শীত এলেই ভ্যাসলিনের ব্যবহার বেড়ে যায়। আবার শীত চলে গেলে ভ্যাসলিনের কথা একরকম ভুলেই যায় সবাই। তবে ভ্যাসলিনের এমন কিছু ব্যবহার আছে যেগুলি জানলে সারা বছরই এটি আপনার হাতের কাছে থাকবে।
ভ্যাসলিনের সবচেয়ে বহুল ব্যবহার সম্ভবত দাঁত থেকে লিপস্টিক উঠাতেই। ঠোঁটে লিপস্টিক লাগাতে গিয়ে প্রায় সময়ই দাঁতে লেগে যায়। সেই লিপস্টিক উঠাতে আবার বিরাট ঝক্কি। পেরেশান না হয়ে দাঁতে অল্প একটু ভ্যাসলিন লাগিয়ে দিন। দেখবেন কী সুড়সুড় করে লিপস্টিক উঠে আসে।
মাথার চুল আগের চেয়ে বেশি কালো এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল দেখাতে ভ্যাসলিন ব্যবহার করতে পারেন। বিশ্বাস না হয় চুলের এক অংশে লাগিয়ে নিজেই পার্থক্য পরখ করুন।
চামড়ার পার্স কিংবা মানিব্যাগ অথবা জ্যাকেটের ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতে পেট্রোলিয়াম জেলি অর্থাৎ ভ্যাসলিন লাগিয়ে পালিশ করে নিন।
মাথার চুলে কলপ লাগানোর সময় কান, কপাল এবং ঘাড়ের যে অংশগুলোতে রং লেগে যায় সেখানে হালকা করে সেখানে ভ্যাসলিন মাখিয়ে রাখুন। কলপ লাগলেও উঠে যাবে।
যাদের চুলের আগা ফেটে যাওয়া নিয়ে মনে খেদ আছে তারা রাতে ঘুমানোর আগে চুলের আগায় ভ্যাসলিন লাগিয়ে ঘুমাতে যেতে পারেন। ধীরে ধীরে চুলের আগা ফাটা কমে আসবে।
অনেক টাকা দিয়ে কেনা পারফিউম বা বডি স্প্রে’র সুগন্ধ বেশিক্ষণ থাকে না বলে আমাদের অনেকেরই আফসোস থাকে। পারফিউমের সুগন্ধ অনেকক্ষণ ধরে রাখতে শরীরের যে অংশে স্প্রে করবেন সেখানে ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন। ভ্যাসলিন সুগন্ধ ধরে রাখবে অনেকক্ষণ।
No comments:
Post a Comment