর ফসফরাস হাড় ও দাঁত মজবুত করে।
.
৭)...............প্রত্যেক নারীর শরীরে রোজ কমপক্ষে ৫০ গ্রাম প্রোটিনের দরকার। একটি ডিমে থাকে ৭০-৮৫ ক্যালোরি বা ৬.৫ গ্রাম প্রোটিন। সুতরাং চাঙা থাকতে রোজ ডিম খেতেই পারেন।
.
৮)..............২০০৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় একটি সমীক্ষায় দেখিয়েছে অ্যাডোলেশন পিরিয়ডে বা পরবর্তী কালে সপ্তাহে ৬টি করে ডিম নিয়মিত খেলে প্রায় ৪৪% ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব৷ সঙ্গে এটাও জানিয়েছে, ডিম হৃৎপিণ্ডে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। ফলে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনাও অনেকটাই কম থাকে।
.
৯)............শরীর সুস্থ রাখার আরও একটি জরুরি উপাদান কোলাইন। কোলাইনের ঘাটতি ঘটলে অনেক সময় কার্ডিওভাসকুলার, লিভারের অসুখ বা নিউরোলজিক্যাল ডিজ-অর্ডার দেখা দিতে পারে। একটি ডিমে প্রায় ৩০০ মাইক্রোগ্রাম কোলাইন থাকে। যা কার্ডিওভাসকুলারসিস্টেম, স্নায়ু, যকৃত্ ও মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
.
১০)..............নতুন সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ডিম কোলেস্টেরল বাড়ায় না। দিনে দুটো ডিম শরীরের লিপিড প্রোফাইলে কোনও প্রভাব ফেলে না। বরং ডিম রক্তে লোহিতকণিকা তৈরি করে।
.
১১)...............প্রোটিন শরীর গঠন করে। আর প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে অ্যামিনো অ্যাসিড। একুশ ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড এই কাজে প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু আমাদের শরীর অতি প্রয়োজনীয় নয়টি অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি করতে পারে না। তার জন্য আমাদের প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট নিতে হয়। খাবারের মধ্যে এই প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট হল ডিম। যা ঝটপট শরীরে প্রোটিন উত্পাদন করতে পারে।
.
১২).............নখ ভেঙে যাচ্ছে চটপট? নাকি চুলের স্বাস্থ্য একেবারেই বেহাল? চোখ বন্ধ করে রোজ ডিম খেয়ে যান। ডিমের মধ্যে থাকা সালফার ম্যাজিকের মতো নখ আর চুলের মান উন্নত করবে।
Monday, May 30, 2016
Friday, May 27, 2016
চোখের নিমিষে বাড়িয়ে নিন নিজের উচ্চতা
উচ্চতা বাড়াতে চান, হতে চান লম্বা! কিন্তু চাইলেই কি আর লম্বা হওয়া যায়। তার জন্য করতে হয় কত সাধনা। না খেয়ে বসে থাকতে হবে বা নিতে হবে ডাক্তারের পরামর্শ। কি ভয় পেয়ে গেলেন শুরুতেই। না এমন কিছুই করতে হবেনা আপনাকে। উচ্চতা বাড়াতে শুধু দরকার নিম্নোক্ত সাতটি ব্যায়াম অভ্যাস করার। সঠিক নিয়মে পালন করতে পারলে আপনার উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে অনেকাংশেই। তবে ঠিকভাবে করতে না পারলে ফল হবেনা কোনভাবেই। এই ব্যায়ামগুল করার আগে হাল্কা একটু পরিশ্রম করে নিতে ভুলবেন না যেন। এতে ব্যায়াম করতে গিয়ে হঠাত ব্যাথা পেয়ে বিপদ ঘটার সম্ভাবনা কমে আসবে।
এবার আসুন জেনে নেই এই ব্যায়ামগুলো সম্পর্কে-
১. প্রথম ব্যায়ামঃ
দেয়ালের সাথে পিঠ লাগিয়ে দাঁড়ান। এভাবে দাড়িয়ে নিজেকে দেয়ালের সমান্তরালে সোজা রাখবার চেষ্টা করুন। সেই সাথে চেষ্টা করতে হবে, আপনার শরীরের পেছন দিকটির পায়ের গোড়ালি থেকে শুরু করে মাথা পর্যন্ত যেন দেয়াল স্পর্শ করতে পারে। এভাবে দেয়াল স্পর্শ করে সোজা হয়ে স্ট্রেচ করার চেষ্টা করুন। এভারে ৮ থেকে ১০ বার করুন ব্যায়ামটি।
২. দ্বিতীয় ব্যায়ামঃ
প্রথম ব্যায়াম শেষ হবার পরে এই পর্যায়ে রিং বা বারের সাহায্যে হাতের ভরে ঝুলে পড়ুন। শরীররের ভার ছেড়ে দিন। পা দুটিকে দুলতে দিন পেন্ডুলামের মত। অনুভব করুন মধ্যাকর্ষণ শক্তি নিজের উপরে।
এভাবে ১০ সেকেন্ড পর্যন্ত ঝুলে থেকে ছেড়ে দিন নিজেকে। আবার একই প্রক্রিয়ায় করুন এই ব্যায়াম। এক সেটে ৮ থেকে ১০ বার করতে পারেন।
৩. তৃতীয় ব্যায়ামঃ
এবার আবার রিং ধরুন। তবে এবার ঝুলে থাকতে হবেনা। বরং রিং ধরে নিজেকে উপরে উঠানোর চেষ্টা করুন। এভাবে একবার উপরে উঠতে পারলে তারপর নিজের শরীরের ভার ছেড়ে দিন। ছেড়ে দিয়ে প্রায় ৩ মিনিট পর্যন্ত ঝুলে থাকুন।
এভাবে এই ব্যায়ামটি ৬ সেটে শেষ করুন। মনে রাখবেন শুরুতেই ৩ মিনিট ধরে ঝুলবেন না। আপনার শরীর যে পরিমাণ নিতে পারবে সে পরিমাণ করবেন। ধীরে ধীরে সময় বাড়িয়ে ৩ মিনিট করুন।
৪. চতুর্থ ব্যায়ামঃ
এই পর্যায়ে এসে শুধুমাত্র রিং বা বার ধরে ৩ মিনিট করে ঝুলে থাকুন। এভাবে ৬ বার করুন।
৫. পঞ্চম ব্যায়ামঃ
এই পর্যায়ে এসে ব্যায়ামটি একটু কঠিন মনে হবে। এবার আপনাকে রিঙে বা বারে উল্টা হয়ে পায়ের হাঁটুর ভাজের সাহায্যে ঝুলতে হবে। উল্টা হয়ে ঝুলে নিজের শরীর ছেড়ে দিন। হাত দুটিকে ঝুলতে দিন।
এভাবে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন। গোনা শেষ হলে নেমে পড়ুন। এই পর্যায়টি সম্পন্ন করতে কারো সাহায্য নিন। ধীরে ধীরে করার চেষ্টা করুন।
একবারে না পারলে জোর খাটাবেন না নিজের প্রতি। ধীরে ধীরে শেখার চেষ্টা করুন। তারপরও আয়ত্তে আনতে না পারলে এই ব্যায়ামটির সব থেকে কাছাকাছি যতটুকু করতে পারবেন তাই করবেন। তাতে কিছুটা হলেও সাহায্য হতে পারে।
৬. ষষ্ঠ ব্যায়ামঃ
আপনি যদি এই পর্যায়ে এসে পড়েন তবে আপনার জন্য সুখবর হল, সব থেকে কঠিন পর্যায় পার করে এসেছেন আপনি। এরপরে আর রিং বা বারে ঝুলতে হবেনা আপনাকে। এবার যা করতে হবে তা হল আপনি যেখানে দাড়িয়ে আছেন সেখান থেকে আপনার বাম দিকে দীর্ঘ একটি লাফ দিন প্রথমে।
সেই সাথে চেষ্টা করুন ডান পায়ের ভরে অবতরন করতে। অর্থাৎ লাফ দিয়ে নামার সময় ডান পা আগে মাটি স্পর্শ করবে। লাফ দেয়ার সময় চেষ্টা করবেন যত দীর্ঘ সম্ভব তত দীর্ঘ লাফ দিতে।
৭. সপ্তম ব্যায়ামঃ
এই পর্যায়ে আমরা আমাদের ব্যায়াম রুটিনের শেষ ধাপে পৌঁছে গেছি। এই পর্যায়ে আপনি আপনার পেটের ভরে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আপনার শরীর এবং পা থাকবে সোজা এবং টানটান।
হাতদুটোকে তুলে দিন আপনার পেছন দিকে এবং টানটান অবস্থায় রাখুন। এবার এই অবস্থায় থেকে নিজেকে যতটা সম্ভব বাঁকা করে তুলে ধতে চেষ্টা করুন। আপনার মাথা এবং ঘাড় থাকবে সামনের দিকে সোজা অবস্থায়। এভাবে ৮ থেকে ১০ বার চেষ্টা করুন।
মনে রাখবেন –
এভাবে সপ্তাহে ৩ দিন করে নিয়মিত ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। এগুলো মূলত স্ট্রেচিং ব্যায়াম যা আপনার শরীরের আড়ষ্টতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। শরীরের আড়ষ্টভাব কেটে গেলে উচ্চতা বাড়তে শুরু করে।
তবে এ সবই সম্ভব হবে যদি আপনার বয়স ২৫ এর নিম্নে হয়ে থাকে তবেই। কারণ ২৫ বছর পর্যন্তই কেবলমাত্র আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি হয়ে থাকে। তবে যখনই ব্যায়াম করবেন না কেন আগে কিছু ফ্রি হ্যান্ড বা হাল্কা দৌড়ে শরীর ব্যায়াম করার উপযোগী করে নিতে ভুলবেন না যেন।
সেই সাথে আরও খেয়াল রাখবেন যে অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল নয়। মাত্রাতিরিক্ত ব্যায়াম করলে দ্রুত উচ্চতা বাড়বে তা যদি ভেবে থাকেন তবে ভুল করবেন। বরং অতিরিক্ত ব্যায়াম অনেক সময় উচ্চতার বৃদ্ধি রোধ করে দেয়।
তবে শুধু ব্যায়াম করলেই হবেনা। সুষম খাদ্যও গ্রহন করতে হবে। সেই সাথে জীবনযাত্রায় আনতে হবে পজিটিভ মনোভাব। এসবের সাথে ত্যাগ করতে হবে সব খারাপ জিনিষ,। http://www.bengali.kolkata24x7.com/fegure.html
Wednesday, May 18, 2016
তিন মিনিটেই হলুদ দাঁত হীরের মত ঝকঝকে
হাসিতেই মন চুরি করে নিয়ে যায় যারা, তাঁদের অন্য যা কিছুই ম্যাজিক্যাল থাকুক না কেন, প্রাথমিক ও নূনতম শর্ত দাঁতের সৌন্দর্য-এটা আবশ্যিক। ঝকঝকে সুন্দর দাঁত আর ঠোঁটের দরজা খুলে সেই হীরের ঝলকানি সঙ্গে মিষ্টতা, ব্যস গোটা দুনিয়ার দখল হাসিতেই। কিন্তু এমনটা সবার ক্ষেত্রে হয়? হয় না। সাদা দাঁত নিয়ে জন্ম তো হয় সবারই কিন্তু দাঁতের সৌন্দর্য ধরে রাখতে পারেন খুব কম মানুষই! অতিরিক্ত ধূমপান, ঔষধের প্রভাব, লিভারে সংক্রমণ, নানান শারীরিক ব্যাধি, জলে আয়রন, পরিবেশ, জিনগত সমস্যা আর নানান আহার, এই সব কিছুর প্রভাবে সাদা দাঁতের ওপর দেখা যায় হলুদ আস্তরণ। কাউর দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রী দেখতে আস্তরণ, দাঁতের ওপর স্পট, সুন্দর হাসিকেই নষ্ট করে দেয়। যার ভয়ে খোলা মনের হাসি প্রাণ থেকে আসে বটে কিন্তু ঠোঁটের ব্যারিকেড থেকে আর বেরোতে পারে না। এই সমস্যার সমাধান মাত্র ৩ মিনিটে। কীভাবে?
এক চামচ বেকিং সোডা আর তাতে লেবু এবং জল দিয়ে ঝটপট তৈরি করে নিন একটা মিশ্রণ। ততক্ষণ পর্যন্ত ভাল করে ফেটিয়ে, যতক্ষণ না তা পেস্টের মত হচ্ছে। এরপর ব্রাশে সেই বেকিং সোডা ও লেমনের পেস্ট লাগিয়ে দাঁত মাজুন অন্তত পক্ষে এক মিনিট। তারপর কুলকুচি করে নিন। দাঁতে কোনও রকম খারাপ প্রভাব পড়বে না, উল্টে দাঁত হবে ঝকঝকে ও সুন্দর। http://zeenews.india.com/bengali/health/whiten-your-tooth-in-three_137106.html
ব্রণর দাগ নির্মূলের সহজ উপায়
ব্রণ, অ্যাকনে, দাগ ছোপ। এখন এটাই আমাদের সকলের প্রধান চিন্তার বিষয়। দাগহীন নিখুঁত চেহারা দিন দিন কমে যাচ্ছে। সুন্দর মুখ ঢেকে যাচ্চে দাগ ছোপে। আপনারও কি এই একই সমস্যা? ব্রণ, অ্যাকনের দাগে লজ্জায় বাড়ির বাইরে বেরোতে পারছেন না? তাহতে অবশ্যই এই পদ্ধতিগুলো নিয়মিত ব্যবহার করুন। নিশ্চিত আপনি দাগের হাত থেকে মুক্তি পাবেন।
১) মুখের যে কোনও দাগ নির্মূল করতে পাতিলেবুর রস খুবই উপকারী। দাগের জায়গায় রোজ যদি পাতিলেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে দাগ ছোপ ধীরে কমে যাবে।
২) মধু আমাদের চামড়ার পক্ষে খুবই উপকারী। অ্যাকনের বা ব্রণ-র দাগ কমানোর জন্য প্রত্যেকদিন রাতে সারা মুখে মধু মেখে শুয়ে পড়ুন। আর সকালে ঈষদুষ্ণ গরম জলে ধুয়ে ফেলুন।
৩) অ্যালোভেরা শুধু রোদের তাপ থেকেই আমাদের চামড়াকে বাঁচায় না। অনেক গুণ রয়েছে অ্যালোভেরার। চামড়ার ক্ষতিগ্রস্থ টিশুগুলিকে সরিয়ে নতুন টিশু তৈরি করতে খুব সাহায্য করে অ্যালোভেরার রস। এটি দিনে ২ বার মুখে লাগান। কিছুক্ষন পর হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। http://zeenews.india.com/bengali/health/easy-way-to-remove-spot-of-pimple_137121.html
ঘাড় সহ শরীরের অন্য অঙ্গের কালো দাগ উঠবে কিভাবে?
অনেকের গায়ের রং ফর্সা হলেও ঠোটের রং কালচে। কিন্তু এ নিয়ে নিরাশ হওয়ার কিছু নেই। আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে প্রাকৃতিক কিছু উপায়। যা দিয়ে এই ঠোঁটের কালচে রংসহ আরও বেশ কিছু উপকার পাওয়া যাবে।
আসুন জেনে নেই টিপসগুলো –
– কয়েক ফোটা পাতি লেবুর রস, মধু ও ম্যাসাজ ক্রিম মিশিয়ে দিনে দু’বার করে ঠোটে ম্যাসাজ করলে মাস খানেকের মধ্যেই সুফল পাওয়া যাবে। তবে নিয়মিত ও নিষ্ঠার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে।
– অনেকের চোখের নিচে কালো দাগ দেখা যায়। তারা লেবুর রসে মধু মিশিয়ে ম্যাসাজ করলে চোখের নিচের কালো দাগ দূর হতে পারে।
– গলায় ও ঘাড়ের কালো দাগ তুলতে হলে: ৪টি বড় এলাচ, ৫/৬টি দারুচিনি, ১০/১২টি কিসমিস, ৪/৫টি চিনা বাদাম রাতভর ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরের দিন সবগুলো একসঙ্গে মিহি করে বেটে নিয়ে একটা কৌটা ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এই অবস্থায় ৭ দিন পর্যন্ত এটি অবিকৃত থাকবে।
প্রতিদিন একটু করে ওই বাটা বের করে বাড়িতে পাতা দই, মধু ও গুড়ো চিনি মিশিয়ে প্যাকের মতো মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগান। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রোদে পুড়ে মলিন হওয়া চামড়া এবং স্বাভাবিক কালো ত্বকের পক্ষে এই প্যাকটি খুবই কার্যকর।
– অনেক সময় পিগমেন্টেশন (গায়ের স্বাভাবিক রং) প্রবলেমের জন্য গায়ের রং কালো হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে এক চামচ বেশন, এক চামচ পাকা আমের শাস, আধা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা। এক চামচ গাঁদা ফুলের পাঁপড়ি কাঁচা দুধ দিয়ে মিশিয়ে গোসলের আধা ঘণ্টা আগে লাগাতে হবে- এমন জায়গায় যেখানে পিগমেন্টেশন হয়েছে। http://www.bdmorning.com/life-style/rupasajba/102189
Thursday, May 12, 2016
কি-বোর্ডের ১০০টি শর্টকাট ব্যবহার
আপনার কম্পিউটারে মাউসের ব্যবহার কমিয়ে কিবোর্ডের ব্যবহার বাড়ান৷কারণ, মাউসে সমস্যা হলে আপনার কম্পিউটার অকেজো হয়ে পরে৷ তার থেকে মুক্তি পাবেন কিবোরড দিয়েই প্রয়োজনীয় কাজগুলি করতে পারলে৷ আর তাছাড়া মাউসের থেকে কিবোর্ড ব্যবহার করে কাজ করলে আপনার কাজের সময়ও অনেক কমবে৷ মাউস পয়েন্টার নিয়ে সঠিক জায়গায় ক্লিক করে কাজ করতে যা সময় লাগে তার অর্ধেক সময়ে আপনি কিবোর্ডের ব্যবহারে কাজ করতে পারবেন কম্পিউটারে৷ তাই দ্রুত ভালো কাজের জন্য আপনাকে দেওয়া হল কিবোর্ডের ১০০টি শর্টকাট টিপস৷
Keyboard Shorcuts (Microsoft Windows)
1.CTRL+C (Copy)
2. CTRL+X (Cut)
3. CTRL+V (Paste)
4. CTRL+Z (Undo)
5. DELETE (Delete)
6. SHIFT+DELETE (Delete the selected item permanently without placing the item in the Recycle Bin)
7. CTRL while dragging an item (Copy the selected item)
8. CTRL+SHIFT while dragging an item (Create a shortcut to the selected item)
9. F2 key (Rename the selected item)
10. CTRL+RIGHT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next word)
11. CTRL+LEFT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous word)
12. CTRL+DOWN ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next paragraph)
13. CTRL+UP ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous paragraph)
14. CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (Highlight a block of text)
SHIFT with any of the arrow keys (Select more than one item in a window or on the desktop, or select text in a document)
15. CTRL+A (Select all)
16. F3 key (Search for a file or a folder)
17. ALT+ENTER (View the properties for the selected item)
18. ALT+F4 (Close the active item, or quit the active program)
19. ALT+ENTER (Display the properties of the selected object)
20. ALT+SPACEBAR (Open the shortcut menu for the active window)
21. CTRL+F4 (Close the active document in programs that enable you to have multiple documents opensimultaneou sly)
22. ALT+TAB (Switch between the open items)
23. ALT+ESC (Cycle through items in the order that they had been opened)
24. F6 key (Cycle through the screen elements in a window or on the desktop)
25. F4 key (Display the Address bar list in My Computer or Windows Explorer)
26. SHIFT+F10 (Display the shortcut menu for the selected item)
27. ALT+SPACEBAR (Display the System menu for the active window)
28. CTRL+ESC (Display the Start menu)
29. ALT+Underlined letter in a menu name (Display the corresponding menu) Underlined letter in a command name on an open menu (Perform the corresponding command)
30. F10 key (Activate the menu bar in the active program)
31. RIGHT ARROW (Open the next menu to the right, or open a submenu)
32. LEFT ARROW (Open the next menu to the left, or close a submenu)
33. F5 key (Update the active window)
34. BACKSPACE (View the folder onelevel up in My Computer or Windows Explorer)
35. ESC (Cancel the current task)
36. SHIFT when you insert a CD-ROMinto the CD-ROM drive (Prevent the CD-ROM from automatically playing)
Dialog Box–Keyboard Shortcuts
1. CTRL+TAB (Move forward through the tabs)
2. CTRL+SHIFT+TAB (Move backward through the tabs)
3. TAB (Move forward through the options)
4. SHIFT+TAB (Move backward through the options)
5. ALT+Underlined letter (Perform the corresponding command or select the corresponding option)
6. ENTER (Perform the command for the active option or button)
7. SPACEBAR (Select or clear the check box if the active option is a check box)
8. Arrow keys (Select a button if the active option is a group of option buttons)
9. F1 key (Display Help)
10. F4 key (Display the items in the active list)
11. BACKSPACE (Open a folder one level up if a folder is selected in the Save As or Open dialog box)
Microsoft Natural Keyboard Shortcuts
1. Windows Logo (Display or hide the Start menu)
2. Windows Logo+BREAK (Display the System Properties dialog box)
3. Windows Logo+D (Display the desktop)
4. Windows Logo+M (Minimize all of the windows)
5. Windows Logo+SHIFT+M (Restorethe minimized windows)
6. Windows Logo+E (Open My Computer)
7. Windows Logo+F (Search for a file or a folder)
8. CTRL+Windows Logo+F (Search for computers)
9. Windows Logo+F1 (Display Windows Help)
10. Windows Logo+ L (Lock the keyboard)
11. Windows Logo+R (Open the Run dialog box)
12. Windows Logo+U (Open Utility Manager)
13. Accessibility Keyboard Shortcuts
14. Right SHIFT for eight seconds (Switch FilterKeys either on or off)
15. Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN (Switch High Contrast either on or off)
16. Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK (Switch the MouseKeys either on or off)
17. SHIFT five times (Switch the StickyKeys either on or off)
18. NUM LOCK for five seconds (Switch the ToggleKeys either on or off)
19. Windows Logo +U (Open Utility Manager)
20. Windows Explorer Keyboard Shortcuts
21. END (Display the bottom of the active window)
মশা তাড়াতে আজব গাছ আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা
মশার জ্বালায় অস্থির হয়ে উঠছেন? একে তো মশার কামড়টাই বিরক্তিকর। তারউপর মশার কামড়ে ভয়ঙ্কর সব রোগ হয়। ম্যালেরিয়ার মতো ভয়ঙ্কর রোগ তো ছিলই। এবার মশার কারণে জিকাও হচ্ছে এই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে।
মশা তাড়াতে কত কিছুই তো ব্যবহার করলেন। কত কিছুই তো কিনলেন। এমনকি পুরসভার কল্যাণে মশা মাড়তে কামানও তো দেগে ফেললেন। কিন্তু মশা তাড়াতে কোনও গাছের কথা শুনেছেন কখনও? সত্যিই এক আজব গাছ আবিস্কার করেছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। গাছটির নাম সাইট্রনেলা খুব সহজেই গাছটি বাড়ির বারান্দায় অথবা ব্যালকনিতে লাগাতে পারেন। খুব বেশি জল কিম্বা সারেরও দরকার পড়ে না। আর এই গাছ বেঁচেও থাকে অনেক বছর।
এই গাছটি থেকে একধরণের সুগন্ধি বেরোয় যা মশাদের একেবারে অপছন্দ। আর এই গন্ধ পেলেই মশারা এই গাছের ত্রিসীমানায় ঘেষতে চায় না। গাছটি খরা প্রতিরোধেও কাজে আসে। এই ধরনের মাত্র ৬-৭ টি গাছ, এক একর জায়গাকে মশা মুক্ত রাখতে পারে। সুতরাং মশার জ্বালায় যারা অতিষ্ঠ হয়ে আছেন তারা দু তিনটি সাইট্রনেলা গাছ বাড়ীর চারদিকে কিম্বা ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে লাগিয়ে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে, মুশকিলও রয়েছে। কারণ, এই গাছ আমাদের দেশে এখনই পাওয়ার কোনও উপায় নেই। কিছুদিন অপেক্ষা তো করতেই হবে। http://zeenews.india.com/bengali/lifestyle/a-tree-for-mosquito-repellent_140544.html
সোনাগাছির জীবনে জিগোলোর থাবা
হ্যালো, লেডিস, গার্লস…! জিগোলো হাজির আপনার দোরগোড়ায়! শুধুমাত্র আপনার একটি ফোনকলের অপেক্ষা৷ আর, তারপর, আপনি যেমন চাইবেন, তেমনই মিলবে সুখ!
শুধুমাত্র খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন আর সোশ্যাল মিডিয়া মায় গুগলে ক্লিক করে ফোন নম্বরে যোগাযোগ নয়৷ সোনাগাছির সঙ্গে যোগাযোগ করলেও মিলে যাবে জিগোলোর পরিষেবা৷ এ দিকে, এসকর্ট সার্ভিসের দৌলতে এ শহরেও গত কয়েক বছরে বেড়েছে জিগোলো অর্থাৎ, কলবয়ের পরিষেবা৷
শুধুমাত্র আবার পুরুষ যৌনকর্মীও নন৷ এসকর্ট সার্ভিসের মাধ্যমে কলকাতায় আগের তুলনায় বাড়ছে কলগার্লের সংখ্যাও৷ অতিরিক্ত অর্থ আর রঙিন জগতের হাতছানি৷ এমন নানা কারণে এসকর্ট সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন অভিজাত শ্রেণির বহু পুরুষ-মহিলাও৷ কোনও কোনও ক্ষেত্রে আবার কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াও হাজির হয়ে যাচ্ছেন এই ধরনের পরিষেবা প্রদানে৷
তবে, ওই পরিষেবা দিতে গিয়ে কোনও কোনও ক্ষেত্রে আবার সমস্যায়ও পড়তে হচ্ছে৷কখনও আইনি সমস্যা৷ কখনও আবার পরিষেবা গ্রাহকের ‘অত্যাচার’৷ এর পাশাপাশি রয়েছে এইচআইভি-এইডস সংক্রমণের বিষয়টিও৷ এসকর্ট সার্ভিসের সঙ্গে যে কলগার্ল এবং কলবয়রা যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের অধিকাংশ সাধারণত সংঘবদ্ধ নন৷ যে কারণেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের সমস্যায়ও পড়তে হয়৷ http://www.bengali.kolkata24x7.com/gigolo-damaged-life-of-sonagachhi-kolkata.html http://www.bengali.kolkata24x7.com/trend-gigolo-service-kolkata-west-bengal.html
যমজ সন্তানের বাবা ২ জন
একই গর্ভে দুই ভ্রূণ। দুই ভ্রূণের একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, গর্ভাশয়ে ঘুরে বেড়ানো। ভূমিষ্ঠও হল একসঙ্গে, কেবল সময়ের রয়েছে সামান্য ফারাক। গোটা বিশ্ব এই দুই ভ্রূণের পরিচিতি দেয় যমজ সন্তান নামে। মানে যমজ সন্তানের বাবা আলাদা দুই ব্যক্তি। সেই যমজ সন্তানের মা স্বীকারও করেছেন এ কথা।
এই ঘটনা সচরাচর ঘটে না। তবে এমনটা ঘটেছে অনেকের ক্ষেত্রেই। যখন একই ভ্রূণে দুটি ডিম একই সঙ্গে বেড়ে ওঠে তখন এমনটা হয়, এটাই বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা। কিন্তু একই গর্ভাশয়ে দুই ধরনের শুক্রাণু থেকে যমজ সন্তানের জন্ম, সারা বিশ্বে নজিরবিহীন। ভিয়েতনামে এক মহিলা যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, কিন্তু দুই শিশুর DNA টেস্ট করে দেখা যাচ্ছে তাঁদের রক্তের ক্রোমোজোম আলাদা। অর্থাৎ দুই পুরুষের শুক্রাণু মাতৃগর্ভাশয়ে একই সঙ্গে বেড়ে উঠেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, গর্ভাশয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দুই ব্যক্তির শুক্রাণুর প্রবেশের কারণেই এমনটা হয়েছে।
এর আগে এমন ঘটনা ঘটেছে ২ বার-
২০১৫ সালে আমেরিকার নিউ জার্সিতে যমজ কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রেও এমনটা হয়েছিল।
এই ঘটনা পৃথিবীতে প্রথম ঘটে, ২০১০ সালে। তুরস্কতে ঠিক একই রকমভাবে যমজ সন্তানের জন্ম হয়েছিল যাদের ক্রোমোজোম ছিল আলাদা।
Subscribe to:
Posts (Atom)
23. NUM LOCK+Asterisk sign (*) (Display all of the subfolders that are under the selected folder)
24. NUM LOCK+Plus sign (+) (Display the contents of the selected folder)
MMC COnsole Windows Shortcut keys
1. SHIFT+F10 (Display the Action shortcut menu for the selected item)
2. F1 key (Open the Help topic, if any, for the selected item)
3. F5 key (Update the content of all console windows)
4. CTRL+F10 (Maximize the active console window)
5. CTRL+F5 (Restore the active console window)
6. ALT+ENTER (Display the Properties dialog box, if any, for theselected item)
7. F2 key (Rename the selected item)
8. CTRL+F4 (Close the active console window. When a console has only one console window, this shortcut closes the console)
Remote Desktop Connection Navigation
1. CTRL+ALT+END (Open the Microsoft Windows NT Security dialog box)
2. ALT+PAGE UP (Switch between programs from left to right)
3. ALT+PAGE DOWN (Switch between programs from right to left)
4. ALT+INSERT (Cycle through the programs in most recently used order)
5. ALT+HOME (Display the Start menu)
6. CTRL+ALT+BREAK (Switch the client computer between a window and a full screen)
7. ALT+DELETE (Display the Windows menu)
8. CTRL+ALT+Minus sign (-) (Place a snapshot of the active window in the client on the Terminal server clipboard and provide the same functionality as pressing PRINT SCREEN on a local computer.)
9. CTRL+ALT+Plus sign (+) (Place asnapshot of the entire client window area on the Terminal server clipboardand provide the same functionality aspressing ALT+PRINT SCREEN on a local computer.)
Microsoft Internet Explorer Keyboard Shortcuts
1. CTRL+B (Open the Organize Favorites dialog box)
2. CTRL+E (Open the Search bar)
3. CTRL+F (Start the Find utility)
4. CTRL+H (Open the History bar)
5. CTRL+I (Open the Favorites bar)
6. CTRL+L (Open the Open dialog box)
7. CTRL+N (Start another instance of the browser with the same Web address)
8. CTRL+O (Open the Open dialog box,the same as CTRL+L)
9. CTRL+P (Open the Print dialog box)
10. CTRL+R (Update the current Web )